News Bangla 24 BD | স্মৃতিশক্তি বাড়াতে চান?
News Head
 বাড়লো ২ উপদেষ্টার দায়িত্ব, মন্ত্রণালয় কমলো ৮ প্রতিমন্ত্রীর,  জিলাপিতে নিষিদ্ধ হাইড্রোজ ব্যবহার: মির্জাপুর বাজারের স্বপন মিষ্টান্নে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা দালালদের নিয়ন্ত্রণে গাজীপুর মহানগর ভূমি অফিস, সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই গাজীপুরে বিদেশী মদ সহ ২ জন গ্রেফতার গাজীপুরে পুলিশের অভিযানে ফুটপাত দখলমুক্ত হলেও গ্রেফতার হয়নি চাঁদাবাজরা বৈশ্বিক মান অনুযায়ী দেশের শ্রম আইন সংস্কারের নির্দেশ– প্রধান উপদেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকারকে দ্রুত নির্বাচন দিয়ে বিদায় নেওয়ার আহ্বান – মাহমুদুর রহমান মান্না। স্মৃতিতে গাজীপুর ৪ ডিসেম্বর ২০১৩ তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মোদি পুলিশকে গুলি করে হত্যায় কনস্টেবল কাউসার ৭ দিনের রিমান্ডে

তর্কে মেতে উঠেছেন বন্ধুর সঙ্গে। মোক্ষম একটা যুক্তি আছে আপনার হাতে। কিন্তু যেই না সেটা মাথা থেকে বের করতে গেলেন, অমনি স্মৃতি আপনার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে বসল! কিছুই যে মনে পড়ছে না! মাথা চুলকিয়ে, আকাশ-পাতাল ভেবেও কোনো লাভ হচ্ছে না। বন্ধুর মুখে কটাক্ষের হাসি। সেই মুহূর্তে কেমন লাগবে আপনার? এককথায় ভীষণ বিব্রতকর এই অভিজ্ঞতা। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই এমন সমস্যার মুখোমুখি হন। কম বয়সেও এমনটা হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু এমন হয়? কেন আপনি অনেক কিছুই সহজে মনে রাখতে পারেন না? স্মৃতিশক্তি বাড়াতে মগজের কিছু ব্যায়াম আছে। চর্চা করে দেখুন, ‘গোল্ডফিশ’ তকমা ঘুচতে কতক্ষণ!

নিজেকে একটা গল্প বলুন
যে বিষয়টা মনে রাখতে চান, সেটা নিয়ে একটা গল্প ফাঁদুন। যে গল্পে থাকবে ঘটনাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থান, কাল ও পাত্ররা। ধরা যাক, একটা ঠিকানা মনে রাখতে চান। ঠিকানাটি হলো ১৯/২, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা। তাহলে আপনার গল্পটি হয়তো হতে পারে এ রকম: ১৯ বসন্ত পার করা দুই তরুণ একদিন একটা শেওড়াগাছের নিচে গেল। গিয়ে ভূত দেখবে কী, তার বদলে দেখল, সেখানে একটা সাইনবোর্ডে লেখা, ঢাকার চেয়ে মিরপুর বড়!
গানে গানে মনে করুন
আমাদের মস্তিষ্ক গান বা ছড়াবান্ধব! গান ও ছড়ায় যে গল্প বা তথ্য থাকে, আমাদের মস্তিষ্ক সেটা মনে রাখে সহজেই। গবেষণায় দেখা গেছে, পরিচিত একটি গান আমাদের মস্তিষ্কের কাছে ‘মানসিক চলচ্চিত্র’ হিসেবে ধরা দেয়। তাই প্রিয় একটা গানের সুর ঠিক রেখে নিজের মনের কথাগুলো বসিয়ে নিন। পরে যখন বিষয়টি মনে করার চেষ্টা করবেন, তখন গানটা গুনগুনিয়ে গেয়ে দেখুন, সব মনে পড়বে! একটি উদাহরণ দেওয়া যাক। আপনাকে হয়তো বাজার থেকে পেঁয়াজ, মরিচ, লবণ, পান, খয়ের, চুন, পুঁটি মাছ, কয়েল ও বনরুটি আনতে বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে গান হিসেবে বেছে নেওয়া হলো এটা, ‘আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে, এ জীবন পুণ্য করো দহন-দানে…’। গানের সুর ঠিক রেখে কথা বসালে যা দাঁড়াতে পারে, ‘পেঁয়াজের মরিচ-খনি লবণ পানে, এ খয়ের চুন্য পুঁটি কয়েল বানে…’। চাইলেই আপনি একটা কাগজে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের নাম লিখে নিয়ে বাজারে যেতে পারেন। সেটা না করে গানের সুরে সেগুলোর নাম বসিয়ে গাইলে কিন্তু মাথার ব্যায়াম হবে!
জোরে জোরে উচ্চারণ করুন
বই নিয়ে পড়তে বসেছেন, কিন্তু কোনো শব্দ নেই। পাশের ঘর থেকে বাবা বা রান্নাঘর থেকে মা হয়তো চেঁচিয়ে উঠলেন, ‘পড়ছিস না ঘুমাচ্ছিস?’ ছেলেবেলায় পড়তে বসে এমন অভিজ্ঞতা কার না হয়েছে! আপনি পড়ছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য মা-বাবারা হয়তো জোরে জোরে পড়তে বলতেন। কিংবা তাঁরা জেনেবুঝেই বলতেন জোরে পড়তে। কারণ, একটা কিছু পড়ার সময় জোরে জোরে উচ্চারণ করলে সেটা আমাদের কান দিয়ে মস্তিষ্কে পৌঁছায়। এর ফলে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত থাকে ওই একটি বিষয়েই। আর তথ্যগুলো মনে থাকে বেশ সহজেই। এই নিয়মটা ‘বুড়ো’ বয়সেও মেনে চলুন, কাজে দেবে।
মনে মনে ছবি আঁকুন
এটা অনেকটা গল্প দাঁড় করানোর মতোই। কোনো কিছু মনে রাখতে চাইলে বিষয়টির একটা ছবি আঁকতে পারেন মনে মনে। বিষয়-সংশ্লিষ্ট মানুষ, স্থানের বর্ণনা থাকতে পারে সেই ছবিতে। মোটকথা, সেটা যেন ‘স্মৃতি-মানচিত্র’ হিসেবে কাজ করে। যেমন ধরা যাক, আপনি তিন দিন পর একজনের সঙ্গে দেখা করবেন। দেখা করার জায়গাটি হবে আপনার শহরের একটি রেস্তোরাঁয়। সে ক্ষেত্রে যার সঙ্গে দেখা করার কথা, তার চেহারার উল্লেখযোগ্য দিক, রেস্তোরাঁটির বিশেষত্ব, ওই এলাকার দর্শনীয় কিছু থাকতে পারে সেই ছবিতে। এমনকি চাইলে সেটার সঙ্গে বিষয়-সংশ্লিষ্ট ঘ্রাণ, রং বা যেকোনো কিছু গেঁথে রাখতে পারেন মাথার ভেতরে।

সূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ