News Bangla 24 BD | হারের জন্য এফবিআই প্রধানকে দুষলেন হিলারি - News Bangla 24 BD
News Head
 ঢাকা শহরে যানজট নিরসনে ১১টি প্রস্তাবনা যুক্তরাষ্ট্র ইরানি প্রতিনিধিদের আস্থা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে-ইরানের স্পিকার পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড উদ্বোধন প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ আর নেই দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই-সেতুমন্ত্রী টাঙ্গাইল জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির তিন সদস্যকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি প্রত্যাহার-শিক্ষামন্ত্রী সাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরি কমিশন-ইউজিসির চেয়ারম্যান রদবদল আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনো রেশনিং থাকছে না-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে নিজের হারের জন্য এফবিআই প্রধান জেমস কোমিকে দায়ী করেছেন হিলারি ক্লিনটন। খবর বিবিসির।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের মাত্র এক সপ্তাহ আগে তার ই-মেইল নিয়ে আবার তদন্তের হঠাৎ ঘোষণা নির্বাচনী প্রচারণার শক্তি নষ্ট করে দিয়েছিল।’

ডেমোক্র্যাটিক পার্টির দাতাদের সঙ্গে হিলারি ক্লিনটনের ফাঁস হওয়া এক টেলিফোন আলাপ থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন হিলারি ক্লিনটন রাষ্ট্রীয় তথ্য আদান-প্রদানে ব্যক্তিগত ই-মেইল সার্ভার ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

২০১৫ সালে প্রথম তার বিরুদ্ধে অভিযোগটি উঠলেও তদন্তের পর গুরুতর কিছু পাওয়া যায়নি বলে এফবিআই জানিয়েছিল। এ কারণে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না আনার সিদ্ধান্ত নেয় সংস্থাটি।

তবে নির্বাচনের মাত্র ১০ দিন আগে জেমস কোমি কংগ্রেসকে জানান- তিনি নতুন কিছু ই-মেইলের সন্ধান পেয়েছেন এবং সেগুলো নিয়ে আবার তদন্ত করবেন।

এছাড়া নির্বাচনের মাত্র দু’দিন আগে আবারো এক চিঠিতে জানিয়েছিলেন, গুরুতর কিছু পাওয়া যায়নি বলে তিনি তার পূর্ববর্তী অবস্থানেই ফিরে যাচ্ছেন।

রিপাবলিকান পার্টির সমর্থকেরা অবশ্য অনেকেই বলছিলেন হিলারি ক্লিনটনকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সহায়তা দেয়া হচ্ছে, যাতে তার বিরুদ্ধে কোনো তদন্ত না হয়।

প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসনে ২০০৯ থেকে ১৩ সাল পর্যন্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন হিলারি ক্লিনটন। মঙ্গলবার নির্বাচনে হারের পর থেকে তাকে প্রকাশ্যে খুব একটা দেখা যাচ্ছে না।

তবে নির্বাচনের আগমুহূর্তে ই-মেইল কেলেঙ্কারির বিষয়টি আবার উঠে আসার কারণে হিলারি ক্লিনটনের ওপর আমেরিকানদের বিশ্বাসের ঘাটতি তৈরি হয়েছিল বলে বিশ্লেষকেরা মনে করেন। এই ঘটনাটি অনেক ভোটারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে, বলে তারা বলছেন।

হিলারি ক্লিনটন বলেছেন, জেমস কোমির এসব অভিযোগের পর প্রচারণার গতি বরং আরো বাড়িয়ে দেয়া উচিত ছিল।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ