News Bangla 24 BD | আসিফের সংসার জীবনের ২৪ বছর - News Bangla 24 BD
News Head
 গাজীপুরে নাশকতা টেকাতে কঠোর অবস্থানে পুলিশঃ চলছে সাঁড়াশি অভিযান গ্রেফতার ১৩ বাবাকে বিশেষভাবে ভালোবাসার দিন আজ নিষিদ্ধ সংগঠনের সব ষড়যন্ত্র রাজপথেই প্রতিহত করা হবে: গাজীপুরে যুবদল শ্রীপুর পৌরসভার ৯২ কোটি ৯৭ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে টঙ্গীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত সমর্থিত ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল বুনছে আওয়ামী লীগ : রিজভী নিষিদ্ধ দলের কার্যক্রম চোখে পড়া জাতির জন্য ব্যর্থতা: সেতুমন্ত্রী অবশেষে মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’কে নেওয়া হলো গবেষণা ইনস্টিটিউটে চীন থেকে ২৪টি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান কিনছে বাংলাদেশ

বাংলা গানের যুবরাজ বলা হয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরকে। দৈন্যতা তাকে দমাতে পারেনি, সময়ের বৈরতা পারেনি থামাতে। মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে তিনি এক বিস্ময়কর নাম। তার মিউজিক ক্যারিয়ারের প্রথম অ্যালবাম ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’ দিয়েই তিনি বাজিমাৎ করেন। এরপর রেকর্ড পরিমাণ ব্যবসা সফল অ্যালবামে কণ্ঠ দিয়েছেন আসিফ।

তার গাওয়া একক ও মিশ্র মিলে দেড় শতাধিক অ্যালবাম প্রকাশ পেয়েছে। শুধু অ্যালবাম নয় চলচ্চিত্রের গানেও পাওয়া গেছে আসিফকে। সংগীতাঙ্গনে আসিফ যেমন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র তেমনি বাস্তব জীবনে দারুণ সাংসারিক আর কর্তব্যপরায়ণ একজন মানুষ। আজ আসিফের সংসার জীবনের ২৪ বছর পূর্ণ হলো। তার স্ত্রী বেগম সালমা আসিফ (মিতু)।

১৯৯২ সালের ১০ জুলাই তিন বছরের প্রেমকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করেন আসিফ-মিতু। দাম্পত্য জীবনের প্রথমে নানা চড়াই-উৎড়াই পার করেছেন তারা। কিন্তু প্রেমের শক্তিতে বলীয়ান এ দম্পতি থেকেছেন অবিচল। সব বাঁধাবিপত্তি অতিক্রম করে আজ তারা আদর্শ দম্পতি।

প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়ে সব বাঁধা অতিক্রম করে দুই পুত্র রণ ও রুদ্রকে নিয়ে এখন তাদের সুখের সংসার। আসিফের বড় ছেলে রণ এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে এবং ছোট ছেলে রুদ্র এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে আসিফ-মিতু দুজনেই তাদের ভালোবাসার সংসার টিকিয়ে রাখতে সতর্ক থেকেছেন। চেষ্টা করেছেন কোন অশুভ শক্তি যেন তাদের আলাদা করতে না পারে। নিজেদের প্রতি আস্থা আর ভালোবাসায় আজ তারা ২৪ বছরের সোনালি অধ্যায়ের যাত্রী।

আসিফের সহধর্মিণী মিতু বলেন, আমরা একে অপরকে ভালোবেসে বিয়ে করেছি। সত্যিকার প্রেমে বাঁধাবিপত্তি থাকবেই। আমাদের পথও সুগম ছিল না। কিন্তু আমরা মহান আল্লাহর প্রতি আস্থা রেখে নিজেদের বিশ্বাসের প্রতি অবিচল ছিলাম। দুজনেই অনেক কষ্ট করেছি। আজ মহান আল্লাহর অসীম রহমত আর আমাদের বাবা-মায়ের দোয়া, শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসা এবং দুই সন্তানের নিষ্পাপ মুখ আমাদের সুখী করেছে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমরা দুজন দুজনের পাশে থাকবো এটাই আমাদের প্রতিজ্ঞা।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ