News Bangla 24 BD | আগামী নির্বাচন হবে অবাধ ও নিরপেক্ষ: প্রধানমন্ত্রী - News Bangla 24 BD
News Head
 মশা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রেখেছি, সামনে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাবের সম্ভাবনা রয়েছে: ডিএনসিসি প্রশাসক ক্রীড়া কার্ডের সংখ্যা ৩০০ থেকে বাড়িয়ে ৫০০ করা হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী গাজীপুরে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরায় ৭৩ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করল বিজিবি ঢাকা কেয়ার স্কুলের ৩১তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত বগুড়ায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে হামলা, সেনাসহ হতাহত ১০ চূড়ান্ত হলো নকআউটের ৩২ দল, বিশ্বকাপ থেকে যাদের বিদায় সারা দেশে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু, যেসব শিশু পাবে এই ক্যাপসুল

আগামী নির্বাচন হবে অবাধ ও নিরপেক্ষ: প্রধানমন্ত্রী


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতার হত্যার পর নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়েছে। আমরা দিনের পর দিন আন্দোলন-সংগ্রাম করে গণতান্ত্রিক ধারাটা আবার ফিরিয়ে এনেছি। এখন নির্বাচন যত সুষ্ঠু হচ্ছে, মানুষ ভোট দিতে পারছে- এটা আমাদের অবদান।

আগামী নির্বাচন সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, মানুষ তার পছন্দমতো লোককেই নির্বাচন করবে। নির্বাচন প্রক্রিয়া আমরাই উন্নতি করেছি। আমরা যে কাজ করেছি, তাতে যদি জনগণ খুশি হয় ভোট দেবে, না হলে দেবে না। যা দেবে তাই আমরা মেনে নেব। নির্বাচন কমিশন এখন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে।

ভয়েস অব আমেরিকাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, নির্বাচন অবশ্যই অবাধ নিরপেক্ষ হবে। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকবে নির্বাচন কমিশন। তারাই সব করবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সরকারের আমলে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে, প্রত্যেকটি অবাধ, নিরপেক্ষ এবং সুষ্ঠু হয়েছে। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেতো বিএনপির প্রার্থী জয়লাভ করেছেন।

সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের যেন মিয়ানমার সরকার ফিরিয়ে নিয়ে যথাযথ নিরাপত্তা দিয়ে রাখে সেই বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে তাদের পরামর্শ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা মিয়ানমার থেকে এসেছে তাদেরকে সসম্মানে ফিরিয়ে নিতে হবে। তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং তারা যেন ভালোভাবে ফিরে যেতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে।

আন্তর্জাতিকভাবে মিয়ানমার সরকারের ওপর যেন সেই চাপটা দেয়া হয়, যেন তারা তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিয়ে যায়। এটাই হচ্ছে মূলত আমার কথা।

তিনি বলেন, যেহেতু মিয়ানমারে এমন একটা অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে, তারপর তারা আশ্রয় চেয়ে আমাদের এখানে চলে এসেছে। মানবিক কারণে আমরা তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছি। এখানে ছোট ছোট শিশু, মহিলা, বয়োবৃদ্ধ চলে এসেছে। এদের গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। ঘরবাড়ি পোড়ানো হয়েছে, মানুষ হত্যা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি ও আমার ছোট বোন রেহানাসহ (শেখ রেহানা) অনেকেই সেখানে গিয়েছি।। মা-বাবা-বোনকে মেরে ফেলা হয়েছে, এরকমও আছে। ফলে কেউ হয়তো একেবারেই চলে এসেছে এতিমের মতো।

মিয়ানমার সংক্রান্ত এসব বিষয়সহ আরও অনেক বিষয় জাতিসংঘের ভাষণে বলেছেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি কফি আনানের সুপারিশগুলো মিয়ানমারকে মেনে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, মিয়ানমার সরকারকে আমরা সব সময় একটা কথা বলেছি, তাদের দেশে কেউ যদি কখনও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাতে চায়, বাংলাদেশ কখনও তাদের স্থান দেবে না। এ ক্ষেত্রে দুই দেশের সমঝোতা থাকা এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। আর এ ধরনের কোনো তথ্য থাকলে আমরা একে অপরকে দিয়ে সহযোগিতা করব। কিন্তু তাদের নিরীহ নাগরিকদের ওপর অত্যাচার- এটা যেন না হয়। এটা সম্পূর্ণ মানবতাবিরোধী। এটা বন্ধ করতে হবে।

জাতিসংঘে গিয়ে রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রত্যেকের কাছ থেকেই ভালো সমর্থন পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, প্রত্যেকেই এ বিষয়টি জানার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং সবাই সহযোগিতা করতে চান। ইতিমধ্যে অনেক দেশ রোহিঙ্গাদের জন্য আমাদের দেশে ত্রাণ পাঠিয়েছে। এ ব্যাপারটিতে প্রত্যেকেই সহানুভূতিশীল।

যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের সমর্থন পাওয়ার বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, তারাও এ ব্যাপার নিয়ে চিন্তিত। তারাও বলেছে, এ ব্যাপারে সহযোগিতা করবে। ইতিমধ্যে তারা বেশকিছু পদক্ষেপও নিয়েছে।

ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় শরণার্থী সমস্যার বিষয়টি উল্লেখ করেন বলেও জানান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

জাতিসংঘে ভাষণে জঙ্গিবাদ দমনে সরকারের ভূমিকা সম্পর্কে কথা বলেছেন শেখ হাসিনা। সে বিষয়ে তিনি ভয়েস অব আমেরিকাকে বলেন, কোনোভাবেই আমরা জঙ্গিবাদকে মেনে নিতে পারি না।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ