News Bangla 24 BD | নামের কারণে বিমানবন্দরে আটক মার্কিন পুলিশ প্রধান - News Bangla 24 BD
News Head
 বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান যিনিই আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উত্তরসূরি হবেন তাকেই হত্যা করা হবে বলে -ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালেদা জিয়া ছিলেন সাহসের অনুপ্রেরণা-ডা. জুবাইদা রহমান প্রথম দেখায় নিকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হন প্রিয়াঙ্কা নারী বিপিএল আয়োজন চূড়ান্ত-বিসিবি ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’র পুরস্কার পেলেন খালেদা জিয়াসহ ৬ নারী গাজীপুরে জিয়া পরিষদের উদ্যোগে গণতন্ত্র পূনরুদ্ধারে খালেদা জিয়ার অবদান শীর্ষক আলোচনা দোয়া ও ইফতার সংসদের খারাপ সংস্কৃতি মানুষের মন থেকে আমরা মুছে দেবো- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সারা দেশের পেট্রোল পাম্পগুলোয় মিলছে না তেল, গাড়ি আর মোটরসাইকেলের উপচে পড়া ভিড়। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ

নামের কারণে বিমানবন্দরে আটক মার্কিন পুলিশ প্রধান


যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের আলেকজান্দ্রিয়া পুলিশের প্রধান ও উপপ্রধান ছিলেন হাসান অ্যাডেন।

কিন্তু ‘হাসান’ নামের কারণে তাকে আটক করে বিমানবন্দরের একটি কক্ষে দেড় ঘন্টা বন্দি করে রাখার ঘটনা ঘটিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস ও সীমান্তরক্ষা কর্মকর্তারা।

চলতি মার্চ মাসের শুরুতে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা এপি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্যারিস থেকে দেশে ফেরার পর বিমানবন্দর ইমিগ্রেশনে নামের কারণে হাসানকে আটকে দেয়া হয়।

৫২ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা হাসান নর্থ ক্যারোলিনার গ্রিনভিলের বাসিন্দা। তার মা ইতালিয়ান ও বাবা সোমালিয় বংশোদ্ভূত অভিবাসী মার্কিনী ছিলেন।

দশ বছর বয়স থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকারী হাসান আগে বহুবার দেশের বাইরে যাতায়াত করেছেন। কিন্তু কখনোই তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে বিরূপ পরিস্থিতির শিকার হতে হয়নি।

তবে এবারই শুধু নামের কারণে তাকে আটক করে জীবনের সব বিষয়াদি নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস ও সীমান্তরক্ষা কর্মকর্তারা।

পরে এই ঘটনা নিয়ে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে এক দীর্ঘ পোস্টে নিজের এই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন হাসান অ্যাডেন।

এতে হাসান বলেন, একজন কর্মকর্তা আমাকে বলেন, নজরদারি তালিকায় থাকা একজনের নামের সঙ্গে আমার নাম মিলে গেছে। তিনি জানান, আরেকটি এজেন্সিকে আমার তথ্য পাঠানো হয়েছে, যাতে আমার ব্যাপারে সন্দেহ না থাকে এবং আমার নাম বাদ দেয়া হয়। এরপরই আমি যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে চলাচলের অনুমতি পাব।

এর এক ঘণ্টা পর আরেকজন কর্মকর্তা পরিস্থিতি খেয়াল করেন। তিনি হাসানের ব্যাপারে তথ্য আপডেট করে আধাঘণ্টার মধ্যে ছেড়ে দেয়ার ব্যবস্থা করেন এবং ঘটনার জন্য ক্ষমা চান।

এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছেন হাসান। তিনি পোস্টে লিখেছেন, বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসনের আগে আমি বহুবার হোয়াইট হাউজের বৈঠকে যোগ দিয়েছি। সেখানে জাতীয় পুলিশ নীতির পুনর্গঠনে পরামর্শ দিয়েছি। এরপরও যদি আমার সঙ্গে এমনটি ঘটতে পারে, তাহলে তা যেকোনো মার্কিনীর বেলায় ঘটতে পারে। কেউই এ ধরনের বেআইনি সরকারি হস্তক্ষেপ থেকে নিরাপদ নয়।

তিনি বলেন, এককালে মহান যুক্তরাষ্ট্রকে আমি গর্বের সঙ্গে স্বদেশ বললেও এ অভিজ্ঞতার কারণে এ দেশের ভবিষ্যতের ব্যাপারে আমি সংশয়গ্রস্ত হয়ে পড়েছি।

এই অভিজ্ঞতা আমার মধ্যে এমন প্রশ্নেরও জন্ম দিয়েছে যে সত্যিই যুক্তরাষ্ট্র আমার স্বদেশ কি না বলেও ক্ষোভ জানান হাসান।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে মার্চ মাসে মুসলিম নামের কারণে কাউকে আটক করার ঘটনা দ্বিতীয়বারের মতো ঘটলো। এর আগে গত ১০ মার্চ বিখ্যাত বক্সার মোহাম্মদ আলীর ছেলে মোহাম্মদ আলী জুনিয়রকে নামের কারণে রিগ্যান জাতীয় বিমানবন্দরে আটক করা হয়েছিল।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ