নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে সার্চ কমিটির দেয়া ১০ ব্যক্তির নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
সচিবালয়ের রাত সাড়ে ৯টা সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম প্রস্তাবিত নামের তালিকা ঘোষণা করেন।
সিইসি হিসেবে সাবেক সচিব কে এম নুরুল হুদা নাম প্রস্তাব করেন।
কমিশনার হিসেবে সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব তালুকদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষব ড. জারিনা রহমান খান, মো. রফিকুল ইমলাম, ড. তোফায়েল আহমেদ, কবিতা খানম, মো. আবদুল মান্নান, ব্রিগেডিয়ার (অব.)শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী, ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ।
এখন আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করে নবগঠিত ইসির ব্যাপারে প্রজ্ঞাপন জারি করবেন। এ প্রক্রিয়ায় সাচিবিক দায়িত্ব পালন করছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বঙ্গভবনে যান সার্চ কমিটির ছয় সদস্য। সেখানে তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে নামের তালিকা ও এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন তুলে দেন। পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে বঙ্গভবন থেকে বেরিয়ে যান সার্চ কমিটির সদস্যরা।
এ সময় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব শফিউল আলম সাংবাদিকদের জানান, রাত ৯টায় সচিবালয়ে এ ব্যাপারে ব্রিফিং হবে। সেখানেই সার্চ কমিটির নামের তালিকা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হবে।
বঙ্গভবনে যাওয়ার আগে আজ বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় দুই ঘণ্টার বৈঠকে সার্চ কমিটি ১০ জনের নাম চূড়ান্ত করে।
বিকেল ৪টার দিকে সার্চ কমিটির ছয় সদস্য চতুর্থ ও শেষ বৈঠকে বসেন সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে। বৈঠক শেষ হয় ৬টার কিছু আগে।
সার্চ কমিটির শেষ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, মহা-হিসাব নিরীক্ষক মাসুদ আহমেদ, সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য শিরীণ আখতার।
এই বৈঠক থেকে বেরিয়েই রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে যান সার্চ কমিটির সদস্যরা।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের মেয়াদ শেষ হওয়ার দুদিন আগে কমিটি রাষ্ট্রপতির কাছে ১০টি নাম প্রস্তাব করে।
গত ২৫ জানুয়ারি ছয় সদস্যের এই অনুসন্ধান দল গঠন করে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে সুপারিশ জমা দিতে বলা হয়। আগামীকালই শেষ হচ্ছে এই সময়সীমা।
পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশনে এবার প্রথমবারের মতো নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন একজন নারী।
বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের সার্চ কমিটি নিজেদের মধ্যে চার দফা বৈঠক ছাড়াও প্রথমে ১২ বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং পরে আরো চারজনের সঙ্গে বৈঠক করেছে। এ ছাড়া রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে অংশ নেওয়া ৩১টি দলের মধ্যে ২৬টি দলের কাছ থেকে পাঁচটি করে নাম জমা নিয়েছে তারা। বাকি দলগুলোর চারটি সার্চ কমিটিতে নাম দেয়নি আর একটি দল নির্ধারিত সময়ের পর নাম জমা দেওয়ায় তা গ্রহণযোগ্য হয়নি।
রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে পাওয়া ১৩০টি নামের মধ্য থেকে ২০টি নাম নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা করে সার্চ কমিটি নিজেদের মধ্যে সর্বশেষ বৈঠকে বসে গত বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি)।
নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ নিয়ে গত ১৮ ডিসেম্বর থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত মোট ৩১টি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। আর এই সংলাপ শেষ হওয়ার এক সপ্তাহ পর গঠন করা হয় সার্চ কমিটি।
২০১২ সালেও বর্তমান নির্বাচন কমিশন নিয়োগ দেওয়ার আগে সে সময়ের রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান একই প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দিয়েছিলেন।

জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের সম্মানে স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
জুলাই অবমাননা: শাওন, মাহি ও ফারজানার বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় অভিযোগ
গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী মাওলানা ফজলুর রহমান
নভোএয়ারের ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, ঢাকায় জরুরি অবতরণ
হামের উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় পাঁচ শিশুর মৃত্যু
স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সঙ্গে ইরানের স্পিকারের সাক্ষাৎ, খামেনি হত্যার নিন্দা
বস্তুনিষ্ঠতাই গণমাধ্যমের একমাত্র মানদণ্ড: তথ্যমন্ত্রী
জলাশয় থাকবে উন্মুক্ত, জোরদার হচ্ছে নদী-খাল খনন কর্মসূচি : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী 