ফিনল্যান্ডে উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হচ্ছে ঈদ
জামান সরকার, হেলসিংকি থেকে:
ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি। একমাস রোজা রাখার পর ফিনল্যান্ড জুড়ে মুসলমানরা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য আর উৎসাহের মধ্য দিয়ে শুক্রবার উদযাপন করছে ঈদুল ফিতর।
গত মংলবার সন্ধ্যায় শাওয়ালের এক ফালি চাঁদ যেন ডালি ডালি খুশির বার্তা নিয়ে আসে। তারই আবাহনে আজ (বুধবার) ঈদের সকালে সবাই নতুন পোশাক পরেছে। শিশুদের চোখমুখে ফুটে উঠেছে আনন্দ আর উচ্ছ্বাস। তারা সবাই তো এই দিনটিরিই প্রতীক্ষায় ছিল গত একমাস। অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান হল ৬ই জুলাই বুধবার। গ্রীষ্মের মনোরম ঝলমলে রোদ মাখা সকালে ফিনল্যান্ড প্রবাসী বাংলাদেশি ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সমবেত হয় ঈদের জামাতে।
ইসলামী রীতি অনুযায়ী রাজধানী হেলসিংকিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঈদের প্রধান দুইটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে সকাল ৯টায় ভানতার কামপো স্পোপোর্টস হালি ও হেলসিংকির হাকানিয়েমীর মেরী হাকা পাল্লোহাল্লিতে। হাকানিয়েমীতে ইমামতি করেন হেলসিংকির দারুল আমান মসজিদের খতিব মোঃ আবদুল কুদ্দুস খান ও কনতুলার জামাতে ইমামতি করেন মোঃ বশির আহমেদ।
ঈদের জামাত শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মার শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়।
ফিনল্যান্ডের সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশিরা জামাত দুটিতে অংশ নেন। ঈদ জামাতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন লিমন চৌধুরী, কামরুল আলম কমল, রফিকুল হায়দার টিপু, নাসির খান, আরিফ হক, মাহবুবুল আলাম, শেখ মোঃ মোহাম্মদ আলি, ফয়েজ ঢালী, আনোয়ার হোসেন খান, কামরুল হাসান জনি, আ. হান্নান, হারুন, বদরুল মনির, মোস্তফা আজাদ বাপি, খালেদুল ইসলাম জিতু, আতাউর রহমান রুহেল, হুমায়ুন কবীর, আল হাদি, হাসান, আতাউর রহমান খান, আকরাম, মাহমুদ, গাজী সামসুল আলম, লিটন, মোস্তাক সরকার, মোক্তার, সেলিম, কুদ্দুস, কিরণ, রাইসুল, মাহি, অলি, আরবিন, ধ্রুব, রাহিক, আনাম, আলাউদ্দিন, সাজ্জাদ মুন্না, সেলিম, মহি খান, শামীম বেপারী, সাফাত, জাহাংগীর আলম, আবদূর রশিদ, ইমাম হোসেন পাভেল, রতন, শওকত আলী মিলন, সোহেল ছোট, আনিস ছোট, ফাহমিদ উস সালেহীন, মঞ্জু, আলটন মঈন, আনোয়ার হোসেন, মোঃ মাহমুদ, রিয়া, রিমি, আশিক, ইসমাইল, লিটন, তানভীর, এনামুল হক শিপু, সপনিল, তুহিন, আনোয়ার তাজুল, তাপস খান, আনু, পিটু, জামান সরকার মনির প্রমুখ।
বরাবরের মত এবারেও বাঙালিদের ঈদ উৎসবে ছিল বিভিন্ন ধরনের দেশি-বিদেশি খাবার, একে অপরের বাড়িতে নিমন্ত্রণ খাওয়া, মাতৃভূমি বাংলাদেশে টেলিফোন করে পরিবারের ও আত্নীয়স্বজনের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ও খোঁজ-খবর নেওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি। ঈদের এই আনন্দে একে অপরের বাড়িতে নিমন্ত্রণ খাওয়ার রেওয়াজ একাধারে ৩-৪ দিন চলতে থাকে।
মোটকথা মাতৃভূমির মায়া আর দেশে ফেলে আসা স্বজনদের জন্য ভালবাসা বুকে চেপে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের প্রবাসীরা সবাই পরষ্পর ভাগাভাগি করছেন আনন্দ। সুযোগ মতো ফোনে, ফেসবুকে, স্কাইপে যোগাযোগ হচ্ছে নিজ নিজ দেশে। অনেকেই অশ্রুসজল হয়ে পড়ছেন শয্যাশায়ী মা-বাবার জন্য, কেউ সন্তানের কচিমুখ মনে করে চোখ মুছছেন। তবে সবকিছু ছাপিয়ে সবাই হাসিমুখেই উদযাপন করছেন ঈদকে।

যুক্তরাষ্ট্র ইরানি প্রতিনিধিদের আস্থা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে-ইরানের স্পিকার
পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড উদ্বোধন
প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ আর নেই
দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই-সেতুমন্ত্রী
টাঙ্গাইল জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির তিন সদস্যকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার
স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি প্রত্যাহার-শিক্ষামন্ত্রী
সাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরি কমিশন-ইউজিসির চেয়ারম্যান রদবদল
আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনো রেশনিং থাকছে না-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত 