কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফল পাচ্ছে বাংলাদেশ
মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের তৃতীয় কমিটিতে উন্মুক্ত ভোটের মাধ্যমে রেজুলেশন গৃহিত হওয়াকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সফলতা বলে মনে করছেন বিশিষ্ট কূটনীতিক, সাবেক রাষ্ট্রদূত ও রাজনীতিবিদেরা। শুক্রবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে এক সংলাপে বক্তরা এমন কথা বলেন।
তারা বলেন, আমরা রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফল পাচ্ছি। এই ভোটের মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে পরিস্থিতির উন্নতি হবে।
বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সদর দফতরে সদস্য দেশসমূহের উপস্থিতিতে উন্মুক্ত ভোটের মাধ্যমে ১৩৫টি দেশ এই রেজুলেশনের পক্ষে ভোট দেয়। বিপক্ষে ভোট দিয়েছে চীন, রাশিয়াসহ ১০টি দেশ। আর ভারতসহ ২৬টি দেশ ভোটে বিরত থাকে। ওআইসির পক্ষে সৌদি আরব এই রেজুলেশন উত্থাপন করে।
এর পরদিন শুক্রবার রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে ‘ন্যাশনাল ডায়ালগ অন রোহিঙ্গা ইস্যু’ শীর্ষক সংলাপ যৌথভাবে আয়োজন করে বাংলাদেশ হেরিটেজ ফাউন্ডেশন ও ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যান্ড কাউন্টার টেররিজম। সংলপের ফাঁকে ‘বন্ধুরাষ্ট্র হয়েও চীন, রাশিয়ার মিয়ানমারের পক্ষে ভোট’ দেয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সাবেক রাষ্ট্রদূত ড. রাশেদ আহমেদ বলেন, স্থায়ী বন্ধু, স্থায়ী শত্রু বিষয়টি পররাষ্ট্রনীতিতে নেই। এখানে কাজ করে জাতীয় স্বার্থ। যেসব দেশ মনে করে এখনো তাদের জাতীয় স্বার্থ রয়েছে, তারা সেটাই করবে। জাতিসংঘের ভোটাভুটিতেও চীন, রাশিয়া তাই করেছে। এ কারণে আমাদের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আরো শক্তিশালী করতে হবে।
রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ভোটাভুটিতে অধিকাংশ দেশ অামাদের পক্ষে। ভারত ভোটদানে বিরত থেকেছে এটাও বড় ধরণের সাফল্য। চীন-রাশিয়াকে ভোটদানে বিরত রাখতে পারলে নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের অবস্থান সুবিধাজনক হবে। মোট কথা রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে পরিস্থিতি পরিবর্তন হবে।
একই বিষয়ে বাংলাদেশ হেরিটেজ ফাউন্ডেশন ও ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যান্ড কাউন্টার টেররিজমের চেয়ারম্যান ড. ওয়ালিউর রহমান বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে মিয়ানমারের সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলার চেষ্টা করছি। প্রধানমন্ত্রী চাচ্ছেন আন্তর্জাতিক সমপ্রদায় এ কথাগুলো বলুক। আমি আশাবাদী- আমরা রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফল পাচ্ছি। এ প্রচেষ্টা চালিয়ে গেলে দ্রুত রোহিঙ্গা সংকট সমাধান হবে।
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মো. মোজাফফর হোসেন পল্টু বলেন, এটা আমাদের জন্য খুবই বেকায়দাজনক অবস্থা। কিন্তু আমাদের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা খুবই দুরদর্শী মানুষ। তিনি হুট-হাট কোনো সিদ্ধান্ত নেন না। রোহিঙ্গা ইস্যুতেও তিনি আন্তর্জাতিক ও দ্বিপাক্ষিক ভাবে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছেন। এবং তার ফলও পাওয়া যাচ্ছে। এটা অবশ্যই প্রশসংনীয়।

সারা দেশে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু, যেসব শিশু পাবে এই ক্যাপসুল
আকস্মিক মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘স্পারসো’ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী
রামপুরা হত্যা মামলা ডিএমপির সাবেক কমিশনারসহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড
‘তুরাগ নদীতে ছাত্রলীগের সাত কর্মীর লাশ’, দাবি গুজব: পুলিশ
ইসলামী আন্দোলনের নতুন মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু
ছয় দিনের প্রথম বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
কাঁটাবনের বহুতল ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে, প্রাণ গেল ২ তরুণের 