News Bangla 24 BD | ভারতে প্রকৌশল বিদ্যায় স্নাতকদের ৬০ ভাগই বেকার - News Bangla 24 BD
News Head
 ঢাকা শহরে যানজট নিরসনে ১১টি প্রস্তাবনা যুক্তরাষ্ট্র ইরানি প্রতিনিধিদের আস্থা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে-ইরানের স্পিকার পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড উদ্বোধন প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ আর নেই দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই-সেতুমন্ত্রী টাঙ্গাইল জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির তিন সদস্যকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি প্রত্যাহার-শিক্ষামন্ত্রী সাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরি কমিশন-ইউজিসির চেয়ারম্যান রদবদল আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনো রেশনিং থাকছে না-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ

সমগ্র ভারতের বিভিন্ন কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিবছর প্রকৌশল বিদ্যায় স্নাতক সম্পন্ন করা আট লাখ শিক্ষার্থীর অন্তত ৬০ ভাগই বেকার থাকছেন। ‘অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল ফর টেকনিক্যাল এডুকেশন’ (এআইসিটিই) এ তথ্য জানিয়েছে।

এসব শিক্ষার্থীর মাত্র এক ভাগেরও কম গ্রীষ্মকালীন ইন্টার্নশিপ করছেন এবং ন্যাশনাল বোর্ড অব অ্যাকরিডেশনের (এনবিএ) মাধ্যমে দেশের ৩২০০ প্রতিষ্ঠানের মাত্র ১৫ ভাগে প্রকৌশল কোর্সে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছেন।

সারাদেশে কারিগরি শিক্ষার মানের এ তারতম্যের কারণে স্নাতক শেষ করলেও বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী চাকরির যোগ্য হয়ে উঠছেন না। ফলে এ অবস্থা বদলাতে ভারতের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয় (এমএইচআরডি) ভারতের কারিগরি শিক্ষা ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

এর অংশ হিসেবে ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একক জাতীয় ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করতে যাচ্ছে দেশটি। এছাড়া কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বাৎসরিক প্রশিক্ষণ ও নির্ধারিত শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক এবং নির্ধারিত সময়েই পাঠ্যসূচি শেষ করানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এমএইচআরডির এক সিনিয়র কর্মকর্তার মতে, প্রকৌশলের ভর্তি পরীক্ষা ‘এনইইটিআই’ এরপর থেকে ‘ন্যাশনাল টেস্টিং সার্ভিস’ (এনটিএস) কর্তৃক পরিচালিত হবে, যা হবে সম্পূর্ণ কম্পিউটারনির্ভর। ২০১৮ সালের শুরুতে এই দায়িত্বের সঙ্গে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষাও ‘এনইইটি’ সম্পাদন করবে এনটিএস। এসব পরীক্ষা বছরে একাধিবার অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে সূত্র। এছাড়া এনটিএস দেশের আইআইটির ভর্তি পরীক্ষাও পরিচালনা করবে।

এ পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রকৌশলের প্রথম পরীক্ষা ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বা ২০১৮ এর জানুয়ারিতে, দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা মার্চে এবং শেষ ধাপের পরীক্ষা মে মাসে অনুষ্ঠিত হবে।

এআইসিটিই দেশটির কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নের যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, এতে করে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের হার ৪০ থেকে ৬০ ভাগে উন্নীত করা সম্ভব হবে। এছাড়া ৭৫ ভাগ শিক্ষার্থীর ইন্টার্নশিপেরও ব্যবস্থা হবে।

এদিকে, এআইসিটিইর লক্ষ্য ২০২২ সালের মধ্যে এনবিএর মাধ্যমে কারিগরি প্রতিষ্ঠানের ৫০ ভাগ কোর্স প্রোগ্রাম চালু করা। আরও রয়েছে, এমএইচআরডি স্বীকৃত কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে একক ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী বাছাই করা এবং অন্য সব প্রতিষ্ঠান বা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি বাতিল করা।

কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি বছর পাঠ্যসূচিতে উপযুক্ত পরিবর্তন আনতে হবে এবং পরবর্তী শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই ডিসেম্বরে তা শেষ করতে হবে।

এরইমধ্যে এআইসিটিই দেশের সবগুলো প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত উদ্যোগ বাস্তবায়নে কর্মপরিবল্পনা প্রণয়ন ও যথাযথ অর্থায়নের মাধ্যমে ২০১৭ সালের জুনের মধ্যে পরিকল্পনার লক্ষ্য অর্জনের কথা জানিয়েছে

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ