News Bangla 24 BD | বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধি : আবারও সময় পেল সরকার
News Head
 বাড়লো ২ উপদেষ্টার দায়িত্ব, মন্ত্রণালয় কমলো ৮ প্রতিমন্ত্রীর,  জিলাপিতে নিষিদ্ধ হাইড্রোজ ব্যবহার: মির্জাপুর বাজারের স্বপন মিষ্টান্নে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা দালালদের নিয়ন্ত্রণে গাজীপুর মহানগর ভূমি অফিস, সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই গাজীপুরে বিদেশী মদ সহ ২ জন গ্রেফতার গাজীপুরে পুলিশের অভিযানে ফুটপাত দখলমুক্ত হলেও গ্রেফতার হয়নি চাঁদাবাজরা বৈশ্বিক মান অনুযায়ী দেশের শ্রম আইন সংস্কারের নির্দেশ– প্রধান উপদেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকারকে দ্রুত নির্বাচন দিয়ে বিদায় নেওয়ার আহ্বান – মাহমুদুর রহমান মান্না। স্মৃতিতে গাজীপুর ৪ ডিসেম্বর ২০১৩ তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মোদি পুলিশকে গুলি করে হত্যায় কনস্টেবল কাউসার ৭ দিনের রিমান্ডে

নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করতে সরকারকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

এই সময়ের মধ্যে শৃঙ্খলা বিধিমালার গেজেট জারি করে তা আদালতে দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনে মঞ্জুর করে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন ৭ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আজ সকালে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম গেজেট না নিয়েই আপিল বিভাগে হাজির হন। আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে তিনি গেজেট জারির জন্য মৌখিকভাবে আরো এক মাস সময় প্রার্থনা করেন।

আদালত বলেন, আপনি মৌখিকভাবে সময় প্রার্থনা করেছেন। কিন্তু কোনো লিখিত আবেদন আমরা দেখতে পাচ্ছি না।

এ পর্যায়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, আবেদনে কী লিখব বুঝতে পারছি না। আদালত বলেন, সরকার আপনাকে কী উপদেশ দিয়েছে সেটা তো আমরা বলতে পারব না। আর মৌখিকভাবে যে সময় চেয়েছেন এটি মঞ্জুর করা যাবে না। লিখিত সময় আবেদন নিয়ে আসুন।

এরপর বিরতির পর বেলা সাড়ে ১১টায় অ্যাটর্নি জেনারেল লিখিতভাবে সময় আবেদন আদালতে দাখিল করেন।

পরে আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে পরবর্তী দিন ধার্য করে দেন।

এর আগেও গেজেট প্রকাশে কয়েক দফা সময় নেয় সরকার।

নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়ন না করায় আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে ১২ ডিসেম্বর তলবও করেন আপিল বিভাগ।

গত বছরের ৭ নভেম্বর বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা ২৪ নভেম্বরের মধ্যে গেজেট আকারে প্রণয়ন করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ।

১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাসদার হোসেন মামলায় ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেওয়া হয়। ওই রায়ের আলোকে নিন্ম আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ