News Bangla 24 BD | পরিবেশ অধিদপ্তরের শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত - News Bangla 24 BD
News Head

পরিবেশ অধিদপ্তরের শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত


নিজস্ব প্রতিবেদক :: পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার (২১ জুন) সকালে পরিবেশ অধিদপ্তরের অডিটোরিয়ামে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।তিনি শব্দদূষণের বিষয়টি শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন এবং একই সাথে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন একই মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রায়হান কাওছার, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) পরিচালক (অপারেশন) মীর আহমেদ তারিকুল ওমর, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. নুরুন নাহার, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জিয়াউল হক। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. লুৎফর রহমান।
মো. রায়হান কাওছার বলেন, ‘শব্দদূষণের কারণে মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে। শব্দদূষণ শুধু মানুষের না জীববৈচিত্রেরও মারাত্মক ক্ষতি সাধন করছে।’
মো. আনিছুর রহমান বলেন, ‘এই প্রকল্পের আওতায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০২৫ জারির পর থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ মোট ২৯৪৭৮টি মামলা করে ১ কোটি ৯২ লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় করেছে।’ লুৎফর রহমান প্রকল্পটি ভালোভাবে সমাপ্ত করার জন্য প্রকল্প টিমকে ধন্যবাদ জানান এবং শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের পাশাপাশি সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত ৬৪ জেলায় শব্দের মানমাত্রা বিষয়ক জরিপ প্রতিবেদনের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
প্রকল্পটি ২০২০ সালের জানুয়ারি হতে শুরু হয়ে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত রয়েছে। এই প্রকল্পটির মোট বরাদ্দ ছিল ৫,৪৮৪.৮৯ লক্ষ টাকা। ৩টি প্রধান উদ্দেশ্য নিয়ে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে- প্রথম উদ্দেশ্য- জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ উন্নয়নে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০০৬ বাস্তবায়নে অংশীজনদের দক্ষতা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি। দ্বিতীয় উদ্দেশ্য- শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে দূষণের মাত্রা, উৎস ও এর প্রভাব সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা। তৃতীয় উদ্দেশ্য- শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের (পাইলটিং) মাধ্যমে কার্যকরী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করা।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ