News Bangla 24 BD | ৭২ রাষ্ট্রপ্রধানের অর্থ পাচার ও কর ফাঁকির নথি ফাঁস - News Bangla 24 BD
News Head
 আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনো রেশনিং থাকছে না-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে ছন্দ হারায় বাংলাদেশ বাণিজ্যিকভাবে ব্রেইন চিপ ডিভাইসের অনুমোদন দিয়েছে চীন পপ তারকা টেইলর সুইফটই বিশ্বের সবচেয়ে ধনী গায়িকা পবিত্র ঈদুল ফিতর শেষে ফিরতি যাত্রার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হাতে মেহেদির টকটকে লাল রঙ থাকতেই শেষ বিদায় ইরানের আগামী সপ্তাহের মধ্যে কঠোর আঘাত হানা হবে-ডোনাল্ড ট্রাম্প টাঙ্গাইল সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৬ মেট্রিকটন চাল ট্রাক সহ লুটের চেষ্টা সংসদকে সকল যুক্তি তর্ক আর জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই-প্রধানমন্ত্রী

৭২ রাষ্ট্রপ্রধানের অর্থ পাচার ও কর ফাঁকির নথি ফাঁস


বিশ্বের শীর্ষ ধনী ও ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের কর ফাঁকি ও অর্থ পাচারসংক্রান্ত নথি ফাঁস হয়েছে। এই তালিকায় বিশ্বের বর্তমান ও প্রাক্তন ৭২ জন রাষ্ট্রপ্রধানও রয়েছেন।

পানামার আইনি প্রতিষ্ঠান মোসাক ফনসেকার এক কোটি দশ লাখ গোপন নথি কারা ফাঁস করেছে, তা জানা যায়নি। তবে এসব নথি প্রথমে জার্মানির দৈনিক সুদেস্ক জেইটাংয়ের হাতে আসে। পরে এগুলো সাংবাদিকদের সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টের (আইসিআইজে) কাছে পাঠায় পত্রিকাটি।

আইসিআইজের পরিচালক জেরার্ড রাইল বলেছেন, ‘আমি মনে করি অফসোর দুনিয়ার জন্য এই নথিগুলো সবচেয়ে বড় আঘাত বলে প্রমাণিত হতে যাচ্ছে।’

মোসাক ফনসেকা ৪০ বছর ধরে তার যেসব মক্কেলদের অর্থ পাচার, কর ফাঁকি এবং বিভিন্ন রকম নিষেধাজ্ঞা এড়াতে পরামর্শ দিয়েছে, তার সবগুলোই এসব নথির মধ্যে রয়েছে। নথিগুলো বিশ্লেষণ করে এখনো দেশের সম্পদ পাচার ও কর ফাঁকিতে জড়িত শীর্ষ ধনী ও ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের সবার নাম জানা সম্ভব হয়নি। তবে প্রাথমিকভাবে তালিকায় মিসরের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারক, লিবিয়ার মুয়াম্মার গাদ্দাফি ও সিরিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের নাম রয়েছে। এ ছাড়া অর্থ পাচারের সঙ্গে রাশিয়ার একটি ব্যাংক ও প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী জড়িত বলে ওই নথিতে দেখা গেছে। কয়েক শ কোটি ডলার রাশিয়া থেকে পাচারের ক্ষেত্রে ব্যাংক অব রোশিয়া অফসোর কোম্পানির সঙ্গে কীভাবে কাজ করেছে, তা ওই সব নথিতে উঠে এসেছে। এই ব্যাংকটির মালিক পুতিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু সের্গেই রলদুগিন। এসব নথির একটিতে দেখা গেছে, রলদুগিন ব্যক্তিগতভাবে সন্দেহজনক লেনদেন ও চুক্তির মাধ্যমে কয়েক কোটি ডলার মুনাফা করেছেন।

এদিকে মোসাক ফনসেকার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোনো প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই তারা ৪০ বছর ধরে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ