আগামী ১০ জুলাই আওয়ামী লীগের সম্মেলন
আগামী ১০ জুলাই হবে আওয়ামী লীগের সম্মেলন। ২৮ মার্চ হওয়ার কথা ছিল ক্ষমতাসীন দলের এ কেন্দ্রীয় সম্মেলন।
রবিবার গণভবনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির প্রারম্ভিক বক্তব্যে দলের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়ে দেন, ২৮ মার্চ সম্মেলন হচ্ছে না। বৈঠকে আলোচনা করে নতুন তারিখ ঠিক করা হবে। এরপর রুদ্ধদ্বার সভায় ১০ জুলাই সম্মেলনের দিন ঠিক হয় বলে বৈঠকে উপস্থিত এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান।
প্রারম্ভিক বক্তব্যে কাউন্সিল পেছানোর জন্য সারাদেশে চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কারণ দেখান শেখ হাসিনা।
আওয়ামী লীগের সর্বশেষ কাউন্সিল হয়েছিল চার বছর আগে ২০১২ সালে ডিসেম্বরে। সে অনুযায়ী গত ২৯ ডিসেম্বর বর্তমান কমিটির মেয়াদ ফুরোলেও কাউন্সিল করতে তিন মাস সময় নেয় দলটি। শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর থেকে এখন পর্যন্ত সপ্তমবারের মতো দলীয় সভানেত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।
গত সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পদে কোনো পরিবর্তন হয়নি। সে সময় দ্বিতীয় মেয়াদে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।
গত ৯ জানুয়ারি কার্যনির্বাহী সংসদের এই বৈঠকে ২৮ মার্চ সম্মেলনের দিন ঠিক করেছিল আওয়ামী লীগ । গত ৯ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ ২৮ মার্চ ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের দিন ঠিক করার পর নির্বাচন কমিশন ইউপি ভোটের তফসিল দেয়। কয়েক দফায় জুন মাস পর্যন্ত চলবে এই ভোট।
সম্মেলনের তারিখ পিছিয়ে আরও কয়েকটি কাজ করার নির্দেশনাও কেন্দ্রীয় নেতাদের দিয়েছেন সভানেত্রী শেখ হাসিনা।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য দলীয় প্রার্থী মনোনয়নের জন্য গঠনতন্ত্র পরিবর্তনের প্রয়োজনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এটা গঠনতন্ত্রে নিয়ে আসতে হবে। কী পদ্ধতিতে নির্বাচনটা হবে।
প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রেসিডেন্ট ও সেক্রেটারিকে নিয়ে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ বর্ধিত সভা করবে। সেই বর্ধিত সভায় কে প্রার্থী হবে সেখানে তারা তা সুনির্দিষ্ট করবে। ইউনিয়ন কমিটি তাদের নির্ধারিত প্রার্থীর নাম উপজেলা ও জেলা কমিটির কাছে পাঠাবে।
ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক; এই ছয়জন একমত হয়ে চূড়ান্ত করে নিজেদের স্বাক্ষর করে পাঠালেই ওই প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়া হবে।
যেখানে এই নেতারা একমত হতে পারবে না, সেখানে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বৈঠকের সিদ্ধান্ত ও কার্যবিবরণী দেখে কেন্দ্র থেকে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে বলে জানান শেখ হাসিনা।
এই প্রক্রিয়াতে স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন দেয়া হবে বলে জানান আওয়ামী লীগ সভানেত্রী।
কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অর্থনীতির মতো মৌলিক বিষয়গুলোর ওপর কেন্দ্রীয় বিভাগীয় উপ-কমিটিকে সেমিনার ও আলোচনার আয়োজন করে সেখান থেকে মতামত নিয়ে ঘোষণাপত্র সংশোধনের তাগিদও দেন শেখ হাসিনা।
২০তম ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের আগে জাতীয় কমিটির বৈঠক করে দলের বাজেট অনুমোদন করার কথাও বলেন শেখ হাসিনা।
উপদেষ্টা পরিষদ ও কার্যনির্বাহী সংসদের যৌথ বৈঠকও সম্মেলনের আগে করা হবে বলে জানান তিনি।

ইরানের আগামী সপ্তাহের মধ্যে কঠোর আঘাত হানা হবে-ডোনাল্ড ট্রাম্প
টাঙ্গাইল সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৬ মেট্রিকটন চাল ট্রাক সহ লুটের চেষ্টা
সংসদকে সকল যুক্তি তর্ক আর জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই-প্রধানমন্ত্রী
গাজীপুরে পুলিশের অভিযানে পলাতক আসামীসহ ৩৩ আটক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম
জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ আততায়ীর গুলি.অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন
আগামী ১৮ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট সাধারণ ছুটি ঘোষণা
আগামীকাল বৃহস্পতিবার সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ 