মন্ট্রিয়লে জাকজমক পিঠা মেলা ও বসন্ত উৎসব
সদেরা সুজন, সিবিএনএ কানাডা থেকে।। মন্ট্রিয়লে এখন প্রচন্ড শৈত্য প্রবাহের তান্ডব না হলেও যায় যায় করেও হাঁড় কাঁপানো শীতার্থ আবহাওয়া এখনো বিদ্যমান।উইন্টারের তুষারপাত গলে যাবার পরও গত পরশু আবারো এক পশলা তুষারপাতে ঢেকে গিয়েছিলো রাস্তাঘাট। সবুজহীন বৃক্ষগুলো এখনো পাতা পল্লবহীন ঠাঁই দাঁড়িয়ে আছে ম্রিয়মান হয়ে। যতই হোক শীতের তীব্রতা, হোক তুষারপাত ভেজা মন্ট্রিয়ল তবুও প্রবাসীদের হৃদয়ে বসন্ত বলে কথা! হোক না দূর বহুদূর হাজার হাজার মাইল আর সাত সাগর-তেরো নদীর ওপারে প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ। হোকনা যতই কষ্টক্লান্ত স্বজনবিহীন পরবাস তারপরেও বসন্ত বলে কথা। ফাগুনের শেষান্তে চৈত্রের দাবদাহে গাছে গাছে কৃষ্ণচূড়া পলাশ-শিমুলের রঙিন আভা ছড়িয়ে পড়েছে দেশ থেকে দেশান্তরে। তাইতো বসন্তের দোলা লেগেছে মন্ট্রিয়ল প্রবাসীদের মনে মনে।
‘এসো বকুল বিছানো পথে, এসো নব শ্যামল শোভন রথে, পিয়াল ফুলের রেনু মেখে আমার বসন্ত এসো, এসো বন মল্লিকা কুঞ্জে, এসো মৃদু, মধুর মদির হেসে্’। এভাবেই মৃদু মধুর মদির হেসে শ্যামল বসন্তকে গতকাল ১৯ মার্চ শনিবার 419,St. Roch SS-18 ‘ফ্রেন্ডস এন্ড ফ্যামেলি’ আয়োজিত ‘পিঠা উৎসব এ বসন্তে’ শিরোনামে প্রথমবারের মত মন্ট্রিয়ালে বসন্ত কে বরন করেছে বিপুল সংখ্যক প্রবাসীরা। বিকেল ৩ টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত এ উতসবে ছিলো বাংলার ঐতিহ্যবাহী পিঠা-পুলির সমাহার, নানা রকমের স্টল, ও গান-কবিতা আবৃতি আর নৃত্যের তালে তালে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের হাজার বছরের চিরন্তন গ্রাম-বাংলার চিরচেনা ঐতিহ্যবাহি পিঠা-পুলির পরিচয় করিয়ে দেওয়াই ছিলো আয়োজকদের উদ্দেশ্য। প্রবাসী ললনারা শাড়ী, মাথায় ফুলের মালা, ছেলেরা ফতুয়া পাঞ্জাবি পড়ে সমবেত হয়েছিলো বসন্ত উৎসবে। ছোট্ট পরিসরে বিশাল আয়োজনে মানুষের উপচেপড়া ভীড় ছিলো দেখার মতো। পিঠা-পুলি’র বেশ ক’টি স্টলের পাশাপাশি ঝাঁলমুড়ি এবং রকমারি শাড়ী-গহনার স্টলে ক্রেতার উপস্থিতিও ছিলো অবিশ্বাস্য। উপস্থিতি সবার মুখে মুখে একই কথা উচ্চারিত হয়েছে ‘এমন সুন্দর অনুষ্ঠান আরো ব্যাপক এবং বড় পরিসরে হওয়া চাই’। আয়োজকরাও বলেছেন আগামী বছর আরো বিশাল পরিসরে বসন্ত উৎসবের আয়োজন করবেন বলে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। নান্দনিক এ অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্ববধানে ছিলেন, খান সাইফুদ্দিন, সাংবাদিক শামসাদ রানা, শর্মিলা ধর, কামাল চৌধুরী, মিন্টু হাওলাদার, রুমি তৌফিক, মুফতি ফারুক, তোতন আফাজউদ্দিন, মুস্তাফিজুর রহমান লাভলু, ও আরিয়ান হক ।
অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন মন্ট্রিয়লের জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী শফিউল ইসলাম, নিরোজ বড়ুয়া, শর্মিলা ধর, দেবপ্রিয়া কর রুমা, সোমা চৌধুরী, অনুজা দত্ত, প্রিয়ন্তি দাসসহ শিশু শিল্পীরা।
কবিতা আবৃত্তি করেন আফাজ উদ্দীন তোতন ও মুফতি ফারুক। নৃত্য পরিবেশন করে মাবিশা চৌধুরী ও রশা তৌফিক।
অনুষ্ঠানের মিডিয়া সাপোর্ট ছিলো সাপ্তাহিক দেশের আলো, সাপ্তাহিক বাংলা মেইল, সিবিএনএ, দেশদিগন্ত, বাংলার কন্ঠ, মাইটিভি, আরটিভি, একুশেটিভি, দেশবার্তা, এনটিভি, যমুনাটিভি, চ্যানেল এস, এনআরবিটিভি, বিডি২৪লাইভডটকম, আজকাল বিটিভিসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া।

যুক্তরাষ্ট্র ইরানি প্রতিনিধিদের আস্থা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে-ইরানের স্পিকার
পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড উদ্বোধন
প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ আর নেই
দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই-সেতুমন্ত্রী
টাঙ্গাইল জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির তিন সদস্যকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার
স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি প্রত্যাহার-শিক্ষামন্ত্রী
সাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরি কমিশন-ইউজিসির চেয়ারম্যান রদবদল
আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনো রেশনিং থাকছে না-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত 