সিলেটের গোলাপগঞ্জে নদী ভাঙ্গনে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে শরিফগঞ্জ ইউপি
বদরুল আলম,গোলাপগঞ্জ(সিলেট) প্রতিনিধি:গোলাপগঞ্জ উপজেলার শরিফগঞ্জ ইউনিয়ন কুশিয়ারার নদী ভাঙ্গনে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে।
গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাতে অব্যাহত নদী ভাঙ্গনের কারণে এ ইউপির নদীর তীরবর্তী অসংখ্য বাড়িঘর এবং কয়েকটি গ্রাম পড়েছে হুমকির মুখে।এছাড়া নদীর পানি উপচে গিয়ে তীরবর্তী গ্রাম গুলোতে দেখা দেয় অকাল বন্যা।ফলে দুর্বীষহ জীবন-যাপন করতে হয় ওইসব এলাকার মানুষদের।নদী ভাঙ্গনে আশংকাজনক অবস্থায় রয়েছে ইউপির বসনপুর,কদুপুর,খাটকাই,পনাইচক,মেহেরপুর,পানি আগা সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের বিস্তীর্ণ জনপদ।ভাঙ্গনের মুখে রয়েছে রাস্তাঘাট,স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসা, মসজিদ,খেয়াঘাট,লঞ্চঘাট,খেলার মাঠ,ফসলি জমি,গাছপালা, বসতভিটা, কালভার্ট সহ প্রভৃতি।
নদীর তীর ঘেষা খাটকাই-মেহেরপুরের ব্যস্ততম সড়কটি নদী ভাঙ্গনে বিলীন হওয়ার পথে।এতে ঝুঁকি নিয়ে চলতে হচ্ছে পথচারীদের।কখন যেন নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায় ব্যস্থতম ওই সড়কটি এমন আশংকা সাধারণ মানুষের।ইতি মধ্যেই পনাইচক জামে মসজিদ ও উচ্চ বিদ্যালয়ের নিকটস্থ রাস্তাটি পুরোপুরি নদী গর্ভে চলে গেছে।এ রাস্তাটি নদী গর্ভে চলে যাওয়ায় বেপাকে রয়েছেন পনাইর চক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ সে সব এলাকার মানুষজন।
শরিফ ইউপির নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান এম এ মুহিত হিরার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,পনাইর চক স্কুলের নিকটবর্তী রাস্তাটি নদী ভাঙ্গনে পুরোপুরি নদী গর্ভে চলে গেছে।রাস্তাটি আমি সরেজমিন পরিদর্শন করেছি।অন্য পাশ দিয়ে বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।নদী ভাঙ্গনে হুমকির মুখে রয়েছে এ এলাকার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ পনাইর চক উচ্চ বিদ্যালয়টিও।খুব শিগগির নদী ভাঙ্গন রোধে ইউনিয়নের পক্ষ থেকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
স্থানীয় লোকজন জানান, ইতিমধ্যে কুশিয়ারা নদী ভাঙনের শিকার হয়ে খাটকাই-পনাই চক গ্রামের শত শত পরিবার নিঃস্ব হয়েছে।অনেকেই বাড়িঘর হারিয়ে অন্যত্র বসবাস করে আসছেন।নদী তীরবর্তী ফসলের জমি হারিয়ে যাচ্ছে।অসংখ্য গাছপালা চলে গেছে নদী গর্ভে।নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে আরো অসংখ্য বাড়িঘর ও স্থাপনা বিলীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।নদীতে ভাঙ্গন দেখা দেয়ায় ইউপির এসব এলাকার লোকজন আতংকে দিন কাটাচ্ছেন।
এ ইউপির মেহেরপুর বাজার(কালাবাজার),কাদিপুর বাজার,নয়া বাজার সহ বেশ কয়েকটি বাজারের দোকান কুশিয়ারা নদীতে ধসে পড়েছে।নদী ভাঙ্গনে প্রায় বিলীন হওয়ার পথে এসব বাজার।এতে নদী তীরবর্তী মার্কেটের ব্যবসায়ীরা আতংকে রয়েছেন।
মেহেরপুর গ্রামের বিশিষ্ট সমাজ সেবক সাদিকুর রহমান জানান,পানি আগা,পনাই চক খাটখাই,মেহেরপুর সহ বিভিন্ন এলাকার নদীর তীরবর্তী রাস্তাটিই যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা।নদী গর্ভে চলে যাওয়াতে বেপাকে পড়েছেন এলাকার লোকজন।এ অঞ্চলের বিখ্যাত শরিফগঞ্জ বাজার অনেক আগেই নদীর ভাঙ্গনের কবলে পরে বিলীন হয়ে গেছে।অস্তিত্ব হারাতে বসেছে কালার বাজার নামের আরেকটি বিখ্যাত বাজার।যদি অতিসত্বর নদী ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয় তাহলে এই ঐতিহ্যবাহী ইউনিয়নটির অস্তিত্ব রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

‘বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাই রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ’
গাজীপুরের শ্রীপুরে আনসার উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর
শিগগিরই দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নাগরিকদের আচরণগত পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ: ডিএসসিসি প্রশাসক
জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের সম্মানে স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী মাওলানা ফজলুর রহমান
নভোএয়ারের ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, ঢাকায় জরুরি অবতরণ
খেলাধুলার মাধ্যমে মাদকমুক্ত ও মানবিক সমাজ গড়ার আহ্বান এমপি সেলিমুজ্জামানের 