ঝিনাইদহ ৬ উপজেলায় সরকারী বরাদ্দের বন্টন চলছে যেভাবে
জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহঃ
দক্ষিণাঞ্চালের অন্যতম জনবহুল ঝিনাইদহ জেলাতেও এ সকল ত্রান সামগ্রী ইতোমধ্যে পৌছে গেছে। ঝিনাইদহ সদর, হরিণাকুন্ডু, শৈলকুপা, কালীগঞ্জ, কোটচাঁদপুর ও মহেশপুর এ ৬ টি উপজেলা নিয়ে গঠিত এ জেলা। এ ত্রান সামগ্রী গুলো অসহায় মানুষের হাতে পৌছে দিতে সকল জনপ্রতিনিধি ও সরকারের কর্মকর্তারা দরিদ্র জনগোষ্টির হাতে পৌছে দিতে তালিকা চুড়ান্ত করতে ব্যাস্ত সময় কাটাচ্ছেন। ঝিনাইদহ জেলা দুর্যোগ ও ত্রান কর্মকর্তা বজলুর রশিদ জানান, ঝিনাইদহ জেলার জন্য এ পর্যন্ত মোট সরকারি বরাদ্দ পৌছেছে ৫’শ ২৮ মেট্রিক টন চাউল ও নগদ ১৪ লক্ষ ১৬ হাজার ৫’শ টাকা। এরমধ্যে ঝিনাইদহ সদর উপজেলাতে প্রথম দফায় ৫৯ মেট্রিক টন চাউল ও ১ লক্ষ টাকা দ্বিতীয় দফায় ২৯ মেট্রিক টন চাউল ও ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকাসহ মোট ৮৮ মেট্রিক টন চাউল এবং ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা পৌছেছে। শৈলকুপা উপজেলাতে প্রথম দফায় ৩৬ মেট্রিক টন চাউল ও ১ লক্ষ টাকা,দ্বিতীয় দফায় ১৪ মেট্রিক টন চাউল ও ১ লক্ষ ২৪ লক্ষ টাকাসহ মোট ৫০ মেট্রিক টন চাউল মোট ২ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা এসেছে। কালীগঞ্জ উপজেলাতে প্রথম দফায় ৩০ মেট্রিক টন দ্বিতীয় দফাতে ১১ মেট্রিক টন মিলে মোট ৪১ মেট্রিক টন চাউল এবং নগদ মোট ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা পৌছেছে। মহেশপুর উপজেলাতে প্রথম দফায় ৩২ মেট্রিক টন, দ্বিতীয় দফাতে ১২ মোট্রক টন মোট ৪৪ মোট্রক টন চাউল দু’দফা, নগদ মোট ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা পৌছেছে। হরিনাকুন্ড উপজেলাতে দু’দফা মিলে মোট ৩১ মেট্রিক টন চাউল ও নগদ ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা এছাড়াও কোটচাঁদপুর উপজেলাতে দু’দফা মিলে মোট ২২ মোট্রক টন চাউল ছাড়াও নগদ ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা পৌছেছে। যা বিতরনের জন্য সকল প্রক্রিয়া সম্পন্নের কাজ এগিয়ে চলেছে। ইতোমধ্যে ত্রান সামগ্রী কিছুকিছু বিতরনও শুরু হয়েছে। কালীগঞ্জ দায়িত্বে থাকা ত্রান ও দুর্যোগ কর্মকর্তা মাসুম বিল্লাহ জানান, এ পর্যন্ত আমরা কালীগঞ্জ উপজেলাতে সরকারি ভাবে ৩ মোট্রক টন চাউল ও ৫ হাজার টাকা বিতরন করেছি। যা চলমান রয়েছে। শৈলকুপা উপজেলা উপসহকারী প্রকৌশলী ও বর্তমান ত্রান ও দূর্যোগ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার মলয় বিশ্বাস জানান, এ উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নের প্রত্যেক টিতে ৩ টন করে চাউল ও নগদ ১০ হাজার করে টাকা দিয়েছেন। আর শৈলকুপা পৌরসভার জন্য ৪ টন চাউল ও ১ লক্ষ টাকা জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে বিতরন করা হচ্ছে। হরিনাকুন্ডু উপজেলা ত্রান ও দূর্যোগ কর্মকর্তা জামাল হোসেন জানান, এ পর্যন্ত তিনি পাওয়া ২৩ মেট্রিক টন চাল ও ১ লক্ষ টাকার মধ্যে এ পর্যন্ত ৪ মেট্রিক টন চাউল ও নগদ ৮০ হাজার টাকা বিতরন করেছেন বলে তিনি জানান। মহেশপুর ও কোটচাঁদপুর উপজেলার দায়িত্বে থাকা ত্রান কর্মকর্তা মেহেরুন্নেছা জানান, এ পর্যন্ত মহেশপুর উপজেলাতে হাতে পাওয়া ৮ মোট্রক টন চাউল ও নগদ ১ লক্ষ টাকার মধ্যে সব গুলোই বিতরন করে দিয়েছেন। এখনও অনেক প্রয়োজন হাতে আসলে আবার বিতরন করবেন। এছাড়াও কোটচাঁদপুর উপজেলাতে প্রাপ্ত ৭ মোট্রক টন চাউল ও নগদ ১ লক্ষ টাকার মধ্যে সব বিতরন করে দিয়েছেন। পরের বরাদ্দ আসলে আবার বিতরন করা হবে। তবে জেলা থেকে বরাদ্দ দেয়া ত্রানের সাথে মহেশপুর ও কোটচাদপুরের প্রাপ্তির হিসাবে ব্যাপক গরমিল রয়েছে। এ সম্পর্কে এ দুটি উপজেলাতে দায়িত্ব প্রাপ্ত মেহেরুন্নেছা জানান, আমি যতটুকু হাতে পেয়েছি ততটুকুর কথা জানালাম। তবে ঝিনাইদহ জেলা ত্রান ও দুর্যোগ কর্মকর্তা বজলুর রশিদ জানান, আগেই বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ফলে হাতে না পাওয়ার কোন কারণ দেখছি না।

বাজেটে ধনীদের আয়ে গরিবের ন্যায্য হিস্যা রাখা হয়েছে: রাশেদা হীরা
বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রতিমন্ত্রী
সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেপ্তার
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
টঙ্গীতে গার্মেন্টস কারখানা খোলে দেয়ার দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ
গাজীপুরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা অনুষ্ঠিত
গোপালগঞ্জে বালুবাহী ট্রাকসহ ভেঙে পড়ল ব্রিজ, আহত ৫
দেশের ১০ জেলায় চালু হচ্ছে আইসিইউ, জেলা হাসপাতালে মিলবে নিবিড় পরিচর্যা সেবা 