জাবিত উপাচার্যের আশ্বাসে ছাত্রজোটের আন্দোলন প্রত্যাহার পুনরায় ভর্তি কার্যক্রম শুরু
সাগর কর্মকার: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) মাননীয় উপাচার্য ড. ফারজানা ইসলামের আশ্বাসে প্রগতিশীল ছাত্রজোট “বিভাগ উন্নয়ন ফি” বাতিলের চলমান আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিয়েছে। আন্দোলন প্রত্যাহারের পর ভর্তি কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে।
রবিবার দুপুড় ১২ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিসের সামনে প্রগতিশীল ছাত্রজোট পুনরায় উন্নয়ন ফি বাতিলের দাবিতে অবরোধ কর্মসূচি সক্রিয় হয়ে উঠলে উপাচার্য সেখানে উপস্থিত হন।
উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভাগ উন্নয়ন ফি না নেওয়ার ব্যাপারে বিভাগীয় সভাপতিদের সাথে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বিভাগ উন্নয়ন ফি থাকার কারণ হলো আসলে রাষ্ট্র বিশ্ববিদ্যালযের জন্য যে পরিমাণ বাজেট দেয় তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। শিক্ষার্থীদের সুষ্ঠ পড়াশোনার কল্যাণের কথা চিন্তা করে এবং বাজেট ঘাটতি দূর করতেই আমাদেরকে বিভাগ উন্নয়ন ফি নিতে হয়। আগামী বছর থেকে এটি যেনো রাষ্ট্রের কাছ থেকেই আদায় করা যায় সে বিষয়ে আমরা চেষ্টা করবো।”
উপাচার্যের আশ্বাস পেয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবন অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেয়।
উল্লেখ্য, জাবিতে ১ম বর্ষে ভর্তির মেধাতালিকা থাকা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ভর্তি ফি ছাড়াও আলাদা করে নেয়া হচ্ছে বিভাগ উন্নয়ন ফি। যার পরিমাণ ছিল ৫-১০ হাজার টাকা। পরবর্তীতে আন্দোলনের মুখে প্রশাসন এর পরিমাণ সর্বোচ্চ ৮ হাজার টাকা ঘোষণা করে। কিন্তু এই ফি অবৈধ দাবি করে তা সম্পূর্ণ বাতিলের দাবিতে গত ৫ ডিসেম্বর থেকে আন্দোলন চালিয়ে আসছিল প্রগতিশীল ছাত্রজোট। তারই অংশ হিসেবে রবিবার সকাল ৯টা থেকে প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করেন তারা।
এদিকে উপাচার্যের আশ্বাসে অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিলেও ভিন্ন আঙ্গিকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে প্রগতিশীল ছাত্রজোট। ছাত্রজোটের পক্ষ থেকে ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সভাপতি দীপাঞ্জন সিদ্ধান্ত কাজল বলেন, “পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীর ব্যয়ভার রাষ্ট্রকেই নিতে হবে। বিভাগের উন্নয়নের টাকাও রাষ্ট্রকেই বহন করতে হবে। আমরা আপাতত আমাদের অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করছি। তবে যতদিন পর্যন্ত এই অবৈধ ফি নেয়া বন্ধ না হবে ততদিন আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো।

ববিতে আসন বেড়েছে ৫০টি, থাকছে না জিপিএ নম্বর
সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা শিথিল
আগামী ৬ নভেম্বর এইচএসসি পরীক্ষা
স্কুল ও কলেজের সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন
আবদুল গাফফার চৌধুরী আমাদের অনুপ্রেরণা হয়ে বেঁচে রইবেন: উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান
সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার সময় নির্ধারণ
রোজায় সব স্কুল-কলেজ খোলা থাকছে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত
আগামী ২০ মার্চ থেকে প্রাক-প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু 