News Bangla 24 BD | ঝিনাইদহ মহেশপুরের ভবনগর গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে ধানের গোলা - News Bangla 24 BD
News Head
 ঢাকা শহরে যানজট নিরসনে ১১টি প্রস্তাবনা যুক্তরাষ্ট্র ইরানি প্রতিনিধিদের আস্থা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে-ইরানের স্পিকার পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড উদ্বোধন প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ আর নেই দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই-সেতুমন্ত্রী টাঙ্গাইল জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির তিন সদস্যকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি প্রত্যাহার-শিক্ষামন্ত্রী সাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরি কমিশন-ইউজিসির চেয়ারম্যান রদবদল আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনো রেশনিং থাকছে না-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ

ঝিনাইদহ মহেশপুরের ভবনগর গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে ধানের গোলা


জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহঃ
যেখানে গ্রামাঞ্চল থেকে ধানের গোলা হারিয়ে যাচ্ছে, ঠিক সেই সময় ঝিনাইদহ মহেশপুরের ভবনগর গ্রামে পাড়ায়-পাড়ায়, বাড়িতে বাড়িতে ধানের গোলা চোখে পড়ছে। গ্রামের কৃষকরা বলছেন, তারা এখনও অনেকে গোলায় ধান রাখেন, আবার অনেকের গোলা পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। যেগুলো তারা স্মৃতি হিসেবে রেখে দিয়েছেন। তাদের গ্রামে এখনও অর্ধশত বাড়িতে গোলা রয়েছে বলে জানিয়েছেন গ্রামবাসি। সরেজমিনে মহেশপুর উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের ভবনগর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামের বিভিন্ন জায়গায় ধানের গোলা রয়েছে। একই স্থানে পাশাপাশি একাধিক গোলা আছে। গ্রামের আমির হোসেন তরফদার জানান, তাদের গ্রামের সব বাড়িতে গোলায় ধান রাখা হতো। কিন্তু এখন ধানের চাষ কম হওয়ায় অনেক পড়ে আছে। অবশ্য কয়েকজন আছেন যারা এখনও গোলা ব্যবহার করেন, তারা গোলায় ধান রাখেন। ঝন্টু মন্ডল জানান, গ্রামের আবুল কাশেম, আসমত আলী, শুকুর আলী, আব্দুল কাদের, নাসির উদ্দিন, রমজান আলী, আমির হোসেন তরফদার, আকুল খাঁ, রিপন মিয়া, আজগর আলী, মমিনুর রহমান, মহসিন আলী, লাল্টু মোল্লা, মিনারুল ইসলাম, মজনুর রহমান, আবু তাহের, সিরাজুল ইসলাম, ফজলুর রহমান মোল্লা, জামান মিয়াসহ কমপক্ষে ৫০ টি বাড়িতে ধানের গোলা রয়েছে। ভবনগর গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম জানান, একটি গোলা তৈরী করতে কৃষকের খরচ হয় ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার পর্যন্ত। যেগুলোতে ১৫০ থেকে ২৫০ মন ধান রাখা যায়। কৃষক শাহাজ উদ্দিন জানান, ১৯৭৭ সালের পর তাদের গ্রামে ব্যাপকহারে ধান চাষ শুরু হলে গ্রামের মানুষের মধ্যে গোলা বানানোর হিড়িক পড়ে যায়। সেই থেকে গোলাগুলো ঐতিহ্য বহন করে আসছে। শ্যামকুড় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, ভবনগর গ্রামের বাসিন্দা হারুন-অর রশিদ জানান, কৃষকরা এখনও গোলায় ধান রাখতে আগ্রহী। কিন্তু উৎপাদন খরচ মিটিয়ে ধান সংরক্ষণ করা তাদের জন্য কষ্টকর। তারপরও অনেকে গোলায় ধান রাখেন। বস্তার চেয়ে গোলায় ধান রাখলে ধান ভালো থাকে। স্থানীয় চেয়ারম্যান মোঃ আমানুল্লাহ জানান, গোলায় ধান রাখা কৃষকের জন্য খুবই ভালো। কিন্তু এগুলো আমাদের সমাজ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ