News Bangla 24 BD | কালীগঞ্জে নার্স হত্যায় স্বামী ও শাশুড়ির নামে মামলা
News Head
 বাড়লো ২ উপদেষ্টার দায়িত্ব, মন্ত্রণালয় কমলো ৮ প্রতিমন্ত্রীর,  জিলাপিতে নিষিদ্ধ হাইড্রোজ ব্যবহার: মির্জাপুর বাজারের স্বপন মিষ্টান্নে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা দালালদের নিয়ন্ত্রণে গাজীপুর মহানগর ভূমি অফিস, সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই গাজীপুরে বিদেশী মদ সহ ২ জন গ্রেফতার গাজীপুরে পুলিশের অভিযানে ফুটপাত দখলমুক্ত হলেও গ্রেফতার হয়নি চাঁদাবাজরা বৈশ্বিক মান অনুযায়ী দেশের শ্রম আইন সংস্কারের নির্দেশ– প্রধান উপদেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকারকে দ্রুত নির্বাচন দিয়ে বিদায় নেওয়ার আহ্বান – মাহমুদুর রহমান মান্না। স্মৃতিতে গাজীপুর ৪ ডিসেম্বর ২০১৩ তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মোদি পুলিশকে গুলি করে হত্যায় কনস্টেবল কাউসার ৭ দিনের রিমান্ডে

কালীগঞ্জে নার্স হত্যায় স্বামী ও শাশুড়ির নামে মামলা


কালীগঞ্জ প্রতিনিধি : কালীগঞ্জে এক সন্তানের জননী মুক্তি রানী দাস (৩২) হত্যার অভিযোগে স্বামী রনি চন্দ্র দাস ও তার শাশুড়ি নিলিমা চন্দ্র দাসের নামে থানায় মামলা হয়েছে।
এ ব্যপারে নিহতের বাবা গোপাল চন্দ্র দাস বাদী হয়ে মেয়ের স্বামী ও শ্বশুড়িকে আসামী করে গতকাল বোরবার সকালে কালীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার নং ২(৩)১৯। এ বিষয়টি কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবু বকর মিয়া জানান, নিহতের বাবা গোপাল চন্দ্র দাস বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। তবে তার স্বামীকে আটক করে জেল-হাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ওসি (তদন্ত) রাজীব চক্রবর্তী। তিনি জানান, ময়না তদন্ত শেষে নিহতের পরিবারের নিকট লাশটি হস্তান্তর করা হয়েছে। গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় কালীগঞ্জ শশ্বান খোলা তার লাশ দাহ করা হয়েছে।
নিহতের বাপের বাড়ি উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের উলুখোলা গ্রামের গোপাল চন্দ্র দাসের মেয়ে। সে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারী নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আটককৃত ঘাতক স্বামীকে রবিবার বিকেলে জেলহাজতে প্রেরণ করে থানা পুলিশ।
নিহতের পরিবার ও থানা সূত্রে জানা যায়, ঘটনাটি ঘটেছে গত শনিবার সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে কালীগঞ্জ পৌর ৪ নম্বর ওয়ার্ড মুনশুরপুর গ্রামের মনসতলা ধরণী চন্দ্র দাসের বাড়িতে । স্বামী রনী চন্দ্র দাস ও শাশুড়ি নিলিমা চন্দ্র দাস পিটিয়ে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ করেছেন নিহতের পরিবারের লোকজন।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্থাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ছাদেকুর রহমান আকন্দ জানান- নিহত মুক্তি রানী একজন দক্ষ নার্স ছিল। সে নিয়মিত হাসপাতালে আসতো। সে খুব ভাল মানুষ ছিল। তার এ ঘটনা খুবই দুঃখজনক।
নিহতের বড় ভাই জয়ন্ত চন্দ্র দাস জানান, প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধরনী চন্দ্র দাসের ছেলে রনী চন্দ্র দাস সাত বছর পূর্বে তার বোন মুক্তি রানীকে বিয়ে করে। বিয়ের কিছু দিন পর থেকেই শুরু হয় তার ওপর অমানুষিক অত্যাচার ও শারীরিক নির্যাতন। তার বোনের স্বামী, শ্বাশুড়ি ও দেবর জনি মিলে প্রায় সময়ই তাকে মারধর করত। তার বোনের স্বামী ফোন করে বলতো তোর বোনকে পিটিয়েছি, তাকে নিয়ে যা। তা না হলে তোর বোনের অবস্থা খারাপ হবে।
এলাকাবাসী জানায়, বিয়ের পর থেকেই রনি তার স্ত্রী মুক্তি রানী দাসকে প্রায়ই মারধর করতো। আমরা প্রায়ই সময় তাদের ঝগড়া-ঝাটি শুনতাম। মেয়েটি অনেক শান্ত ও ন¤্র ছিল। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ