News Bangla 24 BD | ওসমানীনগরে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর ফাঁসি - News Bangla 24 BD
News Head
 দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই-সেতুমন্ত্রী টাঙ্গাইল জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির তিন সদস্যকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি প্রত্যাহার-শিক্ষামন্ত্রী সাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরি কমিশন-ইউজিসির চেয়ারম্যান রদবদল আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনো রেশনিং থাকছে না-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে ছন্দ হারায় বাংলাদেশ বাণিজ্যিকভাবে ব্রেইন চিপ ডিভাইসের অনুমোদন দিয়েছে চীন পপ তারকা টেইলর সুইফটই বিশ্বের সবচেয়ে ধনী গায়িকা পবিত্র ঈদুল ফিতর শেষে ফিরতি যাত্রার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

ওসমানীনগরে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর ফাঁসি


সিলেটের ওসমানীনগরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে এক পাষন্ড স্বামীকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক মোছাম্মৎ রোকশানা বেগম হেপী এ রায় ঘোষনা করেন।
ফাঁসির দন্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামীর নাম কয়েছ মিয়া (৩৪)। সে মৌলভীবাজার সদর থানার পূর্ব ফতেহপুর গ্রামের আবদুল খালিকের ছেলে। বর্তমানে সে পলাতক রয়েছে।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, ২০০৯ সালের ২৩ জুলাই মধ্যরাতে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার মোবারকপুর গ্রামে শ^শুরবাড়িতে বেড়াতে যান সিএনজি অটোরিকশা চালক কয়েছ মিয়া। ওই রাতেই পারিবারিক কলহের জের ধরে তিনি স্ত্রী সুলতানা বেগমকে (২০) গলায় কাপড় পেচিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে পালিয়ে যান। পরদিন সকালে খবর পেয়ে ওসমানীনগর থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেন।
এ ঘটনায় নিহত সুলতানার মা সুন্দর বিবি বাদি হয়ে একমাত্র কয়েছ মিয়াকে আসামী করে ওসমানীনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার নং- ১৯ (২৪-০৭-২০০৯)। দীর্ঘ তদন্ত শেষে একই বছরের ২৪ ডিসেম্বর ওসমানীনগর থানার এসআই শাহাদত হোসেন একমাত্র কয়েছ মিয়াকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন এবং ২০১২ সালের ২১ জুন থেকে এ মামলার বিচারকার্য্য শুরু হয়। দীর্ঘ শুনানী ও ১২ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আসামী কয়েছ মিয়াকে দন্ডবিধির ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে তাকে মৃত্যুদন্ড (ফাঁসি) প্রদান করা হয়।
সংশ্লিষ্ট আদালতের এপিপি এডভোকেট মোস্তফা দিলওয়ার আল আজহার জানান, মামলার ১৬ জন স্বাক্ষীর মধ্যে ১২ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত বুধবার কয়েছ মিয়ার বিরুদ্ধে ফাঁসির আদেশ দেন। কয়েছ মিয়া জামিনে মুক্ত হয়ে বর্তমানে পলাতক রয়েছে। এছাড়া আসামীপক্ষে স্ট্রেট ডিফেন্স এডভোকেট সনতু দাস মামলাটি পরিচালনা করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ