News Bangla 24 BD | হারের জন্য এফবিআই প্রধানকে দুষলেন হিলারি - News Bangla 24 BD
News Head
 সংসদকে সকল যুক্তি তর্ক আর জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই-প্রধানমন্ত্রী গাজীপুরে পুলিশের অভিযানে পলাতক আসামীসহ ৩৩ আটক বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হলো হোয়াটসঅ্যাপ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতে সহজ ও কার্যকরী কাজ জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ আততায়ীর গুলি.অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন আগামী ১৮ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট সাধারণ ছুটি ঘোষণা আগামীকাল বৃহস্পতিবার সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ আজ বুধবার ক্ষমতাসীন দল বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠক ঈদুল ফিতরের আগে বুধ ও বৃহস্পতিবার তৈরি পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা খোলা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে নিজের হারের জন্য এফবিআই প্রধান জেমস কোমিকে দায়ী করেছেন হিলারি ক্লিনটন। খবর বিবিসির।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের মাত্র এক সপ্তাহ আগে তার ই-মেইল নিয়ে আবার তদন্তের হঠাৎ ঘোষণা নির্বাচনী প্রচারণার শক্তি নষ্ট করে দিয়েছিল।’

ডেমোক্র্যাটিক পার্টির দাতাদের সঙ্গে হিলারি ক্লিনটনের ফাঁস হওয়া এক টেলিফোন আলাপ থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন হিলারি ক্লিনটন রাষ্ট্রীয় তথ্য আদান-প্রদানে ব্যক্তিগত ই-মেইল সার্ভার ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

২০১৫ সালে প্রথম তার বিরুদ্ধে অভিযোগটি উঠলেও তদন্তের পর গুরুতর কিছু পাওয়া যায়নি বলে এফবিআই জানিয়েছিল। এ কারণে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না আনার সিদ্ধান্ত নেয় সংস্থাটি।

তবে নির্বাচনের মাত্র ১০ দিন আগে জেমস কোমি কংগ্রেসকে জানান- তিনি নতুন কিছু ই-মেইলের সন্ধান পেয়েছেন এবং সেগুলো নিয়ে আবার তদন্ত করবেন।

এছাড়া নির্বাচনের মাত্র দু’দিন আগে আবারো এক চিঠিতে জানিয়েছিলেন, গুরুতর কিছু পাওয়া যায়নি বলে তিনি তার পূর্ববর্তী অবস্থানেই ফিরে যাচ্ছেন।

রিপাবলিকান পার্টির সমর্থকেরা অবশ্য অনেকেই বলছিলেন হিলারি ক্লিনটনকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সহায়তা দেয়া হচ্ছে, যাতে তার বিরুদ্ধে কোনো তদন্ত না হয়।

প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসনে ২০০৯ থেকে ১৩ সাল পর্যন্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন হিলারি ক্লিনটন। মঙ্গলবার নির্বাচনে হারের পর থেকে তাকে প্রকাশ্যে খুব একটা দেখা যাচ্ছে না।

তবে নির্বাচনের আগমুহূর্তে ই-মেইল কেলেঙ্কারির বিষয়টি আবার উঠে আসার কারণে হিলারি ক্লিনটনের ওপর আমেরিকানদের বিশ্বাসের ঘাটতি তৈরি হয়েছিল বলে বিশ্লেষকেরা মনে করেন। এই ঘটনাটি অনেক ভোটারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে, বলে তারা বলছেন।

হিলারি ক্লিনটন বলেছেন, জেমস কোমির এসব অভিযোগের পর প্রচারণার গতি বরং আরো বাড়িয়ে দেয়া উচিত ছিল।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ