News Bangla 24 BD | ছেলেদের পিছিয়ে থাকলে চলবে না - News Bangla 24 BD
News Head
 গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং গণহত্যার বিচারের দাবিতে গাজীপুরে গণমিছিল ‘বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাই রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ’ গাজীপুরের শ্রীপুরে আনসার উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর অসুস্থ নজরুলসংগীতের বরেণ্য শিল্পী শবনম মুশতারীর পাশে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ট্রেনের ছাদের যাত্রীরা টয়লেট করে কিভাবে? বাসর রাতে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়া সুন্নত নাকি বিদআত? এআই নিয়ে কর্মীদের নতুন তথ্য দিলেন জুকারবার্গ শিগগিরই দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নাগরিকদের আচরণগত পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ: ডিএসসিসি প্রশাসক জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের সম্মানে স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘এইচএসসি পাসের হারে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে। এ জন্য আমি আনন্দিত। তবে ছেলেদেরও পড়াশোনায় আরো বেশি মনোযোগ দিতে হবে। ছেলেদের পিছিয়ে থাকলে চলবে না। সবাইকে সমানে সমান হতে হবে।’

বৃহস্পতিবার সকালে গণভবনে এইচএসসির ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। এর আগে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের নেতৃত্বে শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলাফলের কপি হস্তান্তর করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মনে করি, বিভিন্ন দেশের চেয়ে আমার দেশের ছেলেমেয়েরা মেধাবী। শুধু তাদের সুযোগ করে দিতে হবে। আর আমরা সেই কাজই করছি। যে উপজেলায় সরকারি কলেজ নেই সেখানে কলেজ করা হচ্ছে। উচ্চশিক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হচ্ছে। সেই সঙ্গে কারিগরি শিক্ষাকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’

নির্দিষ্ট সময়ের তিন দিন আগেই ফল প্রকাশ করায় সবাইকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘যারা স্বাধীনতা মেনে নিতে পারেরনি, যারা একাত্তরে হানাদার বাহিনীকে সমর্থন করেছিল, তারাই ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন শিক্ষাকে। কারণ, শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না, সেটা তিনি জানতেন। স্বাধীনতার পর তিনি যে সামান্য সময় পেয়েছিলেন ওই সময়ের মধ্যে শিক্ষার জন্য স্কুল-কলেজগুলো মেরামত করে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করেন। সেই সঙ্গে ড. কুদরাত-এ-খুদাকে প্রধান করে একটি কমিশন গঠন করেন। তিনি চেয়েছিলেন, দেশের শিক্ষার্থীরা যেন আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। তিনি সবকিছুর ভিত তৈরি করে দিয়েছিলেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগে পাসের হার হতো ৪০ ভাগ, ৫০ ভাগ। মানুষ তাতেই খুশি হতো। কিন্তু তখন আমার খারাপ লাগত। তখন আমি উপকমিটি করে দিয়েছিলাম। আমাদের লক্ষ্য দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করব। একমাত্র শিক্ষাই এটা পারে।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর থেকে জনগণ সেবা পাবে, এমন কাজ করি। দেশকে গড়ে তুলতে আমাদের সরকার কাজ করে। ৯৬ সালে ক্ষমতায় গিয়ে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলে বিএনপি বলে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলে বিদেশি সাহায্য পাওয়া যাবে না। আমরা কেন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হব না। আমরা দেশ স্বাধীন করেছি, সবকিছুতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হব। আমরা কেন অন্যের কাছ থেকে ভিক্ষা গ্রহণ করব।’

তিনি বলেন, ‘৯৬ সালে আমরা শিক্ষা কমিশন গঠন করে দিয়েছিলাম। কিন্তু ৫ বছর খুব কম সময়। তাই বাস্তবায়ন করতে পারি নি। ২০১০ সালে আমরা প্রথম পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা নীতিমালা করি। বিশেষায়িত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলি। আমরা বিজ্ঞান শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে ১২টা বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৬ কোটি মানুষের দেশ। আমাদের ভূখণ্ড কম কিন্তু জনসংখ্যা বেশি। তাই ছেলেমেয়েদের এমন শিক্ষা দিতে হবে যাতে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘আজ ডিজিটাল পদ্ধতি দেশের মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করে দিয়েছে।

বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু চেয়েছেন ক্ষুধামুক্ত দেশ গড়তে। আর আমরা সেই কাজ করে দিয়ে যাব।’

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ