News Bangla 24 BD | বিচারকদের বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন - News Bangla 24 BD
News Head
 গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং গণহত্যার বিচারের দাবিতে গাজীপুরে গণমিছিল ‘বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাই রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ’ গাজীপুরের শ্রীপুরে আনসার উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর অসুস্থ নজরুলসংগীতের বরেণ্য শিল্পী শবনম মুশতারীর পাশে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ট্রেনের ছাদের যাত্রীরা টয়লেট করে কিভাবে? বাসর রাতে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়া সুন্নত নাকি বিদআত? এআই নিয়ে কর্মীদের নতুন তথ্য দিলেন জুকারবার্গ শিগগিরই দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নাগরিকদের আচরণগত পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ: ডিএসসিসি প্রশাসক জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের সম্মানে স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিচারকদের বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন


অষ্টম বেতন কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করে নিম্ন আদালতের বিচারকদের বেতনভাতা ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাদি নির্ধারণ-সংক্রান্ত অর্থ বিভাগের প্রস্তাব আজ মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিয়েছে।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যে বেতন-ভাতা পান তাঁর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেতন-ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে অর্থ বিভাগ। জুডিশিয়াল পে-কমিশন যে সুপারিশ করেছিল, তাতে কিছুটা কাটছাঁট করা হয়েছে।

শফিউল আলম বলেন, জুডিশিয়াল পে-কমিশন একজন জেলা ও দায়রা জজের বেতন ৮৪ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করেছিল। কিন্তু অর্থ বিভাগ তা কিছুটা কমিয়ে সচিবের বেতনের (৭৮ হাজার টাকা) সমান করার প্রস্তাব করে।

সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরা যেসব সুযোগ সুবিধা পান বিচারবিভাগের সদস্যরাও তা পাবেন। এর বাইরে বিচারকরা কিছু বাড়তি সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে পোশাক ভাতা, কার্যভার ভাতা, আপ্যায়ন ভাতা ইত্যাদি।

আজ মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘বৃক্ষ সংরক্ষণ আইন-২০১৬’ এর খসড়ায়ও অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এর ফলে পরিবেশের স্বার্থে পুরানো ও ঐতিহ্যবাহী গাছ সংরক্ষণ করা হবে। এছাড়া ‘চা আইন ২০১৬’ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সামরিক শাসনামলে জারি করা আইন নতুন করে বাংলায় প্রণয়নের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।১৯৭৭ সালের চা আইনকে ইংরেজি থেকে বাংলায় ভাষায় রূপান্তার করে পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। “নতুন আইনে কিছু সংজ্ঞা যোগ করা ছাড়াও কিছু সংজ্ঞা স্পষ্ট করা হয়েছে,” বলেন সচিব শফিউল।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ