ছয় সিটি ভোটের তথ্য সংগ্রহ করছে ইসি
নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মতোই আসন্ন ৬ সিটি করপোরেশন নির্বাচন অবাধ নিরপেক্ষ করতে চাচ্ছে কেএম নুরুল হুদার নেতৃত্বের নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইতোমধ্যে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কাজ শুরু করছে সংস্থাটি। এই নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ সকল দল অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কাজ শুরু করেছে ইসি। এর ধারাবাহিকতায় আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে সকল দলের সাথে সংলাপ করতে চায় ইসি। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানাগেছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে আগামী বছরের জানুয়ারির মধ্যে রংপুর সিটি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থাটির। এ সিটি করপোরেশনে সর্বশেষ ভোট হয়েছে ২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বরে। ইসি চায় নভেম্বরের দিকে তফসিল ঘোষণা করতে।
এছাড়া বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনে আগামী বছর ফেব্রুয়ারি থেকে আগস্টের মধ্যে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে ইসির। এসিটি নির্বাচনগুলোতে একই দিনে ভোটগ্রহণ করারও পরিকল্পনা রয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউপি, পৗর এবং সিটি মিলে ইতোমধ্যে ১৯টি নির্বাচন সাফল্যের সাথে সম্পন্ন করছে নতুন (ইসি)। তবে জাতীয় নির্বাচনের আগে ছয় সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা ইসির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হবে। এমনকি এ নির্বাচনগুলো ইসির জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের মূল হাতিয়ার হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, এ কমিশন ছোট বড় সব নির্বাচন সমানভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে। এসব সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পরিসংখ্যান ও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কাজ চলছে ইসির সচিবালয়ে। আনুষ্ঠানিকভাবে এসব তথ্য উপস্থাপন করলে কবে নির্বাচন হচ্ছে তা বলা যাবে। এব্যাপারে জানতে চাইলে ইসি সচিবালয়ের সচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, মে মাসের শেষভাগে রংপুর সিটি নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা আছে।
বাকি পাঁচ সিটির নির্বাচন আগামী বছরের শুরুতে করা লাগতে পারে। আশা করছি সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্যে পাঁচ সিটি নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দল অংশ নেবে। কুমিল্লা সিটির চেয়ে আমরা ছয় সিটির নির্বাচন আরও সুন্দর করব। ইসি সচিবালয় জানিয়েছে, রংপুর সিটি নির্বাচন করতে হবে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে। আর পাঁচ সিটি খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী, সিলেট ও গাজীপুর করতে হবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে আগস্টের মধ্যে। তবে এর আগে চার সিটি (খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী, সিলেট) মেয়রের দায়িত্বভার গ্রহণ নিয়ে নানা জটিলতা হওয়ায় নির্বাচনের সময়সীমা কিছুটা পরিবর্তনও হতে পারে। ইসির কর্মকর্তারা বলেছেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপযোগী হয় মেয়াদ শেষ হওয়ার ছয় মাস পূর্বে।
আর মেয়াদ হচ্ছে সিটির প্রথম সভা হতে পরবর্তী পাঁচ বছর। সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বিধিমালা অনুযায়ী, মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। এ জন্য বর্তমান ইসির আগামী ২২ মাসের নির্বাচনি রোডম্যাপে এই সিটি করপোরেশন নির্বাচনগুলোকেও অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচনি রোডম্যাপে পর্যায়ক্রমে প্রথমে রংপুর সিটির নির্বাচন, এরপর চার সিটি তথা বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী ও সিলেট এবং শেষে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে নির্বাচন করার পরিকল্পনা রাখা হচ্ছে। তবে ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, এ ছয় সিটির মেয়াদ কাছাকাছি সময়ে শেষ হবে।

অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার দাবি
১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কমলো ৩৫৭ টাকা
দুবাই থেকে আসা বিমানের কার্গো হোলে ৪৫ কোটি টাকার স্বর্ণ!
‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর
সরকারি দল-বিরোধী দল একসঙ্গে উন্নয়নে কাজ করবে: ডিএনসিসি প্রশাসক
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু কাল, বেড়েছে পরীক্ষার্থী, কেন্দ্র ও প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা
নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন
৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলে দেওয়ার দাবি নাহিদ ইসলামের 