ইতিহাসের কাছে গিয়ে থামলো পাকিস্তান
পারলো না পাকিস্তানও। রোমাঞ্চ ছড়ানো ব্রিসবেন টেস্ট জিতে নিলো অস্ট্রেলিয়াই। স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার ছুড়ে দেয়া ৪৯০ রানের বিশাল টার্গেটকে সামনে রেখে শফিকের অপরাজিত ১০০ রানের সুবাদে ৮ উইকেটে ৩৮২ রান তুলে চতুর্থ দিন শেষ করেছিলো পাকিস্তান। তাই টেস্টের পঞ্চম ও শেষ দিনে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিলো বাকী ২ উইকেটে ১০৮ রান। কিন্তু ২ উইকেট হাতে থেকে আরও ৬৮ রান যোগ করে ৩৯ রানে ম্যাচ হারে পাকিস্তান। নিজের লড়াকু ইনিংসটাকে ১৩৭ রান পর্যন্ত নিয়ে যেতে পেরেছিলেন শফিক। তাই ম্যাচ সেরার পুরস্কারটা তার হাতেই উঠলো। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া।
ম্যাচ জয়ের টার্গেট ছিল ৪৯০ রান। পাহাড়ের মত টার্গেটকে স্পর্শ করার পথটা কঠিন করে ফেলে পাকিস্তানের টপ-অর্ডার। তাতে অসহায় আত্মসমর্পন ছাড়া আর কোন পথ খোলা ছিলো না পাকিস্তানের। কিন্তু সেই পথে না হেটে, ব্রিসবেনের গাব্বার পীচে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের সামনে, শেষ পর্যন্ত লড়াই করার সাহসিকতা দেখান শফিক। দলের উপরের সারির ব্যাটসম্যান সাহস না দেখাতে পারলেও, টেল এন্ডারদের নিয়ে কঠিন পথকে সহজই করে ফেলেন ছয় নম্বরে ব্যাট হাতে নামা শফিক।
তাইতো চতুর্থ দিনে দলীয় ১৭৩ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর ষষ্ঠ উইকেটে উইকেটরক্ষক সরফরাজ আহমেদকে নিয়ে ৪৭, সপ্তম উইকেটে মোহামদ আমিরকে নিয়ে ৯২ ও অস্টম উইকেটে ওয়াহাব রিয়াজকে নিয়ে ৬৬ রান যোগ করে দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখতে বাধ্য করেন শফিক। কারন দিন শেষে পাকিস্তানের সামনে জয়ের সমীকরন দাঁড়ায় ১০৮ রান।
পঞ্চম দিনের শুরু থেকে সেই পথেই এগোচ্ছিলেন শফিক। তাকে যোগ্য ব্যাটসম্যানের মতই সঙ্গ দিচ্ছিলেন ৪ রান নিয়ে শুরু করা ইয়াসির শাহ। রান তোলায় পারদর্শীতা দেখিয়ে দলের স্কোর সাড়ে ৪শ’র কাছাকাছি নিয়েও আসেন শফিক-ইয়াসির। এতে পাকিস্তানের জয়ের স্বপ্ন দেখা আরও উজ্জল হয়।
কিন্তু পাকিস্তানের ইনিংসের ১৪৫তম ওভারে এসে শফিকের দুর্দান্ত লড়াইকে থামিয়ে দেন অস্ট্রেলিয়ার পেসার মিচেল স্টার্ক। তার বাউন্সারের সামনে নত হন শফিক। ফলে দলীয় ৪৪৯ রানে পাকিস্তানের নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে বিদায় নেন শফিক। তার বিদায়ের ৪ বল পরই ইয়াসির রান আউট হলে ৪৫০ রানেই থেমে যায় পাকিস্তানের ইনিংস। ইয়াসির করেন ৩৩ রান। অস্ট্রেলিয়ার স্টার্ক ৪টি ও বার্ড ৩টি উইকেট নেন।
টেস্ট ক্যারিয়ারের দশম ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি পাওয়া ইনিংসে ২০৭ বলে ১৩৭ রান করেন শফিক। তার ইনিংসে ১৩টি বাউন্ডারি ও ১টি ওভার বাউন্ডারি ছিলো। ছয় নম্বরে নেমে এই নিয়ে নবম সেঞ্চুরি করলেন শফিক। ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের গ্যারি সোবার্সকে পেছনে ফেলে এই পজিশনে পাওয়া সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক এখন শফিকই।

নারী বিপিএল আয়োজন চূড়ান্ত-বিসিবি
আইপিএলে মুস্তাফিজ অনেক কিছু শিখতে পারবেন-আকরাম
গাজীপুরে ৭দিন ব্যাপী সাতাঁর প্রশিক্ষণ উদ্বোধণ
বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ওয়ানডে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে স্বাগতিকরা
বাংলাদেশ প্রথমবারের মত নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করলো
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের সিরিজ জয়
৭ উইকেটে বাংলাদেশের জয়
সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা 