News Bangla 24 BD | সিলেটের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি - News Bangla 24 BD
News Head
 দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই-সেতুমন্ত্রী টাঙ্গাইল জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির তিন সদস্যকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি প্রত্যাহার-শিক্ষামন্ত্রী সাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরি কমিশন-ইউজিসির চেয়ারম্যান রদবদল আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনো রেশনিং থাকছে না-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে ছন্দ হারায় বাংলাদেশ বাণিজ্যিকভাবে ব্রেইন চিপ ডিভাইসের অনুমোদন দিয়েছে চীন পপ তারকা টেইলর সুইফটই বিশ্বের সবচেয়ে ধনী গায়িকা পবিত্র ঈদুল ফিতর শেষে ফিরতি যাত্রার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। ফলে সিলেটে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। নদীর পানি কমার সাথে সাথে প্লাবিত এলাকার পানিও নামতে শুরু করেছে। তবে বেশির ভাগ নিচু এলাকা রয়েছে পানির নিচে। ফলে পানিবন্দি এখনও লক্ষাধিক মানুষ। বন্ধ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান। তাছাড়া বন্যায় বিভিন্ন গ্রামের রাস্তাঘাট বিধ্বস্ত হয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগ বেড়েছে দুর্গত এলাকার মানুষদের। ঘরে ঘরে দেখা দিয়েছে পানিবাহিত রোগও।
সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে পাওয়া তথ্য মতে, সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি কমেছে। তবে এখনও বিপদসীমার উপর দিয়েই প্রবাহিত হচ্ছে। শুক্রবার কানাইঘাটে সুরমা বিপদসীমার ৪৯ সেন্টিমিটার, শেওলায় কুশিয়ারা বিপদসীমার ৬৪ সেন্টিমিটার, আমলসীদে কুশিয়ারা বিপদসীমার ৬৪ সেন্টিমিটার, শেরপুরে কুশিয়ারা ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উজানে বৃষ্টিপাত হলে নদীর পানি প্রবাহ বেড়ে যেতে পারে বলেও জানিয়েছে পাউবো।
এদিকে বৃষ্টি কমে যাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। বিশেষত; উঁচু এলাকাগুলোর পানি প্রায় নেমে গেছে। তবে উপর ভাগের পানি নেমে গেলেও নিম্নাঞ্চল এখনও পানির নিচে রয়েছে। বৃষ্টিপাত না হলে এসব এলাকার পানি নামতে আরো দু’তিন দিন সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শহীদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, বন্যার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে পানি পুরোপুরি না নামা পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে না। বন্যায় দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত শুক্রবার বিকেলে জেলার ফেঞ্চুগঞ্জের দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেছেন বলেও জানান তিনি।
এলজিআরডির নির্বাহী প্রকৌশলী এএসএম মহসীন জানান, বন্যায় সিলেটের ১১টি উপজেলায় ২২৬ কিলোমিটার রাস্তা তলিয়ে গেছে। এসব রাস্তার বিভিন্ন স্থান মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাস্তা মেরামতের জন্য প্রয়োজন প্রায় ৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ইতোমধ্যে বরাদ্দ এসেছে ২৫ কোটি টাকা। এছাড়া সড়ক ও জনপথের আওতাধীন ৬ কিলোমিটার রাস্তাও পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
এদিকে, বন্যা আক্রান্ত এলাকায় পানিবাহিত নানা রোগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ডায়রিয়া ও চর্মরোগ ছড়িয়ে পড়েছে। উপদ্রুত এলাকায় চিকিৎসা দিতে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পক্ষ থেকে ৬৮টি ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৩২টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। কিন্তু বন্যা প্লাবিত বিশাল জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে এই মেডিকেল টিম পর্যাপ্ত নয় বলে দাবি করছেন বন্যাদুর্গরা।
অন্যদিকে, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদ শুক্রবার দুপুরে ওসমানীনগর উপজেলার শেরপুরে বন্যা দুর্গত লোকজনের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেছেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ