বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে চট্টগ্রাম জেলা ইজতেমা
আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে চট্টগ্রাম জেলা ইজতেমা। ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম জেলায় প্রথমবারের মতো সবচেয়ে বড় ইজতেমা হচ্ছে এবার। তাবলিগ জামাতের এই আয়োজনে হাটহাজারীসহ চট্টগ্রামের ১৪ উপজেলা ও চট্টগ্রাম শহরে অবস্থানরত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে এবং হাটহাজারী উপজেলা থেকে তিন কিলোমিটার দূরে ইজতেমা মাঠের অবস্থান।
আয়োজকেরা জানান, দেড় থেকে দুই লাখ মুসল্লির টানা তিন দিন ইজতেমার মূল মাঠে অবস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে শুক্রবার ও শনিবার এ দুদিন কয়েক লাখ মুসল্লি অংশ নিতে পারেন বলে ধারণা করছেন তাঁরা। দুই মাস আগে থেকেই ইজতেমা আয়োজনের কাজ শুরু হয়।
ইজতেমার মূল সমন্বয়ক মুফতি জসিম উদ্দিন গতকাল বলেন, ‘ইজতেমার প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে।’ গতকাল ইজতেমা মাঠে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ২২ একর জায়গায় শামিয়ানা টানানোর কাজ প্রায় শেষ। ইজতেমার মঞ্চ তৈরির শেষ মুহূর্তের কাজ চলছে। মাঠের পুকুরে বাঁশের মাচা তৈরি করে অজু ও গোসলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিদেশি অতিথিদের ইজতেমায় অংশ নেওয়ার জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা হয়েছে। আজ বুধবারের মধ্যে টুকিটাকি কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ইজতেমায় যাতায়াতের জন্য শুধু একটি সড়কই (চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি) রয়েছে। এই সরু সড়ক দিয়ে লক্ষাধিক মুসল্লিকে চলাচলে হিমশিম খেতে হতে পারে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) মুহাম্মদ রেজাউল মাসুদ গতকাল বলেন, ইজতেমা উপলক্ষে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়কে গাড়ি চলাচল নিয়ন্ত্রণই বড় চ্যালেঞ্জ। তবে মুসল্লিদের নির্বিঘ্নে যাতায়াতের স্বার্থে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়কে ইট, কাঠবাহী ট্রাকসহ ভারী যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
ইজতেমার আয়োজক তাবলিগ জামাতের সদস্যরা জানান, মূল মাঠ সাতটি খিত্তায় (এলাকাভিত্তিক অবস্থান) ভাগ করা হয়েছে। এই সাতটি খিত্তার আওতায় ২৭৪টি খুঁটি রয়েছে। প্রতিটি খুঁটির আওতায় ১৬টি খোপ রয়েছে, প্রতি খোপে ৩০ জন রাতে ঘুমাতে পারবেন। তবে একসঙ্গে ৬০ জনের মতো প্রতিটি খোপে বসে বয়ান শুনতে পারবেন। এ হিসাবে প্রায় দেড় লাখ লোকের তিন দিন থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।
মাঠ ঘুরে দেখা যায়, অস্থায়ী গণশৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। একসঙ্গে ২ হাজার ৫০ জন মুসল্লি এসব শৌচাগার ব্যবহার করতে পারবেন। ইজতেমা মাঠে থাকা ১৬টি পুকুর অজু ও গোসলের কাজে ব্যবহার হবে। খাওয়ার পানির জন্য ১২টি গভীর নলকূপ বসানো হয়েছে। চিকিৎসাশিবির ও অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সিটি করপোরেশন জানায়, সিটি করপোরেশন থেকে ইজতেমা মাঠে জেনারেটর ও পানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্যও সিটি করপোরেশনের লোকবল কাজ করবে। ইজতেমার মূল মাঠের একপাশে বিদেশি অতিথিদের জন্য তিন দিন থাকার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
ইজতেমা ঘিরে চার স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকবে। মোট ৮০০ পুলিশ সদস্য ইজতেমায় সার্বক্ষণিক নিয়োজিত থাকবেন। ইজতেমা মাঠসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বসানো হচ্ছে ২০টি সিসিটিভি ক্যামেরা। পর্যবেক্ষণ টাওয়ার থেকেও নজরদারির ব্যবস্থা রয়েছে। মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশির ব্যবস্থাও রয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রেজাউল মাসুদ বলেন, ইজতেমা ঘিরে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সড়কের পাশাপাশি ইজতেমা মাঠে এ নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকবে।

জিলাপিতে নিষিদ্ধ হাইড্রোজ ব্যবহার: মির্জাপুর বাজারের স্বপন মিষ্টান্নে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা
দালালদের নিয়ন্ত্রণে গাজীপুর মহানগর ভূমি অফিস, সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই
গাজীপুরে বিদেশী মদ সহ ২ জন গ্রেফতার
গাজীপুরে পুলিশের অভিযানে ফুটপাত দখলমুক্ত হলেও গ্রেফতার হয়নি চাঁদাবাজরা
বৈশ্বিক মান অনুযায়ী দেশের শ্রম আইন সংস্কারের নির্দেশ– প্রধান উপদেষ্টা
অন্তর্বর্তী সরকারকে দ্রুত নির্বাচন দিয়ে বিদায় নেওয়ার আহ্বান – মাহমুদুর রহমান মান্না।
স্মৃতিতে গাজীপুর ৪ ডিসেম্বর ২০১৩
তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মোদি 