প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোরায় কক্সবাজার, রাঙামাটি ও ভোলায় ছয়জন নিহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।এসময় ঝড়ে অন্তত শতাধিক মানুষ আহত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে মোরা আঘাত হানার পর গাছচাপায় ও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তারা মারা যান।
কক্সবাজার প্রতিনিধি জানান: ঘূর্ণিঝড় মোরা’র আঘাতে কক্সবাজার জেলায় তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে চকরিয়া গাছ চাপায় মারা গেছে ২ জন ও কক্সবাজার পৌর শহরের ২নং ওয়ার্ডে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছে একজন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া থানার ওসি বখতিয়ার আহমদ।
ওসি বখতিয়ার আহমদ জানান, চকরিয়ায় গাছ চাপা পড়ে রহমত উল্লাহ (৫০) ও সায়রা খাতুন (৫৫) নামের দু’জনের মৃত্যু হয়। রহমত উল্লাহ ডুলাহাজারা পূর্ব জুমখালী এলাকার আব্দুল জব্বারের ছেলে এবং সায়রা খাতুন বড় ভেওলা ইউনিয়নের সিকদার পাড়া এলাকার মৃত নুরুল আলমের স্ত্রী। রাতে বাতাসে গাছ ভেঙে বাড়িতে পড়লে এ দু’জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া বিভ্ন্নি স্থানে আহত ১০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।
অপর দিকে কক্সবাজার পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের একটি আশ্রয় কেন্দ্রে এসে ঘূর্ণিঝড়ের ভয়ে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মরিয়ম বেগম (৪৫) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি নুনিয়ারছড়া এলাকার বদিউল আলমের স্ত্রী। কক্সবাজার পৌর মেয়র মাহবুবুর রহমান চৌধুরী জানিয়েছেন, আগে থেকেই শারিরীকভাবে তিনি দুর্বল ছিলেন।
রাঙামাটি প্রতিনিধি জানান, মোরা’র আঘাতে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙামাটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার মো. তৈয়ব। নিহতরা হলেন, রাঙামাটির আসাম বস্তির নারকেল বাগান এলাকার হাজেরা বেগম (৪৫) ও রাঙামাটি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী ও ভেদভেদি এলাকার মাহিমা আক্তার (১৩)। নিহতদের স্বজনদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, ঝড়ে হাজেরা বেগমের ঘরের উপর গাছ ভেঙে পড়ে। এসময় ঘরের ভেতরে থাকা হাজেরা বেগম গাছ চাপায় নিহত হন এবং তার ছেলে জুনায়েদ (৫) আহত হয়। অন্যদিকে ঘরের উপর গাছ ভেঙে পড়ায় মাহিমা নিহত হয়। এসময় মাহিমা ছাড়া কেউ ঘরে ছিল না।
ভোলা প্রতিনিধি জানান, ভোলার মনপুরা আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথে মায়ের কোলে বছর বয়সি এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। কলাতলীর চর সিপিপি ইউনিট টিম লিডার মো.নাজিমউদ্দিন শিশু মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কলাতলীর চর সিপিপি ইউনিট টিম লিডার মো. নাজিমউদ্দিন জানান, ঘূর্ণিঝড় মোরা আতঙ্কে স্থানীয় আবাসন বাজার থেকে ছালাউদ্দিনের স্ত্রী জরিফা খাতুন তার এক বছর বয়সি ছেলে রাশেদমনিকে কোলে নিয়ে সোমবার রাত ১টার সময় আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য রওনা দেয়। মনির বাজারের কাছে মনপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথে প্রচণ্ড বৃষ্টি ও ঠাণ্ডা বাতাসে শিশুটির ঠাণ্ডা লেগে যায়। ঠাণ্ডায় শিশুটি আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথেই মারা যায়।
এ বিষয়ে কলাতলী চরের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার মো. ছালাউদ্দিন জানান, আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার পথে বৃষ্টি ও বাতাসে ঠাণ্ডা লেগে শিশুটি মায়ের কোলই মারা যায়।
মনপুরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমানতউল্যাহ আলমগীর বলেন, কলাতলীচরে আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার সময় মায়ের কোলে এক শিশুর মৃত্যুর খবর পেয়েছি। তবে খোঁজ নিয়ে জেনেছি শিশুটি আগে থেকে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ছিল বলে জানান তিনি।

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু কাল, বেড়েছে পরীক্ষার্থী, কেন্দ্র ও প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা
নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন
৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলে দেওয়ার দাবি নাহিদ ইসলামের
৫০০ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোতায়েন হচ্ছে পাঁচ হাজার আনসার
পূর্বাচলে হচ্ছে ৪ থানা, দায়িত্বে থাকবে ৬ হাজার পুলিশ: আইজিপি
‘যারা জামায়াতকে ক্ষমা চাইতে বলে, তাদের নিজেদেরই কয়েকবার ক্ষমা চাওয়া উচিত’: সেলিম উদ্দিন
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস 