ডেমরায় পাঁচ জেএমবি নেতা গ্রেফতার
রাজধানীর ডেমরা এলাকা থেকে জেএমবির ময়মনসিংহ জেলা আমির হুযাইফা আকন্দ শাহিন ওরফে সিয়ামসহ পাঁচ জেএমবি নেতাকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। এরা দীর্ঘ দিন ধরে সক্রিয় ছিল। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বোমা তৈরীর সরঞ্জাম, ইমপ্রোভাইসড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইসসহ ও জিহাদী বই উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতার অন্য জঙ্গিরা হলেন- মোহাম্মদ ইয়াসিন আলী শফিক, মামুনুর রশিদ মামুন, আবুল হাসেম ওরফে হাসেম হাওলাদার ও শফিকুল ইসলাম।
জানা গেছে, র্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের একদল চৌকস কর্মকর্তা প্রযুক্তিগত অনসন্ধানের মাধ্যমে এসব জঙ্গির কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত হন। একপর্যায় গোয়েন্দা কর্মকর্তারা গত এক সপ্তাহ ধরে তাদের ওপর নজরদারি শুরু করেন। এ নজরদারির অংশ হিসেবে রোববার রাতে ডেমরা মাতুয়াইলের কাঠেরপুল বাঘবাড়ীতে অভিযান চালিয়ে জঙ্গিদের গ্রেফতার করা হয়।
রাতে র্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে জেএমবি নেতারা জানিয়েছে, ‘ঢাকাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তাদের হামলার পরিকল্পনা ছিল।’ তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকি সদস্যদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে র্যাব।
র্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান লে কর্নেল আবুল কালাম আজাদ বলেন, জঙ্গিরা বড় ধরনের নাশকতার মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির পাঁয়তারা করছিল। কিন্তু র্যাবের নজরদারি এবং অব্যাহত গোয়েন্দা তৎপরতায় তাদের নাশকতার বিষয়টি যেমন ধরা পড়ে, তেমনি হামলার মতো ঘটনাও এড়ানো সম্ভব হলো।
অভিযানে অংশ নেয়া র্যাবের কর্মকর্তারা জানান, গ্রেফতার জঙ্গিদের কাছ থেকে ইমপ্রোভাইসড এক্সপলোসিভ ডিভাইস, জিহাদী বই, বোমা তৈরীর সরঞ্জাম এবং তাদের কিছু কর্মপরিকল্পনা উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জঙ্গিরা স্বীকার করেছে, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসকে ঘিরে তারা সক্রিয় হচ্ছিল। এদিনে পাবলিক প্লেসে হামলার মাধ্যমে নিজেদের শক্তি জানান দিতে চেয়েছিল তারা।
র্যাবের জিজ্ঞাসাববাদে গ্রেফতার জেএমবি নেতা হুযাইফা স্বীকার করেছে, ২০০৬ সালে সে হিযবুত তাহরীরের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল। পরবর্তীতে হিযবুত তাহরীর সদস্যদের সঙ্গে মতাদর্শের মিল না হওয়ার কারণে সেখান থেকে বের হয়ে আসে। তবে হিযবুত তাহরীরের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত থাকে। জঙ্গি ইয়াছিন আলী স্বীকার করে, সে শফিক গার্মেন্টসে কাজ করার পাশাপাশি বিভিন্ন দৈনিক ও মাসিক পত্রিকা বিক্রি করে। আর এ কৌশলে সে গোপনে অনেক জিহাদী চেতনামূলক বই (কিতাবুল আমীন, তাওহীদের মুরশিদ, দুই শতাধিক ঈমামদের ফতোয়া, উন্মুক্ত তরবারী, দ্বীন কায়েমের পথ ইত্যাদি) বিলি করতো।
পাশাপাশি তাদের মতাদর্শে বিভিন্ন মানুষকে নিয়ে আসার জন্য দাওয়াতী কার্যক্রম পরিচালনা করে। বিভিন্ন পর্যায়ের নতুন যুবকদের জিহাদী বইগুলো দিয়ে নিয়মিত পড়ার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ দেয়ার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন স্থানে তাদের নিয়ে যেত। সে আরও জানায়, ঢাকাসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলা ও নাশকতার পরিকল্পনা করছিল। বিশেষ করে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে পরিকল্পনা ছিল হামলার। আর এ জন্য নিজেদের মধ্যে শহীদ হওয়ার শপথও নিয়েছিল তারা।

‘বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাই রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ’
গাজীপুরের শ্রীপুরে আনসার উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর
শিগগিরই দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নাগরিকদের আচরণগত পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ: ডিএসসিসি প্রশাসক
জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের সম্মানে স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
জুলাই অবমাননা: শাওন, মাহি ও ফারজানার বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় অভিযোগ
গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী মাওলানা ফজলুর রহমান
নভোএয়ারের ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, ঢাকায় জরুরি অবতরণ 