News Bangla 24 BD | যে কোনো সময় নিজামীর ফাঁসি - News Bangla 24 BD
News Head
 গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং গণহত্যার বিচারের দাবিতে গাজীপুরে গণমিছিল ‘বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাই রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ’ গাজীপুরের শ্রীপুরে আনসার উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর অসুস্থ নজরুলসংগীতের বরেণ্য শিল্পী শবনম মুশতারীর পাশে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ট্রেনের ছাদের যাত্রীরা টয়লেট করে কিভাবে? বাসর রাতে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়া সুন্নত নাকি বিদআত? এআই নিয়ে কর্মীদের নতুন তথ্য দিলেন জুকারবার্গ শিগগিরই দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নাগরিকদের আচরণগত পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ: ডিএসসিসি প্রশাসক জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের সম্মানে স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

অনেক রক্ত আর ত্যাগের বিনিময়ে স্বাধীন মানচিত্র ও পতাকা পেয়েছে বাঙালি। সেই বাঙালির গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের ঋণ আরও কিছুটা লাঘবের জন্য মঞ্চ প্রস্তুত। ফাঁসির ক্ষণগণনাও শুরু। পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসির সব আয়োজন চূড়ান্তপ্রায়। মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীর সামনে এখন ফাঁসির রশি।

বিচারকদের সইয়ের পর যুদ্ধাপরাধীদের প্রধান শিরোমণি নিজামীর রিভিউ আবেদন খারিজের রায়ের প্রত্যায়িত কপি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হয়ে গতকাল সোমবার রাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছে। কারা কর্তৃপক্ষ নিজামীকে আদেশ পড়ে শোনান। ওই সময় তিনি নিশ্চুপ ছিলেন। প্রাণভিক্ষা চাইবেন কি-না- সে প্রশ্নেও ছিলেন নিশ্চুপ।

আজ মঙ্গলবার যে কোনো সময়ে একজন ম্যাজিস্ট্রেট তার কাছে প্রাণভিক্ষার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানতে চাইবেন বলে কারা সূত্র জানিয়েছে। নিজামী প্রাণভিক্ষা না চাইলে দণ্ড কার্যকরের পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করবে কারা কর্তৃপক্ষ। সমগ্র জাতি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে সেই কাঙ্ক্ষিত ক্ষণের। সবার দৃষ্টিও এখন কেন্দ্রীয় কারাগারে। শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী হওয়ার পরও নিজামীকে মন্ত্রী করা হয়েছিল। একসময়ের প্রতাপশালী সেই নিজামীর দম্ভ আর ক্ষমতার চূড়ান্ত পতন এখন সময়ের ব্যাপার।

সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এখন নিজামীর দণ্ড কার্যকর করতে কেবল একটি আইনি প্রক্রিয়া অবশিষ্ট রয়েছে। তা হলো- দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাওয়া আর না-চাওয়ার বিষয়। প্রাণভিক্ষা না চাইলে সরকারের নির্বাহী আদেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর স্বাক্ষরের পর যে কোনো সময় তার দণ্ড কার্যকর করা যাবে। প্রাণভিক্ষা চাইলে তা রাষ্ট্রপতির মতামতের জন্য পাঠানো হবে। রাষ্ট্রপতি অনুকম্পার আবেদন নাকচ করলে সরকার দিনক্ষণ ঠিক করে কারা কর্তৃপক্ষকে ফাঁসি কার্যকরের নির্দেশ দেবে। তার আগে স্বজনরা কারাগারে গিয়ে আসামির সঙ্গে ‘শেষ দেখা’ করার সুযোগ পাবেন। তবে নিজামীর আইনজীবীরা বলছেন, রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা না চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল গতকাল রাতে বলেন, সব আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের আলোকে দণ্ড কার্যকর করা হবে। এ লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ