News Bangla 24 BD | বন্ধ হচ্ছে সার কারখানা, তবে সংকটের শঙ্কা নেই - News Bangla 24 BD
News Head
 গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং গণহত্যার বিচারের দাবিতে গাজীপুরে গণমিছিল ‘বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাই রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ’ গাজীপুরের শ্রীপুরে আনসার উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর অসুস্থ নজরুলসংগীতের বরেণ্য শিল্পী শবনম মুশতারীর পাশে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ট্রেনের ছাদের যাত্রীরা টয়লেট করে কিভাবে? বাসর রাতে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়া সুন্নত নাকি বিদআত? এআই নিয়ে কর্মীদের নতুন তথ্য দিলেন জুকারবার্গ শিগগিরই দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নাগরিকদের আচরণগত পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ: ডিএসসিসি প্রশাসক জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের সম্মানে স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বন্ধ হচ্ছে সার কারখানা, তবে সংকটের শঙ্কা নেই


বেড়েছে গ্যাসের উৎপাদন, আর চাহিদা বেড়েছে জ্যামিতিক ‍হারে। আর এ কারণে সংকট পিছু ছাড়ছে না। তাই সব সময়ই কোন না কোনদিকে বন্ধ রাখতে হচ্ছে গ্যাস সরবরাহ।

পরিস্থিতি সামাল দিতে যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি (জেএফসিএল) ছাড়া অপর ৬টি ‍সার কারখানা যে কোন দিন বন্ধ করে দেওয়া হবে। খোদ প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক ইলাহী চৌধুরী এমন তথ্য জানিয়েছেন।

সার কারখানা থেকে সরিয়ে সে গ্যাস দেওয়া হবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে। লক্ষ্য হচ্ছে সেচ মৌসুমে লোডশেডিং মুক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা। দেশে সাতটি সার কারখানার দৈনিক ৩১৬ মিলিয়ন ঘনফুট চাহিদার বিপরীতে ২’শ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে বলে পেট্রোবাংলা সূত্র জানিয়েছে।

অন্যদিকে গ্যাস ভিত্তিক ৫৭টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পুরোদমে চালাতে গেলে দৈনিক এক হাজার ৫১৩ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন হয়। যার বিপরীতে বর্তমানে সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র ৯৬৫ মিলিয়ন ঘনফুট। গ্যাসঘাটতির কারণে সাতটি কেন্দ্রে পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আংশিক উৎপাদন হচ্ছে। এতে প্রায় ১২’শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ ‍উন্নয়ন বোর্ড।

কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, গ্যাস দিয়ে সরাসরি ইউরিয়া সার উৎপাদন করা হয়। বর্তমানে ইউরিয়া সারের মজুদ রয়েছে ১১ লাখ মেট্রিক টন। যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। মাস অনুযায়ী ইউরিয়া সারের চাহিদা নির্ধারণ করা হয়। তবে বছরে ২৪ থেকে ২৫ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সারের চাহিদা থাকে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (সার ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং) পুলক রঞ্জন সাহা আমার সংবাদকে বলেন, ‍কয়েক মাসের জন্য ইউরিয়া সারের উৎপাদন বন্ধ থাকলেও কোনো প্রভাব পরবে না। কেননা ইউরিয়ার যথেষ্ট মজুদ আছে।

তিনি জানান, বোরো মৌসুমেই (জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ) সাধারণত ইউরিয়া সারের চাহিদা ও ব্যবহার বেশি হয়ে থাকে। চলতি মৌসুমে প্রায় চার লাখ মেট্রিক টন সার ব্যবহৃত হয়েছে। সময়টা কিন্তু পার হয়ে গেছে। সুতরাং কয়েক মাস বন্ধ থাকলে তেমন কোনো সমস্যা হবে না। এছাড়া যমুনায় উৎপাদন চলবে।

ড. তৌফিক ই ইলাহী চৌধুরী সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, বোরো সেচকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এ সময় কোন লোডশেডিং দেওয়া হবে না। সার কারখানা বন্ধ রেখে বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়ানো পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ জন্য মার্চ মাস থেকেই পর্যায়ক্রমে সবগুলো সার কারখানা (যমুনা ছাড়া) বন্ধ করে দেওয়া হবে।

তিনি বলেছেন, আমাদের উৎপাদন ক্ষমতা যথেষ্ট রয়েছে। তবে বিতরণ ও সঞ্চালন লাইনে পুরোপুরি উন্নয়ন করা যায়নি। সে কারণে কোথাও কোথাও সাময়িক আঞ্চলিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ