News Bangla 24 BD | চলে গেলেন গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে দগ্ধ সুমাইয়া - News Bangla 24 BD
News Head
 গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং গণহত্যার বিচারের দাবিতে গাজীপুরে গণমিছিল ‘বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাই রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ’ গাজীপুরের শ্রীপুরে আনসার উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর অসুস্থ নজরুলসংগীতের বরেণ্য শিল্পী শবনম মুশতারীর পাশে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ট্রেনের ছাদের যাত্রীরা টয়লেট করে কিভাবে? বাসর রাতে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়া সুন্নত নাকি বিদআত? এআই নিয়ে কর্মীদের নতুন তথ্য দিলেন জুকারবার্গ শিগগিরই দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নাগরিকদের আচরণগত পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ: ডিএসসিসি প্রশাসক জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের সম্মানে স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

চলে গেলেন গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে দগ্ধ সুমাইয়া


রাজধানীর উত্তরায় গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে দগ্ধ মা সুমাইয়া আকতার (৩৫) মারা গেছেন।

এর আগে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছিলেন রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সিটি হাসপাতালের চিকিৎসকরা। লাইফ সাপোর্টে থাকাকালীন আজ রোববার তার মৃত্যু হয়।

সিটি হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের মেডিকেল অফিসার মুহাম্মদ সাঈদ ইমরান জানান, শনিবার বেলা ২টা থেকেই সুমাইয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি শুরু হয়। বিকেল ৪টায় তার ড্রেসিং করা হয়। এরপর থেকে অবস্থা আরও খারাপ হতে থাকে। পরে রাত ১২টায় তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।

তার শরীরের ৯০ ভাগই দগ্ধ হয়েছিল। রক্তের লোহিত কণিকা (হিমোগ্লোবিন) অনেক কম। এ জন্য বৃহস্পতিবার দুই ব্যাগ রক্ত দেয়া হয়।

সুমাইয়ার স্বামী প্রকৌশলী শাহনেওয়াজের ভাই কামরুল আহসান জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন- সুমাইয়ার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।

তিনি জানান, সুমাইয়ার তিন ছেলের মধ্যে বেঁচে থাকা মেঝ ছেলে জারিফ বিন নেওয়াজের অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। আগুনে সামান্য পুড়ে যাওয়া জারিফের দুই পায়ে চিকিৎসা চলছে। তবে তাকে এখন বাবা ও ভাইদের খবর জানানো হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ভোরে উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের ৩ নম্বর রোডের ৮ নম্বর বাড়ির সপ্তম তলায় রান্নাঘরে গ্যাস লাইন বিস্ফোরিত হয়। এতে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসে কর্মরত প্রকৌশলী শাহনেওয়াজ ও তার স্ত্রী সুমাইয়া, তিন ছেলে সারলিন (১৪), জারিফ (১১) ও জারান (১৪ মাস) দগ্ধ হয়।

আগুনে শাহনেওয়াজের শরীরের ৯৫ শতাংশ, সুমাইয়া বেগমের ৯০ শতাংশ, সারলিনের ৮৮ শতাংশ, জারিফের ৬ শতাংশ এবং জারানের ৭৪ শতাংশ পুড়ে যায়। সংকটাপন্ন অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নিয়ে গেলে প্রায় ১১ ঘণ্টা মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে বিকালে সারলিন এবং সন্ধ্যায় জায়ান মারা যায়। পরদিন শনিবার বাবা শাহনেওয়াজও (৫০) মারা যান।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ