শাড়ি আমাদের দেশের নারীদের একটি ঐতিহ্যবাহী পোশাক। কিন্তু বর্তমানে অফিসগামী নারীরা কর্মক্ষেত্রে শাড়ির পরিবর্তে সালোয়ার কামিজ পড়াকেই শ্রেয় মনে করেন। অথচ শাড়ি পরেও স্বচ্ছন্দে কাজ করা যায়।
কর্মক্ষেত্রে শাড়ি আপনার ব্যক্তিত্ব উপস্থাপন করে। জেনে নিন অফিসে শাড়ি পড়ার কারণগুলো-
গল্প বলে শাড়ি:
প্রত্যেক শাড়িরই নিজস্ব গল্প রয়েছে। আপনি সুন্দর একটি শাড়ি পরে অফিসে যান। কিছুক্ষণ পরেই দেখবেন কেউ না কেউ এসে আপনার শাড়ির প্রশংসা করছে। এটি কোথা থেকে কিনেছেন, এটি আপনার না কি আপনার মায়ের শাড়ি সে প্রশ্নেরও সম্মুখীন হবেন আপনি। সুতরাং দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাইলে শাড়ি পরতে পারেন।
বিশেষ উপলক্ষে:
অফিসে বিশেষ বিশেষ উপলক্ষে শাড়ি পড়ে দেখুন। সাধারণত সুতি, সুতি সিল্ক, তসর এবং ভাগলপুরি শাড়ি অফিসে পড়ার জন্য উপযুক্ত।
বিশেষ অনুষ্ঠানে এমব্রয়ডারি করা শাড়ি কিংবা ঐতিহ্যবাহী কোন শাড়ি পড়ুন। সেই সঙ্গে কপালে টিপ, চোখে একটু কাজল, হাতে চুড়ি এবং কানে ঝুমকা। আপনাকে অপ্সরীর মত লাগছে- সহকর্মীদের এই মন্তব্য নিশ্চয়ই আপনাকে উদ্দীপ্ত করবে।
আনুষ্ঠানিক পোশাক:
অনেকের ধারণা আনু্ষ্ঠানিক পোশাক হিসেবে শাড়ি বেমানান। তাদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি, কর্পোরেট জগতের প্রধান পদে অধিষ্ঠিত নারীরা কিন্তু কর্মক্ষেত্রে শাড়িই পরেন।
পেশাদার পোশাক:
শাড়ি যথার্থই একটি পেশাদার পোশাক। দেশি কিংবা বিদেশি ক্লায়েন্টদের সঙ্গে যদি আপনার কোনো মিটিং থাকে তাহলে শাড়ি পড়ে যেতে পারেন। তারা আপনার রুচির প্রশংসা করবে।
আরামদায়ক:
এই গরমে স্বস্তি পেতে শাড়ি পড়ুন। গ্রীষ্মে সুতি এবং শিফনের শাড়ি পড়তে পারেন আবার শীতে সিল্কের শাড়িতে চমৎকার মানিয়ে যাবে।

জিলাপিতে নিষিদ্ধ হাইড্রোজ ব্যবহার: মির্জাপুর বাজারের স্বপন মিষ্টান্নে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা
দালালদের নিয়ন্ত্রণে গাজীপুর মহানগর ভূমি অফিস, সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই
গাজীপুরে বিদেশী মদ সহ ২ জন গ্রেফতার
গাজীপুরে পুলিশের অভিযানে ফুটপাত দখলমুক্ত হলেও গ্রেফতার হয়নি চাঁদাবাজরা
বৈশ্বিক মান অনুযায়ী দেশের শ্রম আইন সংস্কারের নির্দেশ– প্রধান উপদেষ্টা
অন্তর্বর্তী সরকারকে দ্রুত নির্বাচন দিয়ে বিদায় নেওয়ার আহ্বান – মাহমুদুর রহমান মান্না।
স্মৃতিতে গাজীপুর ৪ ডিসেম্বর ২০১৩
তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মোদি 