News Bangla 24 BD | পাসপোর্ট করতে গিয়ে ৫৫ শতাংশ মানুষ দুর্নীতির শিকার: টিআইবি - News Bangla 24 BD
News Head
 সত্য উদঘাটনে খবরের ভেতরের খবর তুলে আনার আহ্বান তথ্য সচিবের ফ্রান্সে বাংলাদেশি নারীদের ভাষা শিক্ষা ও মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় ‘উইথ দ্য মাইন্ড’ বৃষ্টিতে ভিজলে শরীর-মন পাবে যে ১০ উপকার পাকিস্তানি তরুণের সঙ্গে প্রেম?, জবাবে যা বললেন নাজনীন নীহা ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে প্রান্তিক কৃষক প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ জার্মানিতে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত ৫ গাজীপুরে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসে আলোচনা সভা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জে জাতীয় ফল মেলা অনুষ্ঠিত টঙ্গীতে শীর্ষ মাদক কারবারি আফরিনার বাড়িতে অভিযান: ফেনসিডিল, ইয়াবাসহ ৩জন গ্রেফতার

পাসপোর্ট করতে গিয়ে ৫৫ শতাংশ মানুষ দুর্নীতির শিকার: টিআইবি


পাসপোর্ট তৈরি করতে গিয়ে ৫৫ শতাংশ মানুষই দুর্নীতির শিকার হচ্ছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। পাসপোর্ট করতে গিয়ে সেবাগ্রহীতারা সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি ও হয়রানির শিকার হন পুলিশি ছাড়পত্রের (ভেরিফিকেশন) ক্ষেত্রে। পুলিশি তদন্তে সেবাগ্রহীতাদের ৭৬.২ শতাংশ অনিয়ম ও দুর্নীতির শিকার হয়েছেন এবং ৭০.৩ শতাংশ সেবাগ্রহীতাকে পুলিশকে ঘুষ বা নিয়মবহির্ভূত অর্থ দিতে হয়েছে।

‘পাসপোর্ট সেবায় সুশাসন: চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরেছে টিআইবি। টিআইবি ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত এই গবেষণা কার্যক্রম চালায়। প্রতিটি বিভাগে জেলা পর্যায়ে মোট ১ হাজার ৪৫৩ জন জরিপে অংশ নেন।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এই জরিপে অংশ নেওয়া সেবাগ্রহীতাদের ৫৫.২ শতাংশ অনিয়ম, হয়রানি ও দুর্নীতির শিকার হয়েছেন। আর পাসপোর্ট অফিসে ঘুষ বা নিময়বহির্ভূত অর্থ দেওয়ার পরিমাণ ২ হাজার ২২১ টাকা।

জরিপে দেখা গেছে, পাসপোর্ট অফিস থেকে দেওয়া স্লিপে উল্লেখ করা নির্ধারিত সময়ে অনেকেই পাসপোর্ট পাচ্ছেন না। ২৭ শতাংশ বলেছে, তাদের ১২ দিন বেশি সময় লেগেছ। আর সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে ৪১.৭ শতাংশ পাসপোর্ট করার সময় দালাল বা অন্যান্যের সাহায্য নিয়েছে। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ দালালের সহযোগিতা নিয়েছ। এই সহযোগিতা নেওয়ার হার সবচেয়ে বেশি সিলেটে। এই সংখ্যা ৬০ শতাংশ। আর সবচেয়ে কম রাজশাহীতে; ২০ শতাংশ।

গবেষণায় দেখা গেছে, ২০১৫ সালের তুলনায় দুর্নীতি কিছুটা কমেছে। কিছু ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে। গবেষণা প্রতিবেদনে পাসপোর্ট করার ক্ষেত্রে পুলিশি ছাড়পত্র এবং সত্যায়ন ও প্রত্যয়ন বিধান বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে।

এছাড়া পাসপোর্ট নবায়ন বা রিনিউ করার মেয়াদ দশ বছর করার সুপারিশ করেছে টিআইবি। সংস্থাটির মতে, বর্তমানে পাঁচ বছর পর পর পাসপোর্ট নবায়ন করতে গিয়ে গ্রাহকদের দুর্নীতির শিকার হতে হয়। যদি এর মেয়াদ দশ বছর করা হয় তাহলে এমনিতেই দুর্নীতি কমে যাবে।

রাজধানীর ধানমন্ডিতে মাইডাস সেন্টারে টিআইবির মিলনায়তনে গবেষক শাহনূর রহমান গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন। উপস্থিত ছিলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান, ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন সুলতানা কামাল, সাবেক চেয়ারপারসন এম হাফিজ উদ্দিন খান প্রমুখ।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ