News Bangla 24 BD | নওগাঁয় চুনাপাথরের সর্ববৃহৎ খনি আবিষ্কার - News Bangla 24 BD
News Head
 গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং গণহত্যার বিচারের দাবিতে গাজীপুরে গণমিছিল ‘বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাই রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ’ গাজীপুরের শ্রীপুরে আনসার উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর অসুস্থ নজরুলসংগীতের বরেণ্য শিল্পী শবনম মুশতারীর পাশে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ট্রেনের ছাদের যাত্রীরা টয়লেট করে কিভাবে? বাসর রাতে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়া সুন্নত নাকি বিদআত? এআই নিয়ে কর্মীদের নতুন তথ্য দিলেন জুকারবার্গ শিগগিরই দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নাগরিকদের আচরণগত পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ: ডিএসসিসি প্রশাসক জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের সম্মানে স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নওগাঁয় চুনাপাথরের সর্ববৃহৎ খনি আবিষ্কার


নওগাঁ জেলার বদলগাছিতে ৫০ বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মাটির তলদেশে চুনাপাথরের বড় খনি আবিষ্কৃত হয়েছে। এই বিশাল খনিজ সম্পদ সন্ধানের খবর বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার নিজ কার্যালয়ে ব্রিফিং করে নসরুল হামিদ বলেন, এই খনিজ সম্পদটি আর আমদানি করতে হবে না বাংলাদেশকে। যার সিমেন্টের কাচামাল হিসেবে ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।

নসরুল হামিদ জানান, বাংলাদেশ ভু-তাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের বিজ্ঞানীরা এই খনি আবিষ্কার করেছেন। ২২১৪ ফুট মাটির গভীরে এর সন্ধান মিলেছে। ওই স্তর থেকে শুরু হয়ে আরও গভীরে বিস্তৃত রয়েছে খনিটি।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, এরই মধ্যে ৬১ ফুট পর্যন্ত খনন করে চুনাপাথর মিলছে। ড্রিলিং অব্যাহত রয়েছে আশা করা যাচ্ছে আরও অনেক পুরু হবে এই খনিটি।

তিনি আরো জানান, এখন ফিজিবিলিটি স্টাডি করে দেখা হবে এই খনিজ সম্পদ বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলন সম্ভব কিনা। সে কাজে দেড় থেকে দুই বছর সময় লাগবে। আর বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলন করা গেলে বাংলাদেশে সিমেন্ট তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় চুনাপাথর আর বিদেশ থেকে আনতে হবে না।

মন্ত্রী বলেন, “অর্থ্যাৎ, হাজার কোটির বেশি টাকার চুনাপাথর আমরা ব্যবহার করতে পারব। এটা নির্ভর করছে, এটা বাণিজ্যিকভাবে ভায়াবল হবে কি-না।”

তবে সিমেন্ট কারখানার চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ কী পরিমাণ চুনাপাথর প্রতিবছর আমদানি করে তা জানাতে পারেননি প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এর আগে জয়পুরহাটে চুনাপাথরের খনি আবিষ্কৃত হলেও ১৯৬৩ সালের দিকে বাণিজ্যিকভাবে তা লাভজনক না হওয়ায় পরিত্যক্ত হিসেবে ছিল।

“এর মধ্যে অনেক প্রযুক্তি এসেছে। আমি ওই এলাকা পরিদর্শন করে আবার ফিজিবিলিটি স্টাডি করতে বলেছি। আমরা চেষ্টা করছি, সেটাকে আবার পরীক্ষা করে শুরু করার জন্য।”

নসরুল হামিদ মনে করেন, ১৯৬৩ সালে পাশের জেলা জয়পুরহাটে এমন চুনাপাথরের খনি আবিষ্কৃত হলেও বাণিজ্যিকভাবে তা উত্তোলন সম্ভব হয়নি। তবে বর্তমানে প্রযুক্তির উন্নয়ন ও খনি বিশেষজ্ঞ তৈরি হওয়ায় এমন খনি থেকে সহজেই মূল্যবান সম্পদ আহরণ সম্ভব।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ