একটি সন্তান জন্ম নেয়ার পর থেকে মায়ের আনন্দ ও সন্তানের প্রতি ভালবাসা আরও দিগুন পরিমানে বেড়ে যায়। সন্তান কে লালন পালন করার জন্য তার অস্থিরতাও অনেক বেড়ে যায়। সন্তান কে নিয়মিত খাওয়া-দাওয়া, খেলা-ধূলা ও পড়াশুনার ব্যাপারে অনেক বেশী সিরিয়াস হয়ে যান মা। সন্তানের যখন একটু শরীর খারাপ করে তখন মায়ের অস্থিরতা অনেক বেড়ে যায়। সারারাত জেগে সন্তানের জন্য মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে প্রার্থনা করেন। নিজের কষ্ট কখনো তার সন্তান কে বুঝতে দেন না। সবসময় সন্তানের সুখের জন্য নিজের সুখ কে বিসর্জন দেন। আলøাহ্ এর নিকট থেকে পৃথিবীর প্রত্যেকটা সন্তানের জন্য ”মা” হচ্ছে একটি সর্বশ্রেষ্ঠ উপহার। কিন্তু আমাদের মা তো সে রকম নয়। তিনি কেবলই খুঁজেছেন তার নিজের সুখ। আমাদেরকে এতিম বানিয়ে চলে গেলেন অন্যের ঘরে।
কিন্তু কেন ? কি দোষ ছিলো আমাদের দু ভাই বোনের ? কিশের আশায়, কিশের লোভে তিনি আমাদেরকে অথৈ যন্ত্রণা নামক সাগলে ফেলে গেলেন।
আপনারা কি কেউ বলতে পারেন, আমাদেরকে জন্ম দানের পর তিনি যে অন্যের সান্নিধ্যে গেলেন, আমরা কাকে মা ডাববো ? কার ছায়াতলে ডানা মেলে নিজেদের পৃথিবী রচনা করবো ?
তিনি চলে গেলেন তো গেলেন, আমাদের সর্বস্ব নিজের কাছে কেন নিয়ে গেলেন ? আমরা কি করে খাচ্ছি, লেখা-পড়া করছি- তা জানারকি তার কোন দায় নেই। যদি থাকে, তা হলে সে দায়িত্¦ কে পালন করবে। আমার বাবা কাজ করবে, নাকি আমাদেরকে আগলে রাখবে ? তিনি যদি আমাদেরকে ঘিরেই বসে থাকেন তা হলে তো না খেয়েই আমাদেরকে মরতে হবে।
এবার উত্তর দাও মা, আমরা তোমায় কি নামে ডাকবো- মা মনি নাকি অন্য কিছু। আমরা তোমায় কতটুকু ভালবাসবো আর কতটুকু ঘৃণা করবো। শুধু তোমার কারণে আজ আমাদের দু ভাই বোনের জীবন অন্ধকারে নিমজ্জিত হতে চলেছে। এ দায়ভার তো তোমাকেই নিতে হবে। যদি না নাও দায়ভার তা হলেতো পরপারে মহান আলøাহ রাব্বুল আলামিনের কাঠ গড়ায় আমরা তোমাকে দায়ী করবো। দাড় করাবো আসামীর বেশে।
কথা দিয়েছিলে ঈদের পর আসবে। কই, আসলেনাতো-
বরং আমরা যখন তোমাকে দেখার জন্য নানা বাড়ি যেতাম, তোমার মা আমাদের নানী, তোমার বাবা, আমাদের নানা ভাই- আমাদেরকে আদর করে কাছে নেয়াতো দূরের কথা পারলে মেরে তাড়িয়ে দিতো। তুমিই বলো- আমাদের ভাই- বোনের কি অপরাধ। তুমি গর্ভে ধারণ না করলে কি আমরা এ পৃথিবীতে আসতে পারতাম ? মোটেই সম্ভব না।
আমরা স্কুলে গিয়েও তোমার এবং তোমার মায়ের অত্যাচারে শান্তি পাইনা। আমাদের বন্ধু-বান্ধবীরা আমাদেরকে ছি ছি করে। তোমার মা তো আমাদেরকে হুমকীই দিয়েছে, বলেছে যেন আমরা তোমাকে কখনো না খুঁজি।
সর্বশেষ বলতে চাই- তুমি যা করেছ, ভালই করেছ। আমরা তোমায় ঘৃণা করি। আমাদের ভাগ্যে যা আছে পরিণিতি তাই হবে। তবে- তুমি আমাদের যা অর্থ সম্পদ নিজের দখলে রেখেছ, তা ফিরিয়ে দাও। যেহেতু তুমি নতুন নাগরের বাড়িতে রয়েছো, সেহেতু আমাদের অর্থ-সম্পদ তোমার কাছে থাকাটা নিরাপদ নয়। কখোনই নয়, কাজেই দাও দাও আমাদের অর্থ সম্পদ ফিরিয়ে দাও।
আমার মায়ের হেন কর্মকান্ডে প্রিয় পাঠকগণ আপনারা বিব্রত হবেন না। কেননা- আমার মা খারাপ বলে জগতের সকল মা খারাপ নয়। আমি ও আমরা অন্য সকল মাকে জানাই শ্রদ্ধাঞ্জলি।
(মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)

টঙ্গীতে ৫১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩টি সড়কের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন
গাজীপুরে রথযাত্রা উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
কাপাসিয়ায় ইউএইচওর বদলি বাতিলের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু
পশুসহ ছিনতাইকৃত ট্রাক উদ্ধার সাহসিকতার পুরস্কার পেলেন ইন্সপেক্টর গোলাম মোস্তফা
টাইমস হায়ার এডুকেশন র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
টঙ্গীতে ছিনতাইকারী সন্দেহে গণপিটুনিতে যুবক নিহত 