News Bangla 24 BD | নির্বাচনে জিততে পাঁচটি কৌশল নিয়েছিলেন ট্রাম্প - News Bangla 24 BD
News Head
 সংসদকে সকল যুক্তি তর্ক আর জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই-প্রধানমন্ত্রী গাজীপুরে পুলিশের অভিযানে পলাতক আসামীসহ ৩৩ আটক বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হলো হোয়াটসঅ্যাপ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতে সহজ ও কার্যকরী কাজ জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ আততায়ীর গুলি.অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন আগামী ১৮ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট সাধারণ ছুটি ঘোষণা আগামীকাল বৃহস্পতিবার সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ আজ বুধবার ক্ষমতাসীন দল বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠক ঈদুল ফিতরের আগে বুধ ও বৃহস্পতিবার তৈরি পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা খোলা

নির্বাচনে জিততে পাঁচটি কৌশল নিয়েছিলেন ট্রাম্প


এক সময় ধারণা করা হয়েছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মনোনয়ন দেবে না রিপাবলিকান পার্টি। কিন্তু সেই ধারণাকে মিথ্যা প্রমাণিত করে তিনি মনোনয়ন পেলেন। এমনকি তিনি নির্বাচনী দৌড়ে শেষ পর্যন্ত থাকবেন কিনা সেটা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল, কিন্তু সেই সব ধারণাকে মিথ্যা প্রমাণ করলেন ট্রাম্প। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বেলা শেষে তিনিই মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন। অনেকের কাছে অনাকাঙ্ক্ষিত এই জয়ের পেছনের কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছে বিবিসি।

এক প্রতিবেদনে বিবিসি বলছে, নির্বাচনে জিততে তিনি পাঁচটি কৌশল নিয়েছিলেন। এগুলো হলো- শ্বেত জোয়ার, রাজনীতিতে বহিরাগত হয়েও কাউকে পাত্তা না দেয়া, বিতর্ক ও কেলেঙ্কারির পরেও নিজের কথায় অবিচল থাকা, হিলারির মেইল নিয়ে এফবিআই পরিচালক জেমস কোমির তৎপরতা ও নিজের ধারণার উপর অবিচল আস্থা। আর এ সব কারণেই ট্রাম্প কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পান বলে মনে করা হচ্ছে।

শ্বেত জোয়ার
মূলত কালো ও শ্রমিক শ্রেণীর সাদা ভোটারদের উপর ভিত্তি করে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপশ্চিমাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে কয়েক দশক ধরে গেঁড়ে বসেছিল ডেমোক্র্যাটরা। ওই সব সাদা শ্রমিকরা ট্রাম্পকে ভোট দিয়েছেন। এছাড়া ভোট পড়েছে বেশি গ্রামীণ মানুষের। কারণ এই সব আমেরিকান যারা কায়েমি শক্তির কাছে উপেক্ষিত বোধ করেছে।

রাজনীতিতে বহিরাগত
ট্রাম্প ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে শুধু নয় নিজের দলে যারা ক্ষমতাসীন তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন। এমনকি হাউজ স্পিকার থেকে শুরু করে দলে বাকি নেতাদেরও সহায়তা লাগেনি তার। তার এমন দৃঢ়তাই হয়তো তাকে জিতিয়েছে।

পাত্তা না দেয়া
কোন কথায় পাত্তা না দেয়ার এই মনোভাব ট্রাম্পের স্বাতন্ত্র্য ও বহিরাগত অবস্থান প্রকাশ করেছে। এই মনোভাব ডেমোক্র্যাট বার্নি স্যান্ডার্স ও টেড ক্রজের মতো আরো কয়েকজন রাজনৈতিক ধরতে পেরেছিলেন। কিন্তু হোয়াইট হাউজ পর্যন্ত যাওয়ার জন্য ট্রাম্প ছাড়া আর কেউ এটাকে কাজে লাগাতে পারেনি।

বিতর্ক সৃষ্টিতে ট্রাম্প
নারীদের প্রতি নিজের অভদ্রোচিত যৌন আগ্রহের বিষয়ের বিতর্ক তার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। সম্ভবত এসব বিভিন্ন বিতর্কের ক্ষেত্রে তিনি এতো শক্ত ও দ্রুত এসেছে যে সেগুলো রক্তক্ষরণের সুযোগ পায়নি। কারণ ট্রাম্পের ব্যক্তিত্ব ও আবেদন এতোটাই জোরালো ছিল, ওই সব কেলেঙ্কারি তার গায়ে বাড়ি খেয়ে ফিরে গেছে। তিনি সব ক্ষেত্রেই ছিলেন অবিচল।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ