‘যৌথ প্রযোজনার ছবি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে দেশের চলচ্চিত্রে’
স্বাধীনতার পর থেকেই নানা দেশের সাথে নিয়ম মেনে যৌথ প্রযোজনার চলচ্চিত্র নির্মাণ হলেও গত ২ বছর ধরে বাংলাদেশ ও ভারতের সঙ্গে যৌথ প্রযোজনার ছবি নির্মাণ বিষয়ে উঠেছে নানা অভিযোগ।
চিত্রায়ন, কলাকুশলীর সংখ্যা সহ নানা নিয়ম ভাঙছেন নির্মাতারা। আর, এতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রশিল্পে বলে মত সংশ্লিষ্টদের।
১৯৭৩ সালে ‘ ধীরে বহে মেঘনা’ চলচ্চিত্রটির মধ্য দিয়ে শুরু হয় বাংলাদেশি চলচ্চিত্রে যৌথ প্রযোজনার ছবি নির্মাণ। এরপর গৌতম ঘোষ সহ বেশ ক’জন নির্মাতা নির্মাণ করেন বেশকটি জনপ্রিয় চলচ্চিত্র।
তবে, ২০১৪ সালে নির্মিত একটি ছবি দিয়ে এক্ষেত্রে বিতর্কের শুরু হলেও তা আমলে না নিয়ে পরবর্তীতে তৈরি হয় এরকম আরো বেশ কিছু ছবি। দু’দেশের কলাকুশলীদের সমান অংশগ্রহণ সহ নির্মাণের অনেক শর্ত পূরণ না হলেও দু’দশেই মুক্তি পায় ছবিগুলো। কলকাতায় মখ থুবরে পড়লেও ব্যবসা করে বাংলাদেশে।
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নির্মাতা মোরশেদুল ইসলাম বলেন, ‘ভারতীয় পরিচালকরাই যৌথ প্রযোজনার নামে ছবি করেছেন এবং বাংলাদেশের বাজার দখলের চেষ্টা করছেন। এমনিতেই দেশীয় চলচ্চিত্র বিভিন্ন কারণে হুমকির মুখে। সেখানে যদি আবার ভারতীয় আগ্রাসনের মুখে পড়তে হলে সেটি খুবই নেতিবাচক হবে।’
যৌথ প্রযোজনার আড়ালে ভারতীয় আগ্রাসন কখনোই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মত চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের। তাই নিয়ম মেনে দুদেশের সমান স্বার্থ বজায় রেখে চলচ্চিত্র নির্মাণের পরামর্শ তাদের।

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭০ জন
স্পিকারের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় ব্যাপক সংস্কার আনা হবে: ববি হাজ্জাজ
রাজধানীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে অভিযান জোরদার করবে টাস্ক ফোর্স : প্রতিমন্ত্রী
‘শেষ পত্র’র পর আবার একসঙ্গে তিন কিংবদন্তি
জামায়াত সমর্থিত ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ
চীন থেকে ২৪টি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান কিনছে বাংলাদেশ 