News Bangla 24 BD | কালীগঞ্জে নার্স হত্যায় স্বামী ও শাশুড়ির নামে মামলা - News Bangla 24 BD
News Head
 ঢাকা শহরে যানজট নিরসনে ১১টি প্রস্তাবনা যুক্তরাষ্ট্র ইরানি প্রতিনিধিদের আস্থা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে-ইরানের স্পিকার পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড উদ্বোধন প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ আর নেই দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই-সেতুমন্ত্রী টাঙ্গাইল জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির তিন সদস্যকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি প্রত্যাহার-শিক্ষামন্ত্রী সাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরি কমিশন-ইউজিসির চেয়ারম্যান রদবদল আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনো রেশনিং থাকছে না-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ

কালীগঞ্জ প্রতিনিধি : কালীগঞ্জে এক সন্তানের জননী মুক্তি রানী দাস (৩২) হত্যার অভিযোগে স্বামী রনি চন্দ্র দাস ও তার শাশুড়ি নিলিমা চন্দ্র দাসের নামে থানায় মামলা হয়েছে।
এ ব্যপারে নিহতের বাবা গোপাল চন্দ্র দাস বাদী হয়ে মেয়ের স্বামী ও শ্বশুড়িকে আসামী করে গতকাল বোরবার সকালে কালীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার নং ২(৩)১৯। এ বিষয়টি কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবু বকর মিয়া জানান, নিহতের বাবা গোপাল চন্দ্র দাস বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। তবে তার স্বামীকে আটক করে জেল-হাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ওসি (তদন্ত) রাজীব চক্রবর্তী। তিনি জানান, ময়না তদন্ত শেষে নিহতের পরিবারের নিকট লাশটি হস্তান্তর করা হয়েছে। গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় কালীগঞ্জ শশ্বান খোলা তার লাশ দাহ করা হয়েছে।
নিহতের বাপের বাড়ি উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের উলুখোলা গ্রামের গোপাল চন্দ্র দাসের মেয়ে। সে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারী নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আটককৃত ঘাতক স্বামীকে রবিবার বিকেলে জেলহাজতে প্রেরণ করে থানা পুলিশ।
নিহতের পরিবার ও থানা সূত্রে জানা যায়, ঘটনাটি ঘটেছে গত শনিবার সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে কালীগঞ্জ পৌর ৪ নম্বর ওয়ার্ড মুনশুরপুর গ্রামের মনসতলা ধরণী চন্দ্র দাসের বাড়িতে । স্বামী রনী চন্দ্র দাস ও শাশুড়ি নিলিমা চন্দ্র দাস পিটিয়ে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ করেছেন নিহতের পরিবারের লোকজন।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্থাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ছাদেকুর রহমান আকন্দ জানান- নিহত মুক্তি রানী একজন দক্ষ নার্স ছিল। সে নিয়মিত হাসপাতালে আসতো। সে খুব ভাল মানুষ ছিল। তার এ ঘটনা খুবই দুঃখজনক।
নিহতের বড় ভাই জয়ন্ত চন্দ্র দাস জানান, প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধরনী চন্দ্র দাসের ছেলে রনী চন্দ্র দাস সাত বছর পূর্বে তার বোন মুক্তি রানীকে বিয়ে করে। বিয়ের কিছু দিন পর থেকেই শুরু হয় তার ওপর অমানুষিক অত্যাচার ও শারীরিক নির্যাতন। তার বোনের স্বামী, শ্বাশুড়ি ও দেবর জনি মিলে প্রায় সময়ই তাকে মারধর করত। তার বোনের স্বামী ফোন করে বলতো তোর বোনকে পিটিয়েছি, তাকে নিয়ে যা। তা না হলে তোর বোনের অবস্থা খারাপ হবে।
এলাকাবাসী জানায়, বিয়ের পর থেকেই রনি তার স্ত্রী মুক্তি রানী দাসকে প্রায়ই মারধর করতো। আমরা প্রায়ই সময় তাদের ঝগড়া-ঝাটি শুনতাম। মেয়েটি অনেক শান্ত ও ন¤্র ছিল। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ