News Bangla 24 BD | ৫ জানুয়ারি ঘিরে সংঘাতের আশঙ্কা নেই - News Bangla 24 BD
News Head
 গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং গণহত্যার বিচারের দাবিতে গাজীপুরে গণমিছিল ‘বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাই রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ’ গাজীপুরের শ্রীপুরে আনসার উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর অসুস্থ নজরুলসংগীতের বরেণ্য শিল্পী শবনম মুশতারীর পাশে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ট্রেনের ছাদের যাত্রীরা টয়লেট করে কিভাবে? বাসর রাতে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়া সুন্নত নাকি বিদআত? এআই নিয়ে কর্মীদের নতুন তথ্য দিলেন জুকারবার্গ শিগগিরই দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নাগরিকদের আচরণগত পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ: ডিএসসিসি প্রশাসক জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের সম্মানে স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

৫ জানুয়ারি ঘিরে সংঘাতের আশঙ্কা নেই


৫ জানুয়ারি ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে সংঘাতের কোনো আশঙ্কা নেই বলে মনে করছেন প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের নেতারা। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বর্ষপূর্তি ৫ জানুয়ারি ঘিরে চাপা উত্তেজনা থাকলেও এবার সরকারি দল আওয়ামী লীগ ও তাদের প্রতিপক্ষ বিএনপি আলাদা দিনে মূল কর্মসূচি দিয়েছে।

তবে ঢাকার বাইরে দুই দলেরই ওইদিন কর্মসূচি রয়েছে। দুই দলের দায়িত্বশীল নেতারা জানিয়েছেন, সংঘাত এড়াতে সর্বাত্মক চেষ্টা থাকবে। ‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবস’ হিসেবে ৫ জানুয়ারিতে ঢাকায় দুটি সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ।

সারা দেশের জেলা ও উপজেলাতেও অনুরূপ কর্মসূচি পালন করবে দলটি। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটি বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করবে। আর মহানগর উত্তর কমিটির পক্ষ থেকে সমাবেশ হবে ধানমন্ডির রাসেল স্কয়ারে। কর্মসূচি সফল করতে দলটির মহানগর কমিটি একাধিক প্রস্তুতি সভা করেছে। দলের সাংসদদের নিজ নিজ এলাকা থেকে লোক এনে জমায়েত বড় করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিএনপি গত দুই বছর দিবসটিকে ‘গণতন্ত্রের কালো দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে। তবে সব কর্মসূচি ঢাকার বাইরে। এবার ৫ জানুয়ারি তারা কালো পতাকা উত্তোলন ও কালো ব্যাজ ধারণ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এ ছাড়া সব মহানগর ও জেলা সদরে কালো পতাকা মিছিল করবে বলে জানিয়েছে। আর ৭ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের আয়োজন করেছে। তবে এখনো অনুমতি মেলেনি।

বিএনপির একটি সূত্র জানায়, ৫ জানুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার হাজিরার তারিখ নির্ধারিত আছে। এ জন্যই দলটি সমাবেশের তারিখ দুই দিন পিছিয়ে দিয়েছে।

বিগত ২০১৬ সালে ৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মুখোমুখি অবস্থানে চলে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সরকার কিছুটা নমনীয়তা দেখায়। বিএনপিকে নয়াপল্টনে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়। আর আওয়ামী লীগ সমাবেশ করে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে। কোনো রকম সংঘাত ছাড়াই দুই দলের কর্মসূচি শেষ হয়।

সরকারের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, ৭ জানুয়ারি বিএনপিকে সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে শেষ মুহূর্তে কিছু শর্ত দেওয়া হতে পারে। এ ছাড়া সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পরিবর্তে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনুমতি দেওয়া হতে পারে। আর বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে, বিকল্প স্থানে হলেও তারা সমাবেশ করবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ