সুমাইয়ার সারা গায়ে আঁচড়ের দাগ, মুখ খুলছে না বৃষ্টি
ঢাকা মেডিকেল কলেজের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) বন্দিদশা থেকে উদ্ধার শিশু সুমাইয়ার চিকিৎসা চলছে। পাঁচ বছরের শিশুটি অপহরণের পর মারধরের শিকার হয়। তার সারা গায়ে আঁচড়ের দাগ রয়েছে।
এদিকে গতকাল শনিবার পর্যন্ত সাবিনা ইসলাম ওরফে বৃষ্টি সুমাইয়াকে অপহরণের ব্যাপারে মুখ খুলেন নি। তিনি দাবি করছেন, সুমাইয়াকে তিনি লালন-পালনের জন্য নিয়েছিলেন। তবে লালবাগ ডিভিশনের অতিরিক্ত উপকমিশনার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ বলেন, তারা মনে করেন, সাবিনা মিথ্যা বলছেন। গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি বেশ কিছু তথ্য দিয়েছেন, যাচাই করতে গিয়ে তা ভুয়া প্রমাণিত হয়েছে।
নাজির আহমেদ বলেন, অপহরণের পর প্রথমে সুমাইয়াকে কেরানীগঞ্জের বামনকীর্তিতে নিয়ে যান সাবিনা। সেখানে তার স্বামীর বন্ধু বিল্লালকে স্বামী পরিচয় দিয়ে বাসা ভাড়া নেন। সপ্তাহ দুয়েক পর সাবিনা সুমাইয়াকে নিয়ে কদমতলীতে তার বাবার বাড়িতে ওঠেন। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানতে পারেন, সাবিনা পাঁচ থেকে ছয়বার ভারতে গেছেন এবং একবার ভারতে গিয়ে এক বছরেরও বেশি সময় ছিলেন। সাবিনা দাবি করেছেন, তিনি তার ফুফুর সঙ্গে ভারতে যান এবং চোরাই পথে সালোয়ার-কামিজ এনে বাংলাদেশে বিক্রি করেন। তবে তিনি ফুফুর বাড়ির যে ঠিকানা দিয়েছেন, সে ঠিকানায় গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি।
সাবিনা ইসলামের স্বামীর নাম কাজল। তিনি ইয়াবা বিক্রেতা এবং মাদকের মামলায় এখন কারাগারে আছেন।
সুমাইয়ার বাবা জাকির হোসেন বলেন, সুমাইয়াকে সাবিনা লাঠিপেটা করতেন। তার মাথাতেও আঘাত করেছেন। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় দাগ রয়ে গেছে। সুমাইয়া এখনো ভয় পাচ্ছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসির সমন্বয়কারী বিলকিস বেগম বলেন, আজ শিশুর শারীরিক পরীক্ষা করা হবে।

ভাওয়াল রাজদীঘি হবে গাজীপুরের সংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দু: জেলা প্রশাসক
যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশে ভোজ্যতেলসহ কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আগ্রহী পাকিস্তান
আজ সারাদেশে ২৯ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
মশা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রেখেছি, সামনে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাবের সম্ভাবনা রয়েছে: ডিএনসিসি প্রশাসক
ক্রীড়া কার্ডের সংখ্যা ৩০০ থেকে বাড়িয়ে ৫০০ করা হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
গাজীপুরে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ক্যাম্পেইন উদ্বোধন
সাতক্ষীরায় ৭৩ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করল বিজিবি 