News Bangla 24 BD | 'নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আনতে ফেব্রুয়ারিতে সমঝোতা' - News Bangla 24 BD
News Head
 গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং গণহত্যার বিচারের দাবিতে গাজীপুরে গণমিছিল ‘বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাই রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ’ গাজীপুরের শ্রীপুরে আনসার উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর অসুস্থ নজরুলসংগীতের বরেণ্য শিল্পী শবনম মুশতারীর পাশে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ট্রেনের ছাদের যাত্রীরা টয়লেট করে কিভাবে? বাসর রাতে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়া সুন্নত নাকি বিদআত? এআই নিয়ে কর্মীদের নতুন তথ্য দিলেন জুকারবার্গ শিগগিরই দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নাগরিকদের আচরণগত পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ: ডিএসসিসি প্রশাসক জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের সম্মানে স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

‘নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আনতে ফেব্রুয়ারিতে সমঝোতা’


বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেছেন, ভারতের ভূমি ব্যবহার করে আমরা নেপাল ও ভুটান থেকে বিদ্যুৎ আনব। এ ব্যাপারে ভারতের সম্মতি পাওয়া গেছে। আগামী এক মাসের মধ্যে বিদ্যুৎ আমদানির বিষয়ে নেপালের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হবে।
শনিবার রাজধানীতে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) ‘মিট দ্যা রিপোর্টার্স’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ডিআরইউ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুতের মাথাপিছু ব্যবহার বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে এখন ঘাটতি নেই। সঞ্চালন ব্যবস্থাও উন্নত করা হচ্ছে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাস থেকে গ্রাহক যেদিন আবেদন করবেন বাসাবাড়িতে সেদিনই বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে।
সরকার রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প নিয়ে নতুন করে ভাববে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, রামপাল প্রকল্প থেকে সরে আসার কোনো সুযোগ নেই। এ বিদ্যুৎকেন্দ্র হবে। রামপালে কাজ চলছে। অনেকেই অনেক কথা বলছেন। কিন্তু সেখানে যে প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে, তাতে সুন্দরবনের পরিবেশের ক্ষতির আশঙ্কা নেই।
জ্বালানি তেলের দাম কমানোর বিষয়ে অর্থমন্ত্রী ও তার বক্তব্যের ভিন্নতার কথা তুলে ধরা হলে নসরুল হামিদ বলেন, আমার কথাই ঠিক। জ্বালানি তেলের দাম কমানোর বিষয়ে প্রস্তাব অর্থমন্ত্রীকে না দিয়ে, দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। তিনি সেই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন। ফলে অর্থমন্ত্রী কী বলেছেন, সেটা বিবেচ্য নয়।
তিনি বলেন, অকটেন ও পেট্রোলের দাম কমানোর চিন্তা করা হয়েছিল। সরকার প্রাইভেট কারে সিএনজিকে নিরুৎসাহিত করতে চায়। সরকার চায় গণপরিবহনে সিএনজির ব্যবহার থাকুক। এসব কারণে পেট্রোল ও অকটনের দাম কমানোর কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় সেই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হচ্ছে না।
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের কাছ থেকে সরাসরি অর্থ না নিয়ে আগামীতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগে নিজস্ব অর্থায়নে উন্নয়ন প্রকল্প নেয়া হবে। গ্যাসের সংকট মোকাবেলায় শিল্পে এলএনজি ও আবাসিকে এলপিজি ব্যাবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এলপিজি নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে, আগামি মাসেই প্রজ্ঞাপন হতে পারে।
ডিআরইউর সভাপতি সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মুরসালিন নোমানী।
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ