News Bangla 24 BD | গাজীপুরে শিশু হত্যার দায়ে একজনের ফাঁসি, দুইজনের যাবজ্জীবন - News Bangla 24 BD
News Head
 কনটেন্ট ক্রিয়েটর, উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সুযোগ জাতীয় প্রেসক্লাবে ফল উৎসব, গানের আসর সৌদি আরবের মক্কায় অবস্থিত ‘হলি কুরআন মিউজিয়ামে’ পবিত্র কুরআনের পাণ্ডুলিপি প্রদর্শন বাংলাদেশকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতল অস্ট্রেলিয়া গাজীপুর জেলা প্রশাসনের ফল মেলার উদ্বোধন ক্ষুধার্ত পৃথিবীতে ফুটবল বিশ্বকাপে বিপুল অর্থব্যয় নিয়ে যা বললেন আহমাদুল্লাহ পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত্রি যাপন সাকলায়েনের! একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদী আর নেই ভৈরবে বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবদুর রউফের স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সংঘর্ষের আশঙ্কা, মাঠপর্যায়ে পুলিশের বিশেষ নির্দেশনা

গাজীপুরে শিশু হত্যার দায়ে একজনের ফাঁসি, দুইজনের যাবজ্জীবন


স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুরে এক শিশু হত্যা মামলায় এক জনকে ফাঁসি এবং দুই জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার সকালে গাজীপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক একেএম এনামুল হক ওই রায় দেন। রায়ে সাজাপ্রাপ্ত প্রত্যেককে অর্থদন্ডও করেছেন বিচারক। মামলার অন্যতম আসামি জেলার শ্রীপুর উপজেলার চকপাড়া এলাকার হাসমত আলীর ছেলে মো. রিপন মিয়াকে (৩৩) ফাঁসিরদন্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড এবং বগুড়া সদরের ভাটকান্দি গ্রামের মো. রহিমের ছেলে রবিউল ইসলাম (২০) ও শেরপুর ঝিনাইগাতী থানার দিঘীরপাড় এলাকার মো. মোস্তফার ছেলে মো. মোজাফ্ফরসহ (১৯) প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদন্ড, পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিনমাসের কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। গাজীপুরের পিপি হারিছ উদ্দিন আহম্মদ জানান, জমাজমির বিরোধের জেরে ২০১৫ সালের ৩০ অক্টোবর গভীর রাতে খুন হয় ৭ বছরের শিশু নাজনীন। মায়ের দ্বিতীয় বিয়ে হওয়ার পর বাবাও অন্যত্র বিয়ে করেন। বাবার সাথে সম্পর্কের অবনতি হলে নাজনীন শ্রীপুরের চকপাড়া এলাকায় নানা হাসমত আলীর বাড়িতে আশ্রয় নেয় নাজনীন। হাসমত আলীর সঙ্গে জমি নিয়ে প্রতিবেশি আব্দুল করিম, আব্দুল কাদির, আব্দুল মোতালেবদের বিরোধ চলছিল। আসামিরা হাসমত আলীকে তার বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে হুমকি দিয়ে আসছিল। ওই জমি না ছাড়লে নাজনীনের ক্ষতিসাধন করার হুমকী দিয়েছিল বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়। ২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর সকালে হাসমত আলী তার স্ত্রী ও নাতনীকে বাড়ি রেখে টাঙ্গাইলে যান। এ সুযোগে ৩০ অক্টোবর দিবগাত রাত আড়াইটার দিকে নানীর সঙ্গে ঘুমিয়ে থাকা নাজনীনকে তুলে নিয়ে বাড়ির উঠোনে জবাই করে হত্যার পর আসামিরা চলে যায়। পরদিন সকালে নিহতের মা মোছা. আসমা বেগম বাদি হয়ে শ্রীপুর থানায় আব্দুল করিম, আব্দুল কাদির ও আব্দুল মোতালেবসহ কয়েকজনের নামোল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে উক্ত তিনজন জড়িত না থাকায় চার্জশিটে তাদের নাম বাদ পড়ে। মামলার সার্বিক তদন্তে আসামি রিপন, রবিউল এবং মোজাফ্ফর নাজনীনকে হত্যার প্রমান পাওয়ায় পরে তাদের নামে ২০১৬ সনের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই খন্দকার আমিনুর রহমান আদালতে চার্জসিট জমা দেন। মামলার আসামি রিপনের স্বীকারোক্তি অনুযায়ি আব্দুল করিমকে ফাঁসানোর জন্যই ওই দন্ডিতরা মিলে নাজনীনকে হত্যা করেছিল। মামলায় আটজনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার সকালে আদালত ওই রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষে মো. হারিছ উদ্দিন আহম্মদ এবং আসামি পক্ষে শাহ মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ও ওয়াহিদুজ্জামান আকন (তমিজ) মামলা পরিচালনা করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ