কাল ভোট কুমিল্লায়, কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা
৩০ মার্চ (বৃহস্পতিবার) সকাল ৮টা থেকে শুরু হবে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। ভোট চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।
আজ বুধবার নগরীর ২৭টি ওয়ার্ডের ১০৩টি ভোট কেন্দ্রের ৬২৮টি বুথের জন্য ভোটের বাক্স পৌঁছানোর সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়।
নির্বাচনকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, নির্বিঘ্ন ও সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য করতে নির্বাচন কমিশন পুরো নগরী নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলেছে। নিযুক্ত করা হয়েছে পুলিশ র্যাব, বিজিবি, আনসার-ভিডিপিসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৫ সহস্রাধিক সদস্য।
গতকাল (মঙ্গলবার) প্রচার-প্রচারণার শেষ দিনে প্রার্থীদের পক্ষে নগরীর কেন্দ্রস্থল কান্দিরপাড়সহ আনাচে-কানাচে ব্যাপক গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণসহ স্লোগানে আর মিছিলে মুখরিত হয়ে উঠে বিভিন্ন এলাকা। তবে কমিশনের নির্দেশনার পর কেন্দ্রীয় নেতা/বহিরাগতরা কুসিক এলাকা ছেড়ে যাওয়ায় গতকাল মেয়র পদে দুই দলের প্রার্থী ও তাদের নেতা-কর্মীরা দিনভর গণসংযোগ করেন।
অদৃশ্য শঙ্কায় সীমা ও সাক্কু: নির্বাচনটা নৌকা বনাম ধানের শীষ প্রতীকের হলেও প্রতীকের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে প্রার্থীর নিজস্ব ব্যক্তিত্ব আর পরিচিতিও।
আগামীকাল অনুষ্ঠেয় কুসিক নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে নির্বাচন করছেন মনিরুল হক সাক্কু। তিনি কুসিকের প্রথম মেয়র। ২০১২ সালে এ সিটির প্রথম নির্বাচনে জাতীয় রাজনীতির কারণে বিএনপি অংশগ্রহণ করেনি। তাই দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে তিনি ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী সীমার বাবা আফজল খানের সঙ্গে লড়ে জিতেছিলেন।
এবার তার সঙ্গে দলীয় প্রতীক নিয়ে লড়ছেন আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পাওয়া আঞ্জুম সুলতানা সীমা। তারও রয়েছে স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত প্রতিনিধি হয়ে ১৫ বছরের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা। তবে মেয়র পদে কার্যত বড় দুই দলের প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি, এমন কথা বলছেন নগরীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ভোটাররা।
শেষ মুহূর্তে জটিল হচ্ছে ভোটের অঙ্ক: কুসিক নির্বাচন ঘিরে শেষ মুহূর্তে ভোটের অঙ্ক আরো জটিল হচ্ছে। সরেজমিন স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মী থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে আলাপ করে এ চিত্র পাওয়া গেছে।
সাধারণ মানুষের মতে, মেয়র পদে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয় প্রার্থীর প্রচার-প্রচারণা ছিল প্রায় সমানে-সমান। তবে এবারের ভোটের অঙ্কের হিসাব শুধু একজন মেয়র নির্বাচিত করা নয়, এর ফল স্থানীয় রাজনীতির মানচিত্রেও বড় পরিবর্তন এনে দিতে পারে।
বিএনপি প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু তার নেতা-কর্মীদের হয়রানি ও নির্বাচনী এলাকায় দলীয় নেতাদের প্রভাবের অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার আবারও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।
অপরদিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমা বলেন, এখানে নির্বাচনের সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশ বিরাজ করছে। দলীয় নেতাদের প্রভাবের বিষয়ে তিনি বলেন, তার (সাক্কু) অভিযোগ সঠিক নয়। নৌকার পক্ষে গণজোয়ার দেখে তিনি বিভিন্ন অভিযোগ তুলে নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে চান।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সঙ্গে ইরানের স্পিকারের সাক্ষাৎ, খামেনি হত্যার নিন্দা
বস্তুনিষ্ঠতাই গণমাধ্যমের একমাত্র মানদণ্ড: তথ্যমন্ত্রী
জলাশয় থাকবে উন্মুক্ত, জোরদার হচ্ছে নদী-খাল খনন কর্মসূচি : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
গণমাধ্যম শক্তিশালী হলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়: মির্জা ফখরুল
নজরুল বর্ষ উদ্যাপন কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার দাবি
১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কমলো ৩৫৭ টাকা
দুবাই থেকে আসা বিমানের কার্গো হোলে ৪৫ কোটি টাকার স্বর্ণ! 