News Bangla 24 BD | এএসপির ‘দুই সন্দেভাজন হত্যাকারী’ বন্দুকযুদ্ধে নিহত - News Bangla 24 BD
News Head
 কওমি মাদ্রাসা থেকে ১০ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে: পটিয়ায় এমপি এনাম সিলেটে শিক্ষার্থীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরণ শ্রমমন্ত্রীর গাজীপুরে ডিপি ফুডসকে ১ লাখ টাকা জরিমানা বিশ্ব মাদকবিরোধী দিবসে টঙ্গীতে ছাত্রশিবিরের সাইকেল র‍্যালি গাজীপুরে সাড়ে পাঁচ লাখের অধিক শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ গাজীপুরে ডিবির অভিযানে কাভার্ড ভ্যান থেকে ১২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, গ্রেফতার ২ টঙ্গীতে ৫১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩টি সড়কের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন গাজীপুরে রথযাত্রা উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কাপাসিয়ায় ইউএইচওর বদলি বাতিলের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

এএসপির ‘দুই সন্দেভাজন হত্যাকারী’ বন্দুকযুদ্ধে নিহত


রাজধানীর রূপনগরে গোয়েন্দা পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুইজন নিহত হয়েছেন, যারা এএসপি মিজানুর রহমান তালুকদারকে হত্যায় জড়িত ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (পশ্চিম) গোলাম মোস্তফা রাসেল বলেন, বুধবার ভোরের দিকে রূপনগর বেড়িবাঁধ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তিনি বলেন, ওই এলাকায় ছিনতাইকারীদের অবস্থানের খবর পেয়ে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল সেখানে যায়।

“এ সময় ছিনতাইকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। তাতে দুজন আহত হয়। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে এলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।”

নিহতদের পরিচয় জানতে চাইলে পুলিশ কর্মকর্তা রাসেল বলেন, “ছবি দেখে ধারণা করা হচ্ছে, তারা এএসপি মিজানের হত্যাকারী জাকির ও ফারুক।” ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধারের কথাও জানান অতিরিক্ত উপ কমিশনার।

গত ২১ জুন সকালে রাজধানীর রূপনগর বেড়িবাঁধ সংলগ্ন বিরুলিয়া ব্রিজের কাছে রাস্তার পাশে গলায় কাপড় পেঁচানো অবস্থায় সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মিজানুর রহমান তালুকদারের মৃতদেহ পাওয়া যায়। তিনি হাইওয়ে পুলিশের গাজীপুর অঞ্চলের সাভার সার্কেলের দায়িত্বে ছিলেন। ওই ঘটনায় তার ছোট ভাই মাসুম তালুকদার রূপনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। কারও নাম উল্লেখ না করে অজ্ঞাত পরিচয় একাধিক ব্যক্তিকে মামলায় আসামি করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, সেদিন ভোরে সেহেরি খাওয়ার পর সাধারণ পোশাকে উত্তরার বাসা থেকে কর্মস্থল সাভারের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন এএসপি মিজানুর। যে জায়গায় তার লাশ পাওয়া গেছে, বাসা থেকে তা গাড়িতে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের পথ।

এরপর গত ২২ জুলাই রাতে টঙ্গী এলাকা থেকে শাহ আলম নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, এএসপি মিজান হত্যার পেছনে ছিল ছিনতাইয়ের ঘটনা।

ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম ২৩ জুলাই এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, শাহ আলমসহ চার ছিনতাইকারী সেদিন এএসপি মিজানকে একটি প্রাইভেটকারে তুলে নিয়েছিল। কিন্তু পুলিশ পরিচয় জানার পর তারা মিজানকে হত্যা করে।

গ্রেপ্তার শাহ আলমের কাছে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মনিরুল জানিয়েছিলেন, ঘটনার দিন প্রাইভেটকারের চালকের আসনের ছিলেন জাকির। চালকের বাঁ পাশে ছিলেন শাহ আলম ওরফে বুড্ডা। পেছনে এএসপি মিজানকে মাঝে রেখে দুই পাশে বসেছিলেন মিণ্টু এবং কামাল ওরফে ফারুক। ঝুট কাপড়ের টুকরো গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তারা মিজানকে হত্যা করে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ