সিলেট নগরী ও আশপাশে এলাকার ফিতরা ৫৫ টাকা
প্রতিবারে ন্যায় এবারও সিলেট শহর ও আশপাশ এলাকার জন্য বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি সিলেট মহানগর শাখা দরিদ্র বিমোচনে যাকাত-ফিৎরার ভূমিকা ও স্থানীয় ভাবে ফিৎরার পরিমাণ নির্ধারণ শীর্ষক সেমিনার ১১ রমজান, ৭ জুন বুধবার বেলা ২টায় মধুবনস্থ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। সিলেটের সর্বজন শ্রদ্ধেয় মুফতীয়ানে কেরাম, উলামা মাশায়েখ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের ও ইমাম-খতিবগণের উপস্থিতিতে বুধবার শহরের বিভিন্ন খুচরাবাজার যাচাই করে আটা ১৬৫০ গ্রাম ও খেজুর, কিসমিস ৩৩০০ গ্রামের মধ্যম কোয়ালিটির মূল্য নির্ধারণের মাধ্যমে ফিৎরার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়।
সিলেট মহানগর ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা হাবীব আহমদ শিহাবের সভাপতিত্বে সহ-সাধারণ সম্পাদক মুফতি আব্দুর রহমানের পরিচালনায় সেমিনারের প্রধান সিদ্ধান্তদানকারী দরগাহে হযরত শাহজালাল রহ: মাদরাসার শায়খুল হাদীস আল্লামা মুহিব্বুল হক গাছবাড়ি বলেন, ফিৎরা ধনীদের পক্ষ থেকে দেয়া হয় গরীব অসহায়দেরকে। এটা কোনো দয়া বা অনুকম্পা নয়, ধনীদের সম্পদের গরীবদের প্রাপ্য অধিকার। গরীবদের যেভাবে উপকার হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন। তাই প্রাচীন যুগে পরিমাপের পাত্র একটু ছোট বড় ছিল বিভিন্ন জায়গায় এলাকা ভেদে। আমাদের দেশে এসব বাটখারা বা পাত্রের প্রচলন না হলেও ওজনের মাধ্যমে তা নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ইসলামী স্কলারগণ এসব বাটখারার হিসেব করে ১০০/১৫০ গ্রামের কম-বেশি পাওয়া যায়। সেমিনারে ফিৎরায় ওজনের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় কিসমিস ও খেজুর ৩৩০০ গ্রাম যা শরীয়তে ১ সা’, আটা, যব যা নির্ধারণ করা হয় ১৬৫০ গ্রাম, যা শরীয়তে অর্ধ সা। আগামী দিনগুলোতে এ পরিমাপে সকল ফিৎরাদাতাগণ ফিৎরা দেয়ার জন্য সেমিনারের অতিথিগণ সকল মুসলমানকে আহবান জানান।তিনি আরো বলেন, ফিৎরায় মুদ্রামূল্য নিজ নিজ এলাকার বাজারের দ্রব্যমূল্য অনুসারে দিতে হয়। কিসমিস, খেজুর, যব, আটার মাধ্যমে ফিৎরা দেয়া উত্তম, তবে কেউ যদি এর পরিবর্তে নগদ টাকা বা অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী বা পরিধেয়ের বস্ত্র কিনে দেন তবু দেয়া যায়।
ইমাম সমিতির এ সিদ্ধান্তকে সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সমর্থন করে বলেন, ইসলামের এ সুমহান আদর্শের মাধ্যমে যথাযথ ভাবে যাকাত-ফিৎরা প্রদান করলে আমাদের দেশে গরীব থাকার কথা নয়। দারিদ্র বিমোচনে যাকাত ফিৎরার গুরুত্ব অপরিসীম। মেয়র বলেন, ফিৎরা দেয়ার জন্য ইসলামে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ পরিমাণ রয়েছে। আসুন আমাদের অবস্থা ভেদে গরীব অসহায়দেরকে যথাযথ ভাবে ফিৎরা প্রদান করে দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়ি। বাজার মনিটরিং করেন ইমাম সমিতির সহ সভাপতি মুফতি মাওলানা বুরহান উদ্দিন, সহ সাধারণ সম্পাদক হাফিজ মাওলানা ছুহাইব আহমদ ও দপ্তর সম্পাদক হাফিজ মাওলানা আব্দুর রহমান।
ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা হাবীব আহমদ শিহাব সিলেট শহর ও আশপাশের এলাকার জন্য ফিৎরার পরিমাণ ঘোষণা করেন সর্বনিম্ন ৫৫ টাকা, মধ্যম ৬৭০ টাকা ও সর্বোচ্চ ১০৩০ টাকা। পাশাপাশি আগামী শুক্রবার জুম্মার বয়ানে যাকাত ফিৎরা বিষয়ে আলোচনা করার জন্য নগরীর সকল ইমাম খতিবদের প্রতি আহবান জানান।
উক্ত পরিমাণকে সমর্থন জানিয়েছেন হাজী কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মাওলানা ক্বারী জমিরুদ্দীন, হযরত শাহজালাল ডিওয়াই কামিল মাদরাসার মুফতি আবু সালেহ মোঃ কুতবুল আলম, জামিয়া ইসলামিয়া পাঠনটুলার মুফতি আলী হায়দার, মুফতী ওলিউর রহমান, মুফতি আলতাফুর রহমান প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি

ক্রীড়া কার্ডের সংখ্যা ৩০০ থেকে বাড়িয়ে ৫০০ করা হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
গাজীপুরে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ক্যাম্পেইন উদ্বোধন
সাতক্ষীরায় ৭৩ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করল বিজিবি
ঢাকা কেয়ার স্কুলের ৩১তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত
বগুড়ায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু
ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সারা দেশে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু, যেসব শিশু পাবে এই ক্যাপসুল
ঠাকুরগাঁওয়ে জামায়াতের বৃক্ষরোপণ অভিযান 