News Bangla 24 BD | চেহারাও যৌতুকের ‘কারণ’ - News Bangla 24 BD
News Head
 আগামীকাল বৃহস্পতিবার সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ আজ বুধবার ক্ষমতাসীন দল বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠক ঈদুল ফিতরের আগে বুধ ও বৃহস্পতিবার তৈরি পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা খোলা বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান যিনিই আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উত্তরসূরি হবেন তাকেই হত্যা করা হবে বলে -ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালেদা জিয়া ছিলেন সাহসের অনুপ্রেরণা-ডা. জুবাইদা রহমান প্রথম দেখায় নিকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হন প্রিয়াঙ্কা নারী বিপিএল আয়োজন চূড়ান্ত-বিসিবি ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’র পুরস্কার পেলেন খালেদা জিয়াসহ ৬ নারী গাজীপুরে জিয়া পরিষদের উদ্যোগে গণতন্ত্র পূনরুদ্ধারে খালেদা জিয়ার অবদান শীর্ষক আলোচনা দোয়া ও ইফতার

মেয়েরা ‘অসুন্দর’ হলে পণের দাবিও বাড়ে। ভারতের মহারাষ্ট্র প্রদেশে স্কুলের পাঠ্যপুস্তকে এমন মন্তব্য নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। ওই পাঠ্যপুস্তকে লেখা হয়েছে, যদি মেয়েরা কুৎসিত বা শারীরিক প্রতিবন্ধী হয় তাহলে তার বিয়ে দেয়া কঠিন হয়ে যায়। এমন মেয়েদের বিয়ে করতে হলে অনেক ক্ষেত্রে পাত্রপক্ষ বেশি পণ দাবি করে বসে। খবর বিবিসির।

বিতর্কিত ওই অনুচ্ছেদটি বই থেকে সরিয়ে নেয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে বইয়ের ওই বিতর্কিত অনুচ্ছেদটি ইতোমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে।

অনেকেই বলছেন, পাঠ্যপুস্তকে এ ধরনের মন্তব্য ভারতীয় সমাজের কুপ্রথাগুলোর অবসানে মোটেও সাহায্য করবে না। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে বিয়ের সময় পণ লেনদেনের প্রথা শত শত বছর ধরে চলে আসছে। পণ হিসেবে মেয়েদের পরিবার পাত্রপক্ষকে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, দামি জামাকাপড়, আসবাবপত্রসহ অনেক কিছু দিয়ে থাকে।

ভারতে পণ দেওয়া-নেওয়া ১৯৬১ সালেই আইন করে নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছে। তবে ভারতীয় সমাজে তা পুরোপুরি বন্ধ করা যায়নি। যারা পণপ্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছেন তাদের মতে, পণপ্রথার শিকার বহু নারীকে শ্বশুর বাড়িতে সহিংসতার শিকার হতে হচ্ছে। এমনকি অত্যাচারে জর্জরিত হয়ে অনেক সময় এসব অসহায় নারীর মৃত্যুও হচ্ছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ