News Bangla 24 BD | প্রচলিত আইনবহির্ভূত বয়ান নয়: ইমামদের প্রতি আদালত - News Bangla 24 BD
News Head
 ঢাকা শহরে যানজট নিরসনে ১১টি প্রস্তাবনা যুক্তরাষ্ট্র ইরানি প্রতিনিধিদের আস্থা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে-ইরানের স্পিকার পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড উদ্বোধন প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ আর নেই দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই-সেতুমন্ত্রী টাঙ্গাইল জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির তিন সদস্যকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি প্রত্যাহার-শিক্ষামন্ত্রী সাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরি কমিশন-ইউজিসির চেয়ারম্যান রদবদল আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনো রেশনিং থাকছে না-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ

একজন মসজিদের ইমামের দায়িত্ব নামাজ পড়ানো ও ইসলামের আলোকে বয়ান দেওয়া। তিনি এমন কোনো বয়ান দেবেন না, যা দেশের প্রচলিত আইনবহির্ভূত— বলেছেন আদালত।

আদালত আরও বলেন, কেউ ইসলাম বা হজরত মুহাম্মদ (সা.) অথবা কোনো ধর্ম সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করলে বা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করলে দেশের প্রচলিত আইন অনুসারে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো যায়। সে জন্য আইন নিজের হাতে নেওয়ার অধিকার কারও নেই।

গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী ব্লগার রাজীব হত্যার রায় পর্যবেক্ষণ করে বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এসব কথা বলেন। রাজীব হত্যা মামলায় নিম্ন আদালতে পাওয়া দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডসহ আটজনের সাজা বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

পর্যবেক্ষণে বলা হয়, সাক্ষ্যে শরিয়া আইনের বিষয়টি এসেছে। দেশে তা প্রযোজ্য কি না, এ বিষয়ে সর্বোচ্চ আদালত সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। সাক্ষ্য, দলিলাদি ও আসামিপক্ষের যুক্তি থেকে দেখা যায়, মুফতি জসিমুদ্দিন রাহমানী ছাড়া বাকি সাতজন আসামি মেধাবী ছাত্র। কিন্তু কেন তাঁরা এই পথে গেলেন, এই মামলার মধ্যে আদালত তা খুঁজে পাননি।

পর্যবেক্ষণে বলা হয়, এ ধরনের মেধাবী ছাত্র বিপথে যাওয়ার অনেক কারণ থাকতে পার। কেউ কেউ বলেন, অভিভাবকদের দায় বহন করতে হবে। অভিযুক্তদের অভিভাবকেরা শিক্ষিত ও উচ্চ অবস্থানে আছেন। আমরা সবাই নিজের লাইফস্টাইল নিয়ে ব্যস্ত থাকি। সন্তানদের মানসিকতা ও তারা কোন দিকে যেতে চায়, তা বিবেচনায় আনা হয় না। আভিজাত্যের দিকে দৃষ্টি দিয়ে তাদের ওপর পড়াশোনাসহ অন্যান্য বিষয় চাপিয়ে দেওয়া হয়। এটি সঠিকভাবে তাদের বাড়তে দেয় না। তারা প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে ওঠে। সন্দেহাতীতভাবে বলা যায়, অভিভাবকেরাই সন্তানের প্রাথমিক শিক্ষক। এ ক্ষেত্রে তাঁদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। রাষ্ট্রসহ সংশ্লিষ্টদের বিলম্ব ছাড়াই বিষয়টি বিবেচনা করার সময় এসেছে বলেও আদালত জানান। শিক্ষা, রাজনীতি, স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস, ধর্মীয় সৌহার্দ্যপূর্ণ ঐতিহ্য—এসব বিষয়ে রাষ্ট্রকে উদ্যোগী হতে হবে।

এই রায়ে এ ধরনের মামলার ক্ষেত্রে পুলিশপ্রধানকে আন্তরিকতার সঙ্গে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান আদালত। সব ধরনের মামলায় এমন সব লোক নিয়োগ দিতে হবে (তদন্ত কর্মকর্তা), যাঁরা দেশের জন্য করতে চান।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ