News Bangla 24 BD | স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ মামলায় পাঁচজনের যাবজ্জীবন
News Head
 বাড়লো ২ উপদেষ্টার দায়িত্ব, মন্ত্রণালয় কমলো ৮ প্রতিমন্ত্রীর,  জিলাপিতে নিষিদ্ধ হাইড্রোজ ব্যবহার: মির্জাপুর বাজারের স্বপন মিষ্টান্নে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা দালালদের নিয়ন্ত্রণে গাজীপুর মহানগর ভূমি অফিস, সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই গাজীপুরে বিদেশী মদ সহ ২ জন গ্রেফতার গাজীপুরে পুলিশের অভিযানে ফুটপাত দখলমুক্ত হলেও গ্রেফতার হয়নি চাঁদাবাজরা বৈশ্বিক মান অনুযায়ী দেশের শ্রম আইন সংস্কারের নির্দেশ– প্রধান উপদেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকারকে দ্রুত নির্বাচন দিয়ে বিদায় নেওয়ার আহ্বান – মাহমুদুর রহমান মান্না। স্মৃতিতে গাজীপুর ৪ ডিসেম্বর ২০১৩ তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মোদি পুলিশকে গুলি করে হত্যায় কনস্টেবল কাউসার ৭ দিনের রিমান্ডে

স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ মামলায় পাঁচজনের যাবজ্জীবন


হাইকোর্টের নির্দেশে গাজীপুরে স্থানান্তরিত টাঙ্গাইলের মধুপুরে এক ছাত্রীকে গণধর্ষণ মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দ জাহেদ মনসুর নারীসহ ৫ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রায় ঘোষণার সময় ধর্ষকদের সহযোগী এক নারীসহ ৫ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল থানার মোগলপাড়া গ্রামের আ. রশিদের মেয়ে বিথী আক্তার ওরফে ইভা (২২), কালিহাতি থানার আউশনারা বোকরেবাইদ গ্রামের মৃত আব্দুর আজিজের ছেলে এসএম নূরুজ্জামান ওরফে গেদা (৪৫), একই থানার কুটিবাড়ি গ্রামের মো. গাজীবুর রহমানের ছেলে মো. হারুন অর রশীদ ওরফে হারুন (৩১), একই থানার জটাবাড়ি পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত আয়েজ উদ্দিনের ছেলে মো. শাহজাহান আলী ওরফে শাহজাহান ও টাঙ্গাইলের মধুপুর থানার বোলালী মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত হাজী ওমেদ আলী সরকারের ছেলে মনিরুজ্জামান ওরফে মনি। রায়ে একই সঙ্গে আসামিদের এক লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
গাজীপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি মো. ফজলুল কাদের জানান, ২০১২ সালের ৬ ডিসেম্বর আসামি বিথী আক্তার ইভা তার মামাত বোনের বিয়েতে ভিকটিম বান্ধবীকে নিয়ে যায়। পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ভিকটিমকে বিথী আসামি নুরুজ্জামান হারুন অর রশিদ, শাহজাহান ও মনিরুজ্জামানের হাতে তুলে দেয়। পরে এসএম নুরুজ্জামান গেদার বাড়িতে তারা ভিকটিমকে আটকে রেখে চার দিন পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে ধর্ষণে সহায়তাকারী আসামি বিথী আক্তার ইভা অসুস্থ ভিকটিমকে তার বাড়ির কাছে রেখে পালিয়ে যায় এবং ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ করলে ছুরি দিয়ে হত্যা করবে বলে তাকে ভয় দেখায়। এতে ভিকটিম আতঙ্কিত হয়ে ঘটনাটি লুকানোর চেষ্টা করে প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়। পরে ভিকটিম বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নেন। এ ঘটনায় ভিকটিমের ভাই ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর টাঙ্গাইলের মধুপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ