News Bangla 24 BD | ‘যারা জামায়াতকে ক্ষমা চাইতে বলে, তাদের নিজেদেরই কয়েকবার ক্ষমা চাওয়া উচিত’: সেলিম উদ্দিন - News Bangla 24 BD
News Head
 ‘যারা জামায়াতকে ক্ষমা চাইতে বলে, তাদের নিজেদেরই কয়েকবার ক্ষমা চাওয়া উচিত’: সেলিম উদ্দিন টেকসই গাজীপুর গড়তে নাগরিক সম্পৃক্ততায় সিএলসিসি ও ক্লাস্টার উন্নয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস অপপ্রচার ও নোংরা রাজনীতির বিরুদ্ধে সাভারে যুবদলের শোডাউন যে দোয়া পড়লে নামাজে ‘মনোযোগ ও ইচ্ছা’ দুটোই বেড়ে যাবে প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা সৌদি আরবের কন্যাসন্তানের মা হলেন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা জামান কাতারে নিহত পাঁচ প্রবাসীর মরদেহ পৌঁছাল সিলেটে তীব্র সমালোচনায় কোক স্টুডিও বাংলার চতুর্থ সিজনের দ্বিতীয় গান ‘মেঘ’

‘যারা জামায়াতকে ক্ষমা চাইতে বলে, তাদের নিজেদেরই কয়েকবার ক্ষমা চাওয়া উচিত’: সেলিম উদ্দিন


নিজস্ব প্রতিবেদক: যারা জামায়াতকে ক্ষমা চাইতে বলে, তাদের নিজ দলের কৃতকর্মের জন্য অন্তত কয়েকবার ক্ষমা চাইতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আমীর এবং ডিএনসিসির মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। বলেন, জামায়াতের বিরুদ্ধে ভোঁতা অস্ত্র ব্যবহার করে ঘায়েল করা যাবে না। মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে রাজধানীর উত্তরার মীর মুগ্ধ মঞ্চে আয়োজিত চার দিনব্যাপী মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইনের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সেলিম উদ্দিন বলেন, সংসদে নতুন কিছু মুফতি আবিষ্কার হচ্ছে, তারা জামায়াতে ইসলামী ইসলাম নয় বলে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছে। এ ধরনের বক্তব্য দিয়ে, জামায়াতকে দুর্বল করা যাবে না বলেও জানান এই জামায়াত নেতা। সংসদে অপ্রাসঙ্গিক বক্তব্য দিয়ে জাতির সঙ্গে মশকরা করা হচ্ছে।
সরকারকে উদ্দেশ করে সেলিম উদ্দিন বলেন, পলাতক শেখ হাসিনার সহযোগীদের কথায় চললে পরিণতি ভালো হবে না। হাসিনার পথে গেলে তার পরিণতিও ভালো হবে না। একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তিনি পুরাতন রাজনীতিকে বিদায় দিয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হয়ে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চান। যেটা জামায়াত সংসদেও প্রশংসা করেছে।
মাদক বিরোধী বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের অসাধু রাজনীতিকরা মাদকমুক্ত সমাজ চান না, কারণ মাদকমুক্ত হলে তারা কর্মী খুঁজে পাবেন না। উত্তরার পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মদের বার বন্ধ করতে হবে। তাহলেই উত্তরা নিরাপদ ও মাদকমুক্ত হবে। এক মাসের মধ্যে ২৫টি ডিজিটাল অ্যাপ উদ্বোধন করা হবে, যার মাধ্যমে নগরবাসীর জন্য নিরাপদ খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও বিভিন্ন নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তরুণদের উদ্দেশে সেলিম উদ্দিন বলেন, সমাজের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা তরুণদের। কিন্তু বেকারত্ব, অপসংস্কৃতি ও বিলাসিতার প্রবণতার কারণে অনেক তরুণ মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। আধুনিকতার নামে অপসংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ছে, যা পরিবার ও সমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এসব সমস্যা মোকাবিলায় কার্যকর রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ প্রয়োজন।
মাদকাসক্তদের প্রতি ঘৃণা নয়, বরং সহমর্মিতা প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ ও সামাজিক সহযোগিতা জরুরি। নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও মাদক নিয়ন্ত্রণ অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেন তিনি। সারা দেশে মাদকের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা উচিত। ঢাকা উত্তর সিটি এলাকায় কোনো পরিবারের সন্তান মাদকাসক্ত হলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীলদের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।
ত্তরা পশ্চিম অঞ্চলের পরিচালক ও মহানগরী উত্তরের নায়েবে আমীর ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে ও মহানগরী যুব বিভাগের সেক্রেটারি ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ এর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি নাজিম উদ্দিন মোল্লা, ডা. ফখরুদ্দিন মানিক ও যুব বিভাগের সভাপতি ও মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি ইয়াছিন আরাফাত। আরও উপস্থিত ছিলেন উত্তরা পূর্ব অঞ্চলের পরিচালক ও মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য জামাল উদ্দিন, উত্তরা পশ্চিম অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলম, ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগরী উত্তরের দপ্তর সম্পাদক তাহমিদ হুজাইফা, উত্তরা পশ্চিম অঞ্চলের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত কমিশনার প্রার্থীবৃন্দ- ১নং ওয়ার্ড মাহফুজুর রহমান, ১৭ নং ওয়ার্ড জাকির হোসেন, ৫১ নং ওয়ার্ড সালাহউদ্দিন ভূইয়া, ৫২ নং ওয়ার্ড মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক, ৫৩ নং ওয়ার্ড এডভোকেট সুরুজ্জামান, ৫৪ নং ওয়ার্ড শফিকুল ইসলাম। এছাড়াও উত্তরা অঞ্চলের থানা আমীর, নায়েবে আমীর ও সেক্রেটারিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ