News Bangla 24 BD | 'ডাকাতির অর্থে জঙ্গিদের জামিনের ব্যবস্থা করা হত' - News Bangla 24 BD
News Head
 গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং গণহত্যার বিচারের দাবিতে গাজীপুরে গণমিছিল ‘বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাই রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ’ গাজীপুরের শ্রীপুরে আনসার উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর অসুস্থ নজরুলসংগীতের বরেণ্য শিল্পী শবনম মুশতারীর পাশে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ট্রেনের ছাদের যাত্রীরা টয়লেট করে কিভাবে? বাসর রাতে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়া সুন্নত নাকি বিদআত? এআই নিয়ে কর্মীদের নতুন তথ্য দিলেন জুকারবার্গ শিগগিরই দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নাগরিকদের আচরণগত পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ: ডিএসসিসি প্রশাসক জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের সম্মানে স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

‘ডাকাতির অর্থে জঙ্গিদের জামিনের ব্যবস্থা করা হত’


ডাকাতির মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থ দিয়ে জেএমবির জেলে থাকা জঙ্গি নেতাদের জামিনে বের করা এবং তাদের জন্য তদবির করাসহ নানা ধরনের অপরাধমূলক কাজ করত জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্যরা।

আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার সময়ে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ইউনিটের অতিরিক্ত কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, পুরনো জেএমবির নেতা মাওলানা সাঈদুর রহমান জেলে থাকায় তারা তাদের আগের সহযোগি আবু তাসনিমকে ভারপ্রাপ্ত আমির করে নানা ধরনের অপরাধে জাড়িয়ে পড়েন। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে আবু তাসনিম গ্রেপ্তার হওয়ার পরে সালাহউদ্দিন সালেহীনকে ভারপ্রাপ্ত আমির হিসেবে ঘোষণা করেন। পরে সালাহউদ্দিন ওরফে সালেহীনকে জেএমবির সদস্যরা ময়মনসিংহের ত্রিশালে প্রিজন ভ্যান থেকে ছিনিয়ে নেয়। এরপর থেকে সে আত্মগোপনে রয়েছে।

মনিরুল ইসলাম বলেন, তারা ডাকাতি করে অর্থ সংগ্রহ করে তাদের নেতাদের জেল থেকে জামিনে বের করে আনতে এসব করত। কোনো কোনো গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনাও ছিল তাদের।

জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবির) ১৯৯৮ সালের দল গঠন করে এবং ২০০২-২০০৪ সালে বিভিন্ন ব্যাংকে ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ডাকাতি করতে দল গঠন করেছিল। একজন জাল টাকার ব্যবসায়ীর কাছ থেকেও অর্থ সংগ্রহ করেছিল জেএমবি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেন, গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তেরাঁ হামলায় আর্থিকভাকে সহযোগিতা করেছেন সিরিয়ায় পালিয়ে যাওয়া শিশু হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. রোকনদ্দীন। তিনি প্রায় ৮০ লাখ টাকা দিয়েছেন। রুপনগরে পুলিশের অভিযানে নিহত মেজর জাহিদুল ইসলাম মুরাদ তার পেনশনের টাকা দান করেছেন এবং পুরান ঢাকার আজিমপুরে পুলিশি অভিযানে নিহত তানভির কাদেরি তার উত্তরার ফ্ল্যাট বিক্রি করে গুলশান হামলায় অর্থ সহযোগিতা করেছেন।

জুন মাসের বনানী থানায় ও অক্টোবর মাসের তেজগাঁও থানায় দুটি ডাকাতির মামলার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ এই সোমবার রাতে গ্রেপ্তার এই সাতজনের সন্ধান পায়।

উল্লেখ্য, গতকাল সোমবার রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের জঙ্গিবিরোধী বিশেষ শাখা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ইউনিট এবং পুলিশ সদর দপ্তরের এল আই সি শাখা যৌথভাবে রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ জেএমবির সক্রিয় এই সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. কাশেম ওরফে কাউছার ওরফে কাশু (২০), নাজমুল হাসান ওরফে নয়ন ওরফে নরেশ (২৩), মো. রাশেদ ওরফে কাকলির বাবা (২৭), মো. সেন্টু হাওলাদার ওরফে জাহিদ (২৬), মো. আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে শুভ ওরফে আকাশ (২০), মো. আবদুল বাছেদ (২২) ও মো. জুয়েল সরকার ওরফে সোরহাব ওরফে সরকার (৩২)।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ